
নিজে নিজে কোরআন ও হাদিস বুঝে মালেক উশতারের দল হজরত ওসমানকে (রা.) হত্যাযোগ্য মনে করে হত্যা করে ফেলেছে। নিজে নিজে কোরআন ও হাদিস বুঝে খারেজি বা ইবাদীরা হজরত আলীকে (রাঃ) কাফির ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে ফেলেছে। এতে যে ফিতনা তৈরী হয়েছে তা’ এখনো চলছে এবং ইসলামের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে।সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানের মাঝে শান্তি বজায় রাখতে এরপর ওলামারা ফতোয়া দিলেন ফকিহ বা বিজ্ঞগণ কোরআন ও হাদিস যা বুঝবে সাধারণ সেটা মেনে নিবে। সেই মতে চার মাযহাব গঠিত হয়। মুসলমানদের মাঝে শান্তি ফিরে আসে।ওলামাদের এ ফতোয়া কল্যাণকর প্রমাণীত হয়েছে। এখন লা মাযহাবিরা আবার নিজে নিজে কোরআন হাদিস বুঝার তরিকা চালু করে মুসলমানদের বৃহৎ ক্ষতির ব্যবস্থা করেছে।সেইমতে আজকাল বাচ্চা ছেলেরাও ফতোয়া দিচ্ছে।এতে করে ফিতনা ফাছাদে ইসলাম শেষ হতে বসেছে।কাজেই লা মাযহাবি ফিতনা ইসলামে সবচেয়ে বড় ফিতনা।
লা মাযহাবিরা হাদিস মানার কথা বলছে। এক্ষেত্রে সে হাদিস মানসুখ কিনা এটা তারা বুঝার দরকার মনে করছে না। কতিপয় লোক কিছু হাদিসকে সহিহ বলছে, এগুলো আসলেই সহিহ কিনা বা মাহানবির (সা.) হাদিস কিনা সেটা তারা ক্ষতিয়ে দেখার প্রয়োজন মনে করছে না।তারা বিজ্ঞ ফকিহ গণের প্রতি অশোভন কথা বলছে।যা সাধারণ মুসলমান মানতে পারছে না। ফিতনার সবচেয়ে বড় কারণ এটা।মালিক উশতারের দল, ইবাদী বা খারেজী ও শীয়া সম্প্রদায় সাহাবায়ে কেরামের (রা.)সাথে বেয়াদবী করেছে।লা মাযহাবি সম্প্রদায় মাযহাবের বিজ্ঞ ইমামদের সাথে ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে বেয়াদবী আচরণ করছে।যা সাধারণ মুসলমান মানতে পারছে না।
বিজ্ঞ বা ফকিহদের চেয়ে সাধারণ মুসলমান কোরআন ও হাদিস বেশী বুঝতে গেলে উশতারী, শীয়া ও খারেজী কান্ডের ন্যায় ক্ষতিকর কান্ডে ইসলাম শেষ হয়ে যাবে। লা মাযহাবিরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


