somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"নীরব ভালোবাসা"

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসি

এটা একটা বাংলাদেশের কোন এক মধ্যবিত্ত
পরিবারের একটি ছেলেও একটি মেয়ের নীরব প্রেমের
গল্প। মেয়ের পরিবারচিরাচরিত
নিয়মে ছেলেটাকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়।
স্বাভাবিকভাবেই মেয়ের পরিবার মেয়েটাকে বুঝানোর
চেষ্টা করে যে ছেলেটার খুবএকটা ব্রাইট ফিউচার
নেই, তার সাথে সম্পর্ক রাখাটা বোকামি ছাড়া আর
কিছু না।
পরিবারের চাপে পড়ে একদিন
মেয়েটা ছেলেটাকে বলে,"আমার প্রতি তোমার
ভালোবাসা কতটা গভীর? তুমি একটা কিছু অন্তত
করো। তাছাড়া আমাদেরসম্পর্ক কেউ
মেনে নিবে না।" ছেলেটাকোন উত্তর খুঁজে পায় না।
সে চুপ করে থাকে। মেয়েটা রাগ হয়ে চলে যায়।
তারপরেও স্বপ্নবিলাসী ছেলেটা তাদের ভবিষ্যতের
স্বপ্ন দেখে, কিছুটা অন্জন'দা এর গানের মতো,
"সাদা-কালো এই জন্জালে ভরা মিথ্যেকথার শহরে,
তোমার-আমার লাল-নীলসংসার।"
ছেলেটা একদিন হায়ার-স্টাডিসের জন্য
বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগ-
মুহূর্তে সে মেয়েটাকে বলে, "আমি হয়তো কথায় খুব
একটা পারদর্শী না, কিন্তু
আমি জানি যে আমিতোমাকে অনেক ভালোবাসি।
তারপরেও তুমি যদি চাও, তোমার-আমার বিয়ের
কথা আমি তোমার পরিবারকে একবার
বলে দেখতে পারি। তুমি কি আমার সাথে সারাজীবন
কাটাতে রাজি আছ?"
মেয়েটা ছেলের দৃঢ়-সংকল্প দেখে রাজি হয়।
ছেলেটা মেয়ের পরিবারকে অনেক
বুঝিয়ে রাজি করে ফেলে। তারপর তাদের এনগেজমেন্ট
হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
যে ছেলে প্রতিষ্ঠিতহয়ে দেশে ফিরলে তারপর তাদের
বিয়ে হবে। এরপর ছেলেটা চলে যায় দেশের বাইরে।
মেয়েটা একটা অফিসে জব করা শুরু করে দেয়।
এদিকে ছেলেটাও তার রিসার্চ-ওয়ার্ক নিয়ে দেশের
বাইরে ব্যস্ত। তারপরেও তারা শত ব্যস্ততার
মাঝেও ফোন আর ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের
ভালোবাসার অনুভূতি যতটা সম্ভব আদান-প্রদান
করে।
একদিন মেয়েটা অফিসেযাওয়ার পথে রোড-
অ্যাক্সিডেন্ট করে। সেন্স ফিরে সে দেখতে পায়
যে সে হাসপাতালে ভর্তি এবংবুঝতে পারে যে সে মারাত্মকভাবে আহত।
তার বাবা-মাকে বিছানার পাশে দেখতেপায় সে। তার
মা কান্না করতেছে তা বুঝতে পেরে যখন
মেয়েটা কথা বলতে যায় তখন সে বুঝতে পারে যে তার
বাকশক্তি লোপ পেয়েছে। ডাক্তারের
ভাষ্যমতে মেয়েটা তার ব্রেনে আঘাত পাওয়ায়
আজীবনের মতো বোবা হয়ে গেছে।
একসময় মেয়েটা খানিকটা সুস্থ হয়ে বাসায়
চলে আসে। এদিকে ছেলেটা তাকে বার বারফোন
করতে থাকে কিন্তু মেয়েটা বোবা বলে তার করার
কিছুই থাকে না। মেয়েটা একদিন একটা সিদ্ধান্ত
নিয়ে ফেলে। সে তার কথোপোকথন-হীন এই জীবনের
সাথে ছেলেটাকে আর জড়াতে চায় না।
তার ফলশ্রুতিতে সে একদিন
একটা মিথ্যা চিঠিতেলেখে যে সে আর ছেলেটার জন্য
অপেক্ষা করতে পারবেনা। তারপর মেয়েটা চিঠির
সাথে তার এনজেজমেন্ট রিং ছেলেটার ঠিকানায়
পাঠিয়ে দেয়। ছেলেটামেয়েটাকে হাজার-হাজার ই-মেইল
করে কিন্তু তার কোন রিপ্লাই সেপায় না।
ছেলেটা শত-শত বার ফোন করে কিন্তু মেয়েটার ফোন
রিসিভ না করে নীরবে কান্না করা ছাড়া আর কোন
উপায় থাকে না।
একদিন মেয়েটার পরিবার বাসা বদল করে অন্য কোন
এলাকায় নতুন কোন একটা পরিবেশে যাওয়ার
সিদ্ধান্তনেয় যাতে করে মেয়েটা কিছুটা হলেও এই
দুঃস্মৃতী ভূলে যায়এবং সুখে থাকে।
নতুন পরিবেশে মেয়েটা"সাইন-ল্য াংগুয়েজ"
শেখে এবং নতুন জীবন শুরু করে। বছর দুয়েক পর
একদিন মেয়েটার এক
বান্ধবী এখানে চলে আসে এবং মেয়েটাকে বলে যে ছেলেটা দেশে ব্যাক
করেছে। মেয়েটা তার বান্ধবীকে রিকুয়েস্ট
করে যাতে ছেলেটা কোনভাবেই যেন তার এই অবস্থার
কথা জানতে না পারে। তারপর কয়েকদিন পরমেয়েটার
বান্ধবী চলে যায়।
আরো এক বছর পর আবার একদিন মেয়েটার
বান্ধবী মেয়েটার কাছে একটা ইনভাইটেশন কার্ড
নিয়ে চলে আসে। মেয়েটা কার্ড খুলে দেখতে পায়
যে এটা ছেলেটার বিয়ের ইনভাইটেশন কার্ড।
মেয়েটা অবাক হয়ে যায় যখন পাত্রীর জায়গায় তার
নিজের নাম দেখতে পায়। মেয়েটা যখন তারবান্ধবীর
কাছে এ সম্পর্কে কিছু জানতে চাইবে তখন
সে দেখতে পায় যে ছেলেটা তার সামনে দাঁড়িয়ে।
ছেলেটা তখন "সাইন ল্যাংগুয়েজ" ব্যবহার
করে মেয়েটাকে বলে,"I've spent a year's
time to learn sign language. Just
to let you know that I've not
forgotten our promise. Let me
have the chance to be your voice.
I Love You." এই বলে ছেলেটা আবার সেই
এনগেজমেন্ট রিং মেয়েটাকে পড়িয়ে দেয়। কয়েক বছর
পর মেয়েটা আবার হেসে উঠে। এ যেন এক নীরব
ভালোবাসার নীরব হাসি।

এটা একটা বাংলাদেশের কোন এক মধ্যবিত্ত
পরিবারের একটি ছেলেও একটি মেয়ের নীরব প্রেমের
গল্প। মেয়ের পরিবারচিরাচরিত
নিয়মে ছেলেটাকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়।
স্বাভাবিকভাবেই মেয়ের পরিবার মেয়েটাকে বুঝানোর
চেষ্টা করে যে ছেলেটার খুবএকটা ব্রাইট ফিউচার
নেই, তার সাথে সম্পর্ক রাখাটা বোকামি ছাড়া আর
কিছু না।
পরিবারের চাপে পড়ে একদিন
মেয়েটা ছেলেটাকে বলে,"আমার প্রতি তোমার
ভালোবাসা কতটা গভীর? তুমি একটা কিছু অন্তত
করো। তাছাড়া আমাদেরসম্পর্ক কেউ
মেনে নিবে না।" ছেলেটাকোন উত্তর খুঁজে পায় না।
সে চুপ করে থাকে। মেয়েটা রাগ হয়ে চলে যায়।
তারপরেও স্বপ্নবিলাসী ছেলেটা তাদের ভবিষ্যতের
স্বপ্ন দেখে, কিছুটা অন্জন'দা এর গানের মতো,
"সাদা-কালো এই জন্জালে ভরা মিথ্যেকথার শহরে,
তোমার-আমার লাল-নীলসংসার।"
ছেলেটা একদিন হায়ার-স্টাডিসের জন্য
বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগ-
মুহূর্তে সে মেয়েটাকে বলে, "আমি হয়তো কথায় খুব
একটা পারদর্শী না, কিন্তু
আমি জানি যে আমিতোমাকে অনেক ভালোবাসি।
তারপরেও তুমি যদি চাও, তোমার-আমার বিয়ের
কথা আমি তোমার পরিবারকে একবার
বলে দেখতে পারি। তুমি কি আমার সাথে সারাজীবন
কাটাতে রাজি আছ?"
মেয়েটা ছেলের দৃঢ়-সংকল্প দেখে রাজি হয়।
ছেলেটা মেয়ের পরিবারকে অনেক
বুঝিয়ে রাজি করে ফেলে। তারপর তাদের এনগেজমেন্ট
হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
যে ছেলে প্রতিষ্ঠিতহয়ে দেশে ফিরলে তারপর তাদের
বিয়ে হবে। এরপর ছেলেটা চলে যায় দেশের বাইরে।
মেয়েটা একটা অফিসে জব করা শুরু করে দেয়।
এদিকে ছেলেটাও তার রিসার্চ-ওয়ার্ক নিয়ে দেশের
বাইরে ব্যস্ত। তারপরেও তারা শত ব্যস্ততার
মাঝেও ফোন আর ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের
ভালোবাসার অনুভূতি যতটা সম্ভব আদান-প্রদান
করে।
একদিন মেয়েটা অফিসেযাওয়ার পথে রোড-
অ্যাক্সিডেন্ট করে। সেন্স ফিরে সে দেখতে পায়
যে সে হাসপাতালে ভর্তি এবংবুঝতে পারে যে সে মারাত্মকভাবে আহত।
তার বাবা-মাকে বিছানার পাশে দেখতেপায় সে। তার
মা কান্না করতেছে তা বুঝতে পেরে যখন
মেয়েটা কথা বলতে যায় তখন সে বুঝতে পারে যে তার
বাকশক্তি লোপ পেয়েছে। ডাক্তারের
ভাষ্যমতে মেয়েটা তার ব্রেনে আঘাত পাওয়ায়
আজীবনের মতো বোবা হয়ে গেছে।
একসময় মেয়েটা খানিকটা সুস্থ হয়ে বাসায়
চলে আসে। এদিকে ছেলেটা তাকে বার বারফোন
করতে থাকে কিন্তু মেয়েটা বোবা বলে তার করার
কিছুই থাকে না। মেয়েটা একদিন একটা সিদ্ধান্ত
নিয়ে ফেলে। সে তার কথোপোকথন-হীন এই জীবনের
সাথে ছেলেটাকে আর জড়াতে চায় না।
তার ফলশ্রুতিতে সে একদিন
একটা মিথ্যা চিঠিতেলেখে যে সে আর ছেলেটার জন্য
অপেক্ষা করতে পারবেনা। তারপর মেয়েটা চিঠির
সাথে তার এনজেজমেন্ট রিং ছেলেটার ঠিকানায়
পাঠিয়ে দেয়। ছেলেটামেয়েটাকে হাজার-হাজার ই-মেইল
করে কিন্তু তার কোন রিপ্লাই সেপায় না।
ছেলেটা শত-শত বার ফোন করে কিন্তু মেয়েটার ফোন
রিসিভ না করে নীরবে কান্না করা ছাড়া আর কোন
উপায় থাকে না।
একদিন মেয়েটার পরিবার বাসা বদল করে অন্য কোন
এলাকায় নতুন কোন একটা পরিবেশে যাওয়ার
সিদ্ধান্তনেয় যাতে করে মেয়েটা কিছুটা হলেও এই
দুঃস্মৃতী ভূলে যায়এবং সুখে থাকে।
নতুন পরিবেশে মেয়েটা"সাইন-ল্য াংগুয়েজ"
শেখে এবং নতুন জীবন শুরু করে। বছর দুয়েক পর
একদিন মেয়েটার এক
বান্ধবী এখানে চলে আসে এবং মেয়েটাকে বলে যে ছেলেটা দেশে ব্যাক
করেছে। মেয়েটা তার বান্ধবীকে রিকুয়েস্ট
করে যাতে ছেলেটা কোনভাবেই যেন তার এই অবস্থার
কথা জানতে না পারে। তারপর কয়েকদিন পরমেয়েটার
বান্ধবী চলে যায়।
আরো এক বছর পর আবার একদিন মেয়েটার
বান্ধবী মেয়েটার কাছে একটা ইনভাইটেশন কার্ড
নিয়ে চলে আসে। মেয়েটা কার্ড খুলে দেখতে পায়
যে এটা ছেলেটার বিয়ের ইনভাইটেশন কার্ড।
মেয়েটা অবাক হয়ে যায় যখন পাত্রীর জায়গায় তার
নিজের নাম দেখতে পায়। মেয়েটা যখন তারবান্ধবীর
কাছে এ সম্পর্কে কিছু জানতে চাইবে তখন
সে দেখতে পায় যে ছেলেটা তার সামনে দাঁড়িয়ে।
ছেলেটা তখন "সাইন ল্যাংগুয়েজ" ব্যবহার
করে মেয়েটাকে বলে,"I've spent a year's
time to learn sign language. Just
to let you know that I've not
forgotten our promise. Let me
have the chance to be your voice.
I Love You." এই বলে ছেলেটা আবার সেই
এনগেজমেন্ট রিং মেয়েটাকে পড়িয়ে দেয়। কয়েক বছর
পর মেয়েটা আবার হেসে উঠে। এ যেন এক নীরব
ভালোবাসার নীরব হাসি।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক: একটি প্রগতিশীল (?) অগ্রযাত্রা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৮


আমি আসলে জন্মগতভাবেই খুব আশাবাদী মানুষ। সত্যি বলছি। ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে যখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করল, আমি মনে মনে বললাম , অবশেষে কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×