
তরু লতা ফুল ফল সবুজ শ্যামল
ফসল শস্য সবজি মাছ পশু পাখি
স্মৃতিপটে এসবের ছবি তুলে রাখি
মনরম পরিবেশে মনটা জুড়ায়।
ফুরফুরে বয়ে যায় বাতাস নির্মল
টলমল পানি তলে নীলাকাশ দেখি
শাপলা টগর পদ্মে ছুঁয়ে যায় আঁখি
নদী বুকে ক্ষণে ক্ষণে স্রোত বয়ে যায়।
শীতে ঢাকে পৃথিবীটা কুয়াশা চাদর
সাগর তলেতে আছে রতনের রাজি
রাতের জোছনা জুড়ে কি মায়া আদর
নেই কোন কিছুতেই মনের নারাজি।
যাঁর গুণে এ প্রকৃতি হয়েছে এমন
তাঁর স্মরণেতে থাকে কৃতজ্ঞ এ মন।

কবি সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাঁই এর ‘দু’ দণ্ড শান্তি’ কবিতায় মন্তব্য
কবি কবিতার মেয়ে খুঁজে হয়রান,
কবিতা কি তবে বুড়িয়ে নিরলে
হারিয়ে গেছেন, যার জীবন বিফলে
মূল্যহীন হয়েগেছে শেষতক আজ।
নাকি কবিতার মেয়ে কবিকে জড়ান
শ্রদ্ধার সেবায় তার। সঠিক কি হলে
হবে কথাখানি কবি? জানি না কি বলে
জবাব দিবেন কবি, কি সে আওয়াজ?
অবশেষে ধরে তাঁরে কষ্ট হতাশায়
কবি ধোঁয়াশায় দেখে শূন্য মরুভুমি
কবিতার মেয়ে নেই তার দোলনায়
কবি মনে প্রশ্ন জাগে কোথা গেলে তুমি?
তথাপি সে এসেগেলে কবি শান্তি পেত
পেতেন সে ক্ষেত্রে কাবি খানিক অমৃত।
কবি বিজন রয়ের ‘এই মহামান্য নতুন ব্লগারদের নিকনেম কি দেওয়া যেতে পারে!’
পোষ্টের প্রথম ছবি সংক্রান্ত মন্তব্য।
কত দূর ঠিকানায় আমার বসতি
কত কালে যাব সেথা শুনি কার ডাক?
কেরে বলে ওরে বাচা পথে বসে থাক
মশকারি কত আর সহ্য হয় বল?
আমিতো চলছি দ্রুত বাড়ছে না গতি
না জানি কখন আসে মরনের বাঁক
মনেতে জমেছে বড় হতাশার চাক
কখন না এসে পড়ে হাঁসেদের দল!
জানি না কি হবে শেষে মরনের পর
পড়েছি বিরাট বড় পথের পাল্লায়
হয়েছি দূর্বল বড় এসেগেছে জ্বর
কানিক বিশ্রাম নেব খোলস গোল্লায়।
এজীবনে সয়ে গেছি কত অপমান
গতির কারণে কেউ দেয়না সম্মান!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
