চতুর্দিকে রক্ষীবাহিনী তথা ফজলু কমান্ডারদের দুর্দান্ত প্রতাপ। ভয়ংকর সত্যটি হলো—যিনি ১০০ মাইল দূর থেকে পাকিস্তানি মিলিটারির আওয়াজ শুনতেন—সেই তিনি লুইচ্যা হামিদের সংগে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। ওদিকে নিলুফার মনি যে কিনা বিগত আওয়ামী আমলে গায়ে বাতাস লেগে টকশো করেছেন কোন প্রকার বাধাবিঘ্ন ছাড়াই। বিগত সময়গুলোতে বিএনপির যারা বছরের পর বছর জেল খেটেছেন, যারা বছরের পর বছর বাড়িতে রাত্রীযাপন করতে পারেন নাই তাদের আজ ফজা পাগলা ও নিলুফার গংগের উত্থানে বিষপানে আত্নহত্যার অবস্থা।
এই ফজলু কমান্ডার বর্তমান সংসদে দাঁড়িয়ে কথিত পুলিশ হত্যার বিচার চাওয়ার সাহস দেখাচ্ছেন! এর একটি সুন্দর জবাব অবশ্য আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় দিয়েছেন! তিনি বলেছেন, জুলাইয়ে গণপ্রতিরোধের মুখে নিহত হওয়া পুলিশের যদি বিচার করতে হয়, তবে ৭১-এ মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা রাজাকার হত্যার বিচারও করতে হবে। খুবই যৌক্তিক কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের মুখে শুনে যারপরনাই ভালো লেগেছে! মন্ত্রী মহোদয়গণ, এভাবে ফজলু কমান্ডার ও নিলুফার মনিদের বূহ্য অতিক্রম করে পাবলিকের কথাগুলো শুনতে চেষ্টা করুন নতুবা এই গুপ্ত আম্লিগার গং ফেসিষ্ট আম্লিগের হত্যাকান্ড, ব্যাংক ডাকাতী, বিদেশে টাকা পাচার এসবই নরমালাইজ করে ফেলবে!
আম্লিগ তো ভারতে পালিয়েছি কিন্তু উহারা ফিরলে জীবন নিয়ে কোথাও পালাতে পারবেন না।
ভাবুন ভাবুন ভাবা প্রাক্টিস করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

