Robert Bob Woodward একজন আমেরিকান ইনভেষ্টিগেটিভ সাংবাদিক এবং নন-ফিকশন লেখকও।।যিনি ১৯৭১ থেকে ওয়াশিংটন পোষ্টের একজন রিপোর্টার হিসাবে যোগ দিয়ে এখনো এসোশিয়েট এডিটর হিসাবে কর্মরত আছেন।।
তিনি তার ২০১২ সালে লিখিত The Price Of Politics বইটিতে উল্লেখ করেছেন যে আমেরিকার ৪৪তম প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বলতম প্রেসিডেন্ট।।
আর দূর্বলতার দিকগুলি জানিয়েছেনও সহজ সরল ভাবে।।প্রথমটি,যখন John A. Boehhner যিনি কিনা আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজ্নেটিটিভস এর স্পীকারও, প্রেসিডেন্টের অজান্তেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে কংগ্রেসে ভাষনের জন্য আমন্ত্রন জানান।।যেখানে বিবি বর্তমান ইরানের সাথে ৫+১ শক্তির আসন্ন চুক্তির তীব্র বিরোধীতা করে।। প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে এই চুক্তির ফলে ইরান এমন কিছু ছাড় দেয়া হচ্ছে,যা প্রতিটি দেশেরই টপ সিক্রেট।।প্রকাশিত হয় না বা করে না কোনদেশই।।আমরাও কিন্তু এর ব্যতিক্রম নই।।
দ্বিতীয়তঃ যখন কিছু কংগ্রেসম্যান ইরানের প্রতি এক খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর দিয়ে জানান,বর্তমানে যে চুক্তিই হোক না কেন ওবামার মেয়াদের পর তা তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না।।
তৃতীয়তঃ টেক্সাসের কিছু মিটিং এবং সির্ধান্ত ওবামার অজান্তেই হয়েছে।।
চতুর্থতঃ প্রেসিডেন্টকে অতিরিক্ত ৪০০ মিলিয়ন ডলারের জন্য ৪৪দিন অতিবাহিত করতে হয়েছে শুধু ট্রেজারী সেক্রেটারির রেসপন্ডিংর জন্য!!
এতো গেলো মাত্র অপমান আর অবহলার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দিকের কথা।।হোয়াইট হাউসে আসার পর থেকে ছোট খাটো এমন অনেক ঘটনাই ঘটে চলছে।। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বা হোয়াইট হাউস তথা তার নিজস্ব ষ্টাফ একে গনতন্ত্রের খাতিরে তুচ্ছ করেই দেখছে।। কারন তাদের কাছে ব্যাক্তি বা দলের চেয়ে দেশ আগে।।
আর আমাদের দেশের আজকের নির্বাচন পক্ষ-বিপক্ষ দুটি দলই প্রমান করে দিলো যে, দেশের আগে দল,দলের আগে নেতা বা নেত্রী।।বিভিন্ন জনের লেখায় তারই আলামত পাচ্ছি।।আর প্রত্রিকাগুলি তো তাদের রং মেলে ময়ূরনাচ নাচছে কারন যতই বিতর্ক ততই কাটতি।।ভাবছি এই কথিত সাংবাদিকদের বেতন বাড়বে কি আর বাড়লেই কতটুকু?? মাঝখান থেকে দরিদ্র থেকে হতদরিদ্র হওয়া মানুষের টাকা।। নেতারাতো আর তাদের বৈদেশিক ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা টাকা ফেরত আনবে না,এই ব্যয় মিটাতে।।
আসলে এটাও জনগনকে ভুলিয়ে একটা ব্যাবসায় লগ্নী খাটানোর মত।। বুঝহ সূজন,যে জান সন্ধান।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


