somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

(প্রসঙ্গ করোনা ভাইরাস) কেন হতাশায় ডুবে যাই?কেন আশা বেঁধে রাখি?

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।আর দেশের অবস্থা নাই বা উল্লেখ করলাম।

আমাদের অনেক অনেক ভুল হয়ে গেল--জাতি হিসাবে এর মাশুল তো আমাদের দিতেই হবে।
সাধারণ ছুটি ঘোষনা হওয়ার পর মানুষ যেভাবে বাসায় ছুটেছে যে মনে হচ্ছিল দেশে ঈদ লেগেছে।



এই সুযোগে ভাইরাস আরো আরো বিস্তার লাভ করছে--



যারা 'ট্রেন টু বুসান' নামক মুভি দেখেছেন তারা ঠিকই বুঝবেন নিচের ছবিটা-



বিশ্বে মহামারী লাগলে কি হবে জ্ঞানী লোকজন আগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন--



খবরের সত্যতা জানিনা তবে এত সমস্যার মাঝেও এধরণের খবর হাসির খোরাক জাগায়-



মহামারীতে জীবাণুই কিন্ত একমাত্র বিপদ নয়।এইসময় এমন এমন কিছু সমস্যা দেখা দেয় যা অমানবিক। এসময় মানুষ আর মানুষ থাকে না।এদেশে এত দায়িত্বহীন কাজকর্ম আর মানুষের অসচেতনতা দেখে দেখে যখন হতাশ হয়ে যাচ্ছি তখন কিছু মানুষের শুভবোধ আর সময়োপযোগী কাজ দেখে মনে আশা জাগে।





কেউ কেউ শুধু মজুত করছে কিন্ত এমন কিছু মানুষ ও আছে যারা এসময়ে দরিদ্র লোকের দ্বারে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।



কেউ কেউ সচেতনতাকে চুড়ান্ত ফাজলামি হিসাবে নিয়েছে--



আবার কেউ সত্যিই জানে সচেতনতা কি?



নামীদামি ঔষধ কোম্পানিগুলো কি করছে তা জানিনা তবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে এগিয়ে এসেছে কেরু এন্ড কোং



সচেতন হতে চাইলে যেটুকু আছে তাই দিয়ে সম্ভব--



কিছু মানুষ আছে যারা নাম কামানোর ধান্দা করছে কিন্ত কোনো উপকারে লাগছে না।কিন্ত কিছু লোক নিরবে কাজ করে যাচ্ছে মানুষের জন্য-



এই ছবিটা আমার দারুণ লেগেছে।আসলেই বাসায় আটক থাকা মানুষের অনেক সাহায্যে লাগতে পারে হোম ডেলিভারি সিস্টেম-



অপত্যস্নেহ-



বড় বড় খারাপ জিনিসেরও কিছু ভাল দিক থাকে।মানুষের ভীড় থেকে মুক্ত হয়ে প্রকৃতি একটু শ্বাস নিতে পারছে--



এই কথাটা মনেহয় সত্য!



আসুন সবাই সবাইকে সাহায্য করি।নিয়মগুলো মেনে চলি।নিজেদের সুস্থ রাখার চেষ্টা করি আপাতত।ইনফেকশন ছড়ানোর সময়টা কেটে গেলে ইনশাল্লাহ সবাই মিলে সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি সামলে নেয়া যাবে।এদেশে যেমন জঘন্য লোকগুলো আছে তেমনি অসংখ্য এমন মানুষ আছে যাদের হৃদয় হীরা মানিক দিয়ে জড়ানো।যাদের প্রকৃত দায়িত্ব তাদের পাশে না পেলেও এইসব মানুষদের নিশ্চয় পাশে পাওয়া যাবে।তাই বুকে আশা বেঁধে রাখি।



ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুসলিম এলাকাগুলোতে ধর্মীয় গুজব কেন বেশী?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৮ শে মে, ২০২০ সকাল ১০:৩৯



মুল কারণ, অশিক্ষা ও নীচুমানের শিক্ষা, মিথ্যা বলার প্রবনতা, এনালাইটিক ক্ষমতার অভাব, ধর্মপ্রচারকদের অতি উৎসাহ, লজিক্যাল ভাবনার অভাব। মুসলমানেরা একটা বিষয়ে খুবই দুর্বল, অন্য কোন ধর্মাবলম্বীর ইসলাম গ্রহন... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাদিসের অসাধারণ একটি শিক্ষা

লিখেছেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:১৪

এক মহিলা সাহাবি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলল, আমি জিনা (ব্যভিচার) করেছি। জিনার কারণে গর্ভবর্তী হয়েছি।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, তুমি চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্রাত্য রাইসুঃ এই সময়ের সেরা চিন্তাবিদের একজন

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৪১

ব্রাত্য রাইসুকে আমি কখনো সরাসরি দেখি নাই বা কোন মাধ্যমে কথাও হয় নাই কিন্তু দীর্ঘদিন অনলাইনে থাকার কারনে কোন বা কোনভাবে তার লেখা বা চিন্তা গুলো আমার কাছে আসে এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের সাধারন মানুষ লকডাউন খুলে দেওয়া নিয়ে যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৫



১। সবই যখন খুলে দিচ্ছেন তো সীমিত আকারে বেড়ানোর জায়গাগুলোও খুলে দেন। মরতেই যখন হবেই, ঘরে দম আটকে মরি কেন? টাকাপয়সা এখনো যা আছে তা খরচ করেই মরি। কবরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুমায়ূন ফরীদি স্মরণে জন্মদিনের একদিন আগে !!!!

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২৮ শে মে, ২০২০ রাত ১০:০১

ঘটনাটি এমন। প্রয়াত চলচ্চিত্র পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকন বসে আছেন। পাশের চেয়ারটি ফাঁকা। ফাঁকা চেয়ার পেয়ে আমি যখন বসতে গেলাম। পরিচালক খোকন ঘাবড়ে যাওয়া চেহারা নিয়ে বললেন ওটা ফরীদি ভাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×