somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুম্বাইেয়র উদ্দেশ্যে যাত্রা এবং কিছু স্মৃতি

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভোর ৫ টা বেজে ৪০ মিনিট। আমি প্রস্তুত হচ্ছি, উদ্দেশ্য মুম্বাই যাত্রা। মাথায় রাজ্যের চিন্তা। আব্বা অসুস্থ, একাই মুম্বাই চলে গেছেন চিকিৎসার জন্য। গতকাল ফোনে বলেছেন তার নাকি নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। এত দুর থেকে কিই বা করার আছে আমার? একটু পর আম্মার ফোন তোমার আব্বা খুব অসুস্থ ফিল করছেন। আম্মাদের যা হয়... কথা বলার সময় সয়ংক্রিয়ভাবে এ্যাটাচমেন্ট হিসাবে ভয়েসের সাথে দুফোটা চোখের পানি সেন্ড করে দেন। কি আশ্চর্য ব্যাপার কোন ব্লুটুথ, ভাইবার, শেয়ার ইট বা ওয়াই ফাই ছাড়াই সেই পানি আমি রিসিভ করলাম এবং আমার চোখ বেয়ে তা গড়িয়ে পড়ল। কেমনে কি??? ছেলেদের কাছে সবথেকে কঠিন দৃশ্য হচ্ছে মায়ের চোখে পানি। যাই হোক আম্মাকে আশ্বস্ত করলাম আমি আগামীকাল সকালে মুম্বাই যাচ্ছি এবং আগামীকাল দুপুরে আব্বার সাথে সেলফি তুলে আপনাকে দেখাবো। বিধি বাম, কে শোনে কার কথা? আম্মার কঠিন প্রশ্ন - সেলফি কি? পাশ কাটানোর মরন অস্ত্রটা আর ব্যবহার না করে পারলাম না। আম্মা অফিসের ফোন এসেছে আমি পরে কথা বলি? সাথে সাথে কাজ হল। [আপনারাও ট্রাই করে দেখতে পারেন সফলতা নিশ্চিত, তবে বেকার ভাই বোনেরা সবধান। এই অস্ত্র আপনাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তবে আপনরা ইন্টারভিউয়রে কল আসছে বলে দেখতে পারেন]

সকাল ৫টা বেজে ৫৫ মিনিটে আমার বড় ভাইয়া চোখ ডলতে ডলতে আমার রুমে এসে হাজির, বলল তুমি রেডি? গুড, আমি তোমাকে এয়ারপোর্ট ড্রপ করে দিচ্ছি। পৃথিবীতে যদি একটা দায়িত্ববান বড় ভাইদের লিস্ট করা হত তাহলে সন্দেহ নাই আমার বড় ভাইয়ের অবস্থান প্রথম দিকে থাকত। আল্লাহ বাচিয়েছে যে এই রকম কোন লিস্ট তৈরী করা হয় নাই। ব্যাপারটা অনেকটা "হাতি যদি জানত তার শরীরটা এত বড় তাহলে দুনিয়া ভেঙ্গে ফেলত" কন্সেপ্টের মত হত। জাস্ট ৬:১৫ মিনিটে আমরা স্টার্ট করলাম। লক্ষ্য করলাম সদাহাস্য শ্রদ্ধেয় বড় ভাবীর চেহারায় একটু দুখী দুখী ভাব। ভাবীকে বিদায় বলে যাত্রা শুরু। রমনা টু এয়ারপোর্ট গাড়ীতে আমি আর ভাইয়া পাশাপাশি বসে। অম্ল আর ক্ষার পাশাপাশি রাখলে বিক্রিয়া না হয়ে যাবে কই। শুরু হল বড় ভাইয়ার কিছু সাবধানী টিপস্ । এ ধরনরে টিপস আপনি বিটস্ ব্র্যান্ডের দামী হেডফোন দিয়ে ফুল ভিলউমে মমতাজের বুকটা ফাইটা যায় গান শুনলেও এড়াতে পারবেন না। যাই হোক যেহেতু এটা আমার প্রথমবার দেশের বাইরে যাওয়া না, তাই অল্পতে রক্ষা। ভাইয়াকেও বিদায় জানিয়ে আমি ঢুকে পড়লাম এয়ারপোর্টের ভিতরে। প্রায় বিশ বছর পর বিমান বাংলাদেশে উঠতে যাচ্ছি। একটু নস্টালজিক হয়ে গেলাম। ছোটবেলা আব্বার সাথে যশোর - ঢাকা - যশোর কতবার যে বিমান বাংলাদেশে ভ্রমণ করেছি তার ঠিক নাই। আমারা ভাইয়েরা গর্ব করে বলতাম, আমি সাতবার বিমানে উঠছি কেউ বলত আমি দশবার.... কেই বলত আমি ৫ বার উঠছি এবং ২ বার টিকেট কাটতে বিমান অফিস গিয়েছি।

বাংলাদেশী শ্রমিক ভাইদের বিশাল একটা টিম সারজাহ্ যাচ্ছে। তাদের কর্মকান্ড দেখেই বুঝা যাচ্ছে কত সহজ সরল এই ভাইয়েরা। যাই হোক ইমিগ্রেশন ফরম পূরণ করলাম। হাতে ঘন্টা খানেক সময় আছে। হঠাৎ এক প্রবাসী ভাই এসে বললেন, আমার ফরমটা পূরণ করে দেন তো। অনেকটা অর্ডার করলেন বললে ভুল হবে না। আমি অবশ্য রাগ করলাম না। তার পাসপোর্টটা চেয়ে ফরম পূরণ করতে লাগলাম। তিনি সারজাহ যাচ্ছেন। তাকে দেখে মনে হল - "আশাই মানুষকে বাচিয়ে রাখে"- এই লাইনটির ওপর ভরসা করেই মনে হয় বিদেশ যাচ্ছেন। ভদ্রলোকের সাথে আলাপের কিছু অংশ -
ভদ্রলোক: দেখছেন নি? এম আর ফি পাসফোট।
আমি: হু, দেখলাম।
ভদ্রলোক: পুনারো হাজার টাহা দিয়া সেরা দালাল ধইরা করাইছি। আর্জেন্ট, আমারডা আগে হইছে। জাদরেল দালাল। নাম সুলেমান, আমাগো এলাকার। বড় বালা পুলা।
আমি: এত সস্তায় কেমনে করাইলেন। সুলেমান সাহেব আসলেই কাজের।
ভদ্রলোক: সুলেমান আবার সাহেব হইল কবে? যাউক গা, সারজাহ্ যামু তাই বেশী টাহা লাগছে। মালোশিয়ান বা থাই ভিসা হইলে পাসফোট বানাইতে টাহা কম লাগে। টাহা কোনু ব্যাফার না। বুঝছুইননি।
আমি: হু। আপনার ফরম পূরণ শেষ। এই নেন আপনার দামী পাসপোর্ট। যত্ন করে রাখবেন।
ইতিমধ্যে ৫-৬ জন লোকের একটা লাইন হয়ে গেল। সবার ফরম পূরণ করে দিতে হবে। আমার অবস্থা অনেকটা- "হে আল্লাহ দড়ি ফেলো, দড়ি বেয়ে উপরে উঠে আসি"। যা হোক কাউকে নিরাশ করলাম না। এবার প্রথম ভদ্রলোক যে কিনা সবার নেতা সে আমার কাছে আসল। হঠাৎ করে সে আমার টিশার্টের পকেটে হাত দিল এবং চলে গেল। আমি কিছু বুঝলাম না। একটু পর বুক পটেকে হাত দিয়ে দেখি ৭০০ টাকা। নিজেকে এত ছোট মনে হল তা লিখে বোঝানো যাবে না। ৭০০ টাকা হাতে নিয়ে নিজেকে ঘৃনা করতে ইচ্ছা হচ্ছে। হিসাবটা এবার মাথায় আসলো। সাতটা ফরম পূরন করে ৭০০ টাকা। ইনকাম খারাপ না। দৌড়াতে দৌড়াতে খুজতে থাকলাম এবং পেয়েও গেলাম। তাকে টাকাটা ফেরত দিলাম কিন্তু সে কিছুতেই নিবে না। বলে আফনেরে মিস্টি খাইতে খুশি হয়ে দিছি।নিজেকে সুলেমান সাহেব মনে হল। বললাম ওই মিয়াভাই বহুত হইছে, লন আপনার টাকা। সারজাহ্ হতে আসবার সময় দামী একটা পাসপোর্ট বানায় নিয়া আসবেন, যাতে বিবিসাহেবরে পরেরবার সাথে নিবার পারেন। বলে হাটা দিলাম, হাতে সময় কম। পেছন থেকে শুধু শুনতে পেলাম -"এই লুক দেহি ফুরাই বুকা..."।

ছোটবেলায় বিমান বালাদের দেখে মনে হত বড় হয়ে বিমানে জব করব। কিন্তু বিমান বাংলাদেশে উঠে হতবাক হয়ে গেলাম। কোথায় গেল সেই বিমান বালা। সময় বাড়বার সাথে সাথে বিমান বালারা সবাই আজ বিমান খালা হয়ে গেছেন। নিজের পিঠ নিজেই চাপড়ে দিলাম যে আমি বিমান বাংলাদেশে জব করি নাই। যাই হোক কলকাতা বিমান বন্দরে কেবল প্লেন থেকে নেমেছি আর পিছন থেকে কে যেন আমার নাম ধরে ডাকছে। ধুর আমি হেটে চলেছি। আবার ডাকলো। অবশেষে এক বয়স্ক ভদ্রমহিলা এসে বলল--
ভদ্রমহিলা: তুমি অমুেকর ছেলে না?
আমি: জ্বি।
ভদ্রমহিলা: আমি তোমার রোজী খালা। চিনসো?
আমি: ও, খালা। আম্মার কাছে আপনার কথা অনেক শুনছি। কেমন আছেন?
খালার সাখে মনে হয় জীবনে প্রথম কথা হল। খালারা ৪২ জনরে একটা টিম কলকাতা ঘুরতে এসেছেন। খালা প্রায় সবার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আমি যা না তার থেকে বেশী বেশী। এত গুলো মেয়ের সামনে কেউ প্রসংশা করলে আমি মানা করি কিভাবে? এরপর শুরু হল "খালা ম্যাজিক"। সবার সামনে খালা সুবর্ণ এক্সপ্রেস এর মত ননস্টপ বলেই চলল--
খালা: তুমিতো আমাদের চিন না। তোমার আম্মা আব্বা চিনে। তোমাকে অনেক ছোট দেখছি। তুমি তখনো জামা প্যান্ট পর না....( এই প্রথম মনে হল বিমানের খালা অনেক ভাল। বিশ্বাস করেন আমার এই অভ্যাস কখনো ছিল না, কসম)
আমি: খালা আমাকে মুম্বাইয়ের কানেক্টিংন ফ্লাইট ধরতে হবে। তাড়া আছে..
খালা: তুমি আমার ইমিগ্রেশন না কি বলে ওইটা পূরণ করে দাও। সবসময় তোমার খালু থাকে এবার সে আসে নাই।
আমি কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি ফরম পূরন করে দিলাম। খালার সাথের অনেকে দাড়িয়ে আছে, ফরম পূরন করে দিতে হবে। একজনতো তার ফরম পূরন করার সময় বলেই ফেলল, আমি কিন্তু ঘটকালি করি। তোমার জন্য একটা মেয়ে দেখব? ১৮ ডিগ্রীর ঠান্ডা এসির হাওয়া সারজার ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের লু হাওয়া মনে হতে লাগল। একে একে আটজন খালা এবং দুইজন আপুর ফরম পুরণ করে দিলাম। মোট দশটা ফরম পূরণ করলাম কোন ধন্যবাদ বা টিপস্ নাই? ইস্ প্রবাসী ভাইজানরা হলে দশ জনের জন্য নিশ্চিত ১০০০ টাকা পেতাম। নিজেকে আতেল মনে হল। এখন বুঝতে পারলাম সুলেমান সাহেব অনেক স্মার্ট মানুষ। পনের হাজার টাকা দিয়ে এক পাসপোর্ট করেন এবং কাস্টমার স্যাটিসফ্যাকশন ১০০%। খালারা সবাই দেখি সেলফি তুলতে ব্যস্ত। অবশেষে নিজের ও খালার ব্যাগ টানা শুরু করলাম। ইন্টারন্যাশনাল অ্যারাইভাল হতে বের হলাম। খালাকে বিদায় বলে হাটা শুরু করলাম। হঠাৎ খালা পেছন থেকে ডাক দিল। বলল তোমার সাথে একটা ছবি তোলা হযনি। তারপর ছবি তুললাম খালার সাথে। শেষে খালা বললেন তোমারতো আপন খালা নাই। আমাকে তুমি আপন খালা ভাববে। আমার কোন ছেলেও নাই, এই বলে আমাকে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখলেন। আমি আমার লাগেজের ট্রলি নিয়ে এগিয়ে চললাম ডমেস্টিকরে দিকে। পেছন ফেরে দেখি খালা সহ প্রায় সবাই দাড়িয়ে আছেন। খালার চোখে পানি। আমার উদ্দেশ্য মুম্বাইয়ের ফ্লাইট ধরা। কিন্তু কোন এক কারনে মনে হল আমার নিজের গলা ধরে গেছে, পা আর এগোচ্ছে না। নিজেকে খুব একা মনে হচ্ছে। এ এক অন্য রকম অনুভূতি। ইচ্ছা হচ্ছিল চিৎকার দিয়ে খালাকে ডাক দিয়ে বলি, হ্যা খালা তুমি আমার আপন খালা।

বেলা ২ টা বেজে ৫৫ মিনিট। জেট এয়ারওয়েজেরে বিমানটি মুম্বাই বিমানবন্দরে অবতরন করল। মুম্বাই এয়ারপোর্টে এক লোককে দেখছি এর ওর কাছে ছোটাছুটি করছে। কেউ তার কথা শুনছে না। একবার মনে হল ধুর যারটা সে বুঝুক... পরক্ষনেই মনে হল দেখি সে কি বলে। লোকটা লিখতে পড়তে পারে না। কোলকাতায় বাড়ী। সৌদিআরব যাচ্ছে শ্রমিক হিসাবে। দিক হারিয়ে ফেলেছে। তার বোর্ডিং কার্ড দেখে তাকে বললাম চিন্তার কিছু নাই। এখনো তিন ঘন্টা বাকি আছে। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দ্রুত এয়ারপোর্ট হতে বের হলাম। ছেলেটা আমার হাত ধরে কেদে ফেলল। আমি মোবাইলে গুগল ম্যাপ ও জিপিএস সার্ভিসটা চালু করলাম। একটি প্রিপেইড ট্যাক্সি নিয়ে সোজা হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। মুম্বাইয়ের সুনসান ফাকা রাস্তায় সাই সাই করে আমার ট্যাক্সি এগিয়ে চলছে। আশেপাশের কোন দৃশ্যই আমাকে আকর্ষন করছে না। আমার ক্ষুদ্র মন ভেবে চলেছে অনেক জটিল বিষয় নিয়ে। আমরা কি পারি না এই সুলেমানদের হাত থেকে আমাদের প্রবাসী ভাইদের বাচাতে? আমরা কি পারি না আমাদের এই সহজ সরল ভাইদের জন্য দেশে কোন কর্মসংস্থান করতে? ভাবতে ভাবতে অবুঝ চোখ আবছা হয়ে আসছে। আমি এগিয়ে চলছি হোটেলের দিকে। যেখানে আছেন আমার প্রানপ্রিয় বাবা। আব্বাকে আমার সুস্থ করে তুলতেই হবে। আমার উপর যে অনেক বড় গুরু দায়িত্ব পড়েছে। আমি যে আমার আম্মাকে কথা দিয়ে এসেছি, আমাকে যে আব্বার সাথে সেলফি তুলে আম্মাকে দেখাতেই হবে।

শাকিল আহমেদ পারভেজ
হোটেল ইম্পেরিয়াল প্যালেস
ইস্ট আন্ধেরী, মুম্বাই
২৩/০২/২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৫
৯টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা প্রেমিকদের কলমে সময়ের বিবেক : বিশ্ব কবি রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের গ্রাফিতেতে কালী লেপন প্রসঙ্গ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৪


যে কবির গানে ভোরের আকাশ জেগে ওঠে প্রতিদিন
যাঁর সুরে আজও অশ্রু ঝরে হাসে হৃদয় রঙিন
সেই রবীন্দ্রনাথের ছবির বুকে কালি মাখায় যারা
তারা কি জানে তাঁরই গানে বাঙালির প্রাণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×