
কি বিচিত্র এ দেশ! যারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করল। স্বাধীনদেশে প্রথমেই তাদের চাকুরীগেল। চাকুরী তাদের রইল যারা যুদ্ধের সময় পাকি সরকারের অনুগত থেকে চাকুরী করল।অতঃপর চুয়াত্তরে চাকুরী হারা মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে মারা গেল অথবা কাইয়ামরা হয়ে বেঁচে থাকল।সংগত কারণে কিছু সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সাথে মিশেগেল। কারণ একটাই তাদের সৌভাগ্যের যদি কিছু ভাগ পায়।
সেসময় চাকুরী গিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজীর। সেই ক্ষোভে তিনি এখনো কিড়মিড় করছেন।যাদের কারণে তাঁর চাকুরী গেল তাদের তিনি বেকুব বলে গায়ের ঝাল মিটাচ্ছেন। তিনি বলছেন, মুক্তিযোদ্ধাদেরকে চাকুরীহারা না করে তাদেরকে দেশ গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হলে এত দিনে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো। কিছু পাবলিক এ সোজা কথাটা বুঝার চেষ্টাও করছে না।তারা মনে করছে চাঁদগাজী বুঝি আবল-তাবল বকছে।
চাঁদগাজী বলছেন হতো,কিন্তু হত কী হত না পাবলিক এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় বিধায় তারা চাঁদগাজীর সাথে একমত হতে পারছে না।কিন্তু আমার মনে হয় মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হলে বাস্তবেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো।সে অর্থে যারা তাদেরকে এ গুরুদায়িত্ব প্রদান করেনি তাদেরকে বেকুব বলা যায়। যদিও সে সব মান্যগণ্য লোককে বেকুব মানা কষ্টকর।কিন্তু কি আর করা! মান্যগণ্যও যদি বেকুবী করে তবে তাদেরকেতো বেকুবই বলতে হয়, যদি কেউ সত্য কথা বলতে চায়। অবশ্য সত্য গোপন করলে এমন বলা তেকে বিরত থাকা যায়।সে যাই হোক বেকুব চিরকাল বেকুব, সে কথা আমরা মানি আর না মানি।
যারা চাঁদগাজীর শক্তিশালী যুক্তি খন্ডন করতে পারছে না, তারা অহেতুক মেঁও পেঁও করছে। কিন্তু এমন করলে কি হবে? ব্লগাররা চাঁদগাজীর সাথেই আছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


