somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সনেট কবি
সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ১০০৪ (৫ জানুয়ারী ’১৯ পর্যন্ত) যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

অবিশ্বাস ও জঙ্গিবাদ

০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আল্লাহকে খুশী করার মত কাজ করলে আল্লাহ খুশী হবেন।অন্যকে আল্লাহ মনে করে তাকে খুশী করার মত কাজ করলে আল্লাহ খুশী হবেন বলে মনে হয়না।যেমন সূর্য ও অগ্নির পূজা করলে আল্লাহ অথবা সূর্য ও অগ্নি খুশী হবে এভাবনার সঠিকতা কোথায়? আল্লাহকে খুশী করার কাজ আল্লাহ যেমন বলেছেন তেমন করলে আল্লাহ খুশী হবেন। কেউ মনে করলো আল্লাহ এমন করলে খুশী হবেন, তেমন করলে আল্লাহ খুশী নাও হতে পারেন। কেমন করলে আল্লাহ খুশী হবেন এমন কথা আল্লাহ আপনার কাছে বলেননি সে কথা তিনি বলেছেন আরেক জনের কাছে। আল্লাহ নিজের কথা যার কাছে বলেছেন তিনি আল্লাহর কথা আপনার কাছে বলেছেন সে কথা আপনি বিশ্বাস করলে আপনি তাঁকে আল্লাহর নবি বা সংবাদ বাহক মানতে পারবেন।যদি আপনি তাঁকে আল্লাহর নবি বা সংবাদ বাহক মানতে না পারেন তবে আপনাকে সেই সময়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে যেই সময়ে নবি বলেছেন তাঁর কথার সত্যতা জানা যাবে।তখন নবির কথা সত্য প্রমানীত হলে নবিকে মানা বা না মানার ফল আপনাকে ভোগ করতে হবে।আর নবির কথা সত্য না হলে এটা না মানায় কোন সমস্যা নেই।
নবির কথা যদি সত্য হলো, যদি আপনি এমন ভয় করেন, তবে নবির কথা সত্যকিনা আপনি সেটা ভেবে দেখার চেষ্টা করবেন।তবে যদি মনে করেন অত ভাবাভাবির কাজ নেই যারা নবিকে মানে আমিও তাদের সাথে নবিকে মানি, তারা যা পাবে আমিও তা’পাব, তবে নবি সত্য বলেছেন কি না এটা আপনি ভাববেন না।এখানে আপনার কাজ হবে অপরের কথায় বিশ্বাস করে কাজ করা।
বিভিন্ন রকমের বিশ্বাস বিদ্যমানঃ নবির কথায় বিশ্বাস, লোক কথায় বিশ্বাস, নবি ও লোকের কথায় রচিত কিতাবে বিশ্বাস।এসব বিশ্বাসে অনেকের অবিশ্বাস রয়েছে।কে কোন কথায় বিশ্বাস অথবা অবিশ্বাস করবে সেটা তার ব্যাপার। তার কাজের ফলও সে ভোগ করবে।এসব নিয়ে ঝগড়া ও মারামারি অহেতুক।
কারো বিশ্বাস/অবিশ্বাস কিভাবে সঠিক অথবা কারো বিশ্বাস/অবিশ্বাস কিভাবে বেঠিক এ বিষয়ে নিজমত উপস্থাপন অপরাধ নয়। অপরাধ হলো কারো বিশ্বাস নিয়ে নোংরা কথা বলা।যেমন নবি দেব-দেবী ঈশ্বর আল্লাহ নিয়ে অসৌজন্যমূলক কথাবলা অপরাধ।
আমার বিশ্বাসের দায় আমার অপরের বিশ্বাসের দায় আমার নয়।কাজেই আমি শুধু আমার বিশ্বাসের সঠিকতা উপস্থাপন করব।আমার বিশ্বাস/অবিশ্বাসের সঠিকতা প্রমাণ করায় অপরের বিশ্বাস/অবিশ্বাস বেঠিক প্রমাণ হলে তার দায় নিশ্চয়ই আমার নয়।আমি যদি লোকদেরকে আমার বিশ্বাস গ্রহণ করতে বলি তবে তাদের নিকট অবশ্যই আমার বিশ্বাসের সঠিকতা উপস্থাপন করতে হবে। নতুবা তারা তাদের বিশ্বাস/অবিশ্বাস ত্যাগ করে আমার বিশ্বাস গ্রহণ করবে কেন?
আমার বিশ্বাসের সঠিকতার কথা বললেই কতিপয় বলে আপনাকে এসব বলতে মানা করেছি না, তথাপি কেন আপনি এসব বলেন? মনে হয় যেন তাদের কথা শুনতে আমার বয়েই গেছে? আমার কথা আমি বলব। আপনি আমার মুখে তালা দিতে পারবেন না। আপনি বরং বলুন আমি কি ভুল বলছি? জঙ্গির কথা হলো আমার কথাই সঠিক। কিভাবে সঠিক সেটা আমি বলবনা। তোমাকে আমার কথা মানতেই হবে নতুবা আমি তোমাকে হত্যা করব।তুমি যদি আমার কথা সঠিক না মান। যদি আমার কথার উল্টা কথা বল তবে আমি তোমার ও মুখ চিরতরে বন্ধ করে দেব।বর্তমান সভ্যতা জঙ্গিবাদের এ সংকটে ভুগছে।
আমাদের কথা হলো অপরের বিশ্বাস/অবিশ্বাসে আঘাত না দিয়ে প্রত্যকে নিজের বিশ্বাস/অবিশ্বাসের সঠিকতা ও অপরের বিশ্বাস/অবিশ্বাসের বেঠিকতা উপস্থাপন করুক। এরপর যার যেটা গ্রহণ/বর্জন করতে মন চায় সে সেটা গ্রহণ/বর্জন করুক তথাপি বিশ্বশান্তি বজায় থাকুক।কোনভাবেই ঝগড়া হানাহানি মারামারি চলতে দেওয়া যাবেনা।
অবিশ্বাসীর দোষ, কারো বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কথা বলা। আর জঙ্গির দোষ কথায় কথায় মানুষ খুন করা। কোনটাই সমর্থনযোগ্য নয়।

বিঃদ্রঃ জঙ্গি বলে সে যা করছে সেটাই তার আল্লাহ ও নবি (সাঃ) বলেছেন। তো যারা আল্লাহ ও নবিকে (সাঃ) বিশ্বাস করেনা তাদেরকে সে কথা শুনিয়ে লাভ কি? এখন আপনারা তাদেরকে মারবেন। তারা আপনাদেরকে মারবে এর শেষ ফল কি? যদি মনে করেন জয়ী হবেন তবে একসাথে বিপ্লব ঘটিয়ে আপনাদের মতের অনুকূলস পরিবেশ তৈরী করেন। এরপর শান্তির ব্যবস্থা করুন। নতুবা চলতে থাকা মারামারি ও যুদ্ধ কত সহ্য করা যায়? মানুষের জানে না কুলালে আল্লাহ ও নবির (সাঃ) কথা দিয়ে কি হবে? জয়ী হবেনা এমন যুদ্ধে নবি (সাঃ) জড়িয়েছেন কি? তবে কেন আপনি জয়ী হবেন না এমন অহেতুক যুদ্ধে জড়িয়ে মানুষের ক্ষতি করছেন?

# আমার বিশ্বাস/অবিশ্বাসের সঠিকতার প্রমাণ আমি দিতে পারি। তোমার বিশ্বাস/অবিশ্বাসের সঠিকতার প্রমাণ তুমি দিতে না পারার দায় আমার নয়। তুমি অপারগ হলে তুমি চুপ থাক। আমার সক্ষমতাকে থামাতে চেষ্টা করবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৫২
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬



বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২১

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?



জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×