রাজীব হায়দার,অভিজিৎ সাথে বন্যাকেও হত্যার প্রচেষ্টা, বাবু , বিজয় দাস, নীলয়, দীপন, টুটুলকে হত্যার প্রচেষ্টার সাথে খুনের কাতারে বিশেষ করে নিহত ব্লগার তালিকায় সর্বশেষ সংযুক্তি নাজিমুদ্দীন সামাদ।।
উনি মূলতঃ ফেসবুকার।। জড়িত ছিলেন গনজাগরন মঞ্চের সাথেও।। কি লিখতেন, তাও জানতাম না।। আজ সকালেই মোবাইলের নিউজ পোর্টালে জানতে পারলাম কিছুটা লিখতেন ধর্ম নিয়ে, যদিও সব “নাস্তিককেই” দেখেছি চিতায় বা কবরে স্থান নিতে (নিজ নিজ ধর্ম অনুসারেই)।। সবাই তো আর আহমেদ শরীফ হতে পারে না!! কিছুটা সরকার সমালোচনার নামে বুদ্ধি-পরামর্শ দেয়ায়।। নিজেকে সরকারপন্থী বলেই পরিচয় দিতেন।।
আসলে এসব তার আসল পরিচয় নয়।। কারো লেখাই তার আসল পরিচয় দেয় না।। দেয় তিনি যে বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং সবার শ্রদ্ধেয় সংবিধান অনুযায়ী স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকারী।। কিন্তু নাহ! রাষ্ট্র তাকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।। কর্তৃপক্ষ বলবে কে কাকে খুন বা ধর্ষন করবে তাতো আমাদের জানার উপায় নেই।। আসলেও তাই।। কিন্তু অপরাধ ঘটে যাবার পরতো অপরাধীদের শনাক্ত এবং ন্যায় বিচারের সম্মুখিন করার জন্যই তো তাদের নিয়োগ?? তাহলে?? কোন প্রশ্ন করলাম না।। কারন উত্তরটা সবারই জানা।। তাই আসলে বিচারের বানী নিভৃতে কাঁদে।। সাথে আমরাও ভয়ে থাকি।।
তবে আমার নিজস্ব বিচারে ( দয়া করে ভিন্নার্থ করা পাঠকরা মন্তব্য করবেন না), ভুল মানুষই করে থাকে।। একদম না করলে আমরা ফেরেসতার কাতারে আর সবসময় করলে শয়তানের কাতারে নাম লিখাতাম।। ভুলত্রুটি মিলিয়েই আমরা মানুষ।। আর হাতের পাচ আঙ্গুলের মতই সব মানুষের চিন্তা-ভাবনাও এক হয় না।। স্বাভাবিক।। কেন ব্লগ বা ফেসবুকে এরচেয়েও সরকারের কঠোর সমালোচনা করেও কারো কিছু হয় না?? তাহলে??!! কেউ লিখে যায় আগ্রহে, কেউ পড়ার, কেউ বা নামের নেশায়, সবচেয়ে খারাপ বর্তমান পশ্চিমা-বিশ্বের নাগরিকত্ব পাবার জন্য যারা ধর্ম নিয়ে নাড়া-চাড়া করতে শুরু করেন।। আমি নাম বললাম না, কিন্তু ব্লগার কারোরই অজানা নেই যে, নিজ নিজ ধর্ম বিশেষ করে ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু লিখে, ভূয়া পত্রের হুমকি দেখিয়ে সহজ হয়ে যায় ভিসা!! বিশেষ করে সুইডেনে।। তসলিমা নাসরিন দিয়ে শুরু।। তারপর আরো কতজন!!
পশ্চিমা বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টেছে।। আজ নিজেরাই সরাঢ়রি অংশগ্রহনের চেয়ে “ ডিভাইড এন্ড রুলস্” পলিসি নিয়েছে।। তোমরা মার কিংবা মর, আমার ব্যবসাই মূল।। সফলও হচ্ছে সবস্থানে।। মিশর,লিবিয়া,সিরিয়া, পাকিস্তান,এমনকি আমাদের দেশেও তার লক্ষন!!
তবে শেষ হিসাবে বলি, এভাবে ধর্ম এবং নারিকদের মুখো মুখি করে কে বা কারা লাভবান হচ্ছে?? আসলেই কি সব ধর্মান্ধদের কাজ?? না কারো উর্বর মস্তষ্কপ্রসুত সুচতুর প্লান?? যারা খুন করেছে তারা দাবার গুটি মাত্র।। প্রয়োজন ফুরালেই, ফিরোজ সাঈয়ের ভাষায়- একমিনিটের নাই ভরসা।।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


