বাংলাদেশর যে কত উন্নয়ন হয়েছে তা একটু দৃষ্টি দিলে সহজেই অনুমেয় হয়। স্বল্প জমিতে এতো বড় জনসংখ্যার এই দেশকে ১৯৭৪ সালের পর আর কখনও যে দুর্ভিক্ষে পড়তে হয়নি, তা একটি বড় অর্জন। খাদ্য নিরাপত্তা ছাড়াও দারিদ্র বিমোচন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষায় লিঙ্গ সমতা বিধানে বাংলাদেশের বিরাট অর্জন রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্পে চমকপ্রদ এক অধ্যায় হল তৈরি পোশাক শিল্পের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন, যেখানে অধিকাংশ কর্মী নারী, তারা দরিদ্র প্রামীণ পরিবার থেকে এসেছে। বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বিশ্বব্যাংক আমাদেরকে তাদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। ২০১৫, ১৬ ও ১৭ অর্থ বছরে সেখানে বাংলাদেশের অংশ ৯ শতাংশের বেশি। এ কারণে বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। বাংলাদেশে সক্রিয় বিনিয়োগ প্রকল্পে এই মুহূর্তে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিশ্রুত ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, কৃষি, গ্রাম উন্নয়ন, পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি, অর্থনৈতিক খাত, গ্রাম্য সড়ক ইত্যাদি খাতে বিশ্ব ব্যাংক কাজ করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে হলে আমাদেরকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুতের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, সড়ক যোগাযোগ খাতসহ জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হবে। অবশ্য বাংলাদেশ যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলার চেষ্টা করছে, তা প্রশংসার দাবিদার।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৩:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



