৩ ছেলে-মেয়ে উনার। সবাই দাদীর সাথে থেকে গ্রামে পড়াশুনা করে। আর উনি থাকেন মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে, তার স্ত্রীর সাথে। ৫ বছর আগে একটি দুর্ঘটনা তার জীবনকে তছনছ করে দিয়েছিল। কিন্তু তিনি হার মানেননি, জীবনযুদ্ধে। পারতেন ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে। কিন্তি সেটা তিনি করেননি। অন্যের কাছে হাত পাতা, তার কাছে অসম্মানের।
তিনি অনেকের জন্য আদর্শ। এতক্ষণ যার কথা বললাম, তিনি হলেন হাশেম আলী। একটি পা না থাকা সত্তেও তিনি ব্যাটারীচালিত রিকশা চালিয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। আর উনার সহধর্মীনী মানুষের বাসায় কাজ করে ঘর ভাড়া পরিশোধ করেন।
১লা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ উনার সাথে আমার পরিচয়। এরপর তিনি মোবাইলে ৩-৪ বার আমার যোগাযোগ করেছেন। তিনি যে রিকশা চালিয়ে দৈনিক যে টাকা পান; তান কিছু অংশ তিনি রিকশার মালিকেক কিস্তি দিয়ে থাকেন। অার কিছু টাকা দিলেই রিকশাটা তার নামে হয়ে যাবে।
আমরা লাইটার ফাউণ্ডেশন হাশেম আলীর মত REAL FIGHTER কে একটু আলো দিতে পারিনা। এসি রুমে কাজ করার থেকে যারা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে পেট চালায়, তারা আমার কাছে "প্রকৃত সৈনিক"।
"হাশেম আলীর মত কিছু মানুষ হতে পারে অসংখ্য মানুষের প্রেরণা। ঘুটঘুটে অন্ধকার ভেদ করে একজন হাশেম অালী আলোর প্রদীপ হয়ে আসবেই।"


সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



