
গণভোট এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জনগণ তাদের প্রতিনিধিদের পরিবর্তে নিজেরা সরাসরি কোনো প্রস্তাব, আইন বা রাজনৈতিক বিষয়ে ভোট দেয়। গণভোটের ফলাফল আইনত বাধ্যতামূলকও হতে পারে যার ফলে নতুন নীতি গ্রহণ করা হয় বা পরামর্শমূলকও হতে পারে। তবো বাংলাদেশের সাংবিধানিক গণভোট, ২০২৬ যা ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তা আইনত বাধ্যতামূলক।
সরকারের উচিত হবে গণভোট সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া, প্রচারণামূলক বিলবোর্ড-ব্যানারও সাঁটানোর সেই সংগে কোন কোন বিষয়ে গণভোটের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে এবং এই সিদ্ধান্তে ‘হ্যাঁ’ হলে কি সুবিধা পাওয়া যাবে আর 'না' হলে কি হবে তা সাধারণ মানুষকে বোঝানো। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গণভোট নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা যাতে ছাত্ররা তাদের পিতা-মাতা ও পাড়া-প্রতিবেশিদেরকে গণভোটের ব্যাপারে বুঝাতে পারে।
মাত্র তিন মিনিটে জেনে নিন গণভোট কী এবং কেন?
হ্যাঁ এবং না ভোটে যে বিষয়গুলি অর্ন্তভুক্ত থাকছে তাহলো ------
আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার–সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

