somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুধু উৎপাদন বাড়ানোই নয়, নিরবচ্ছিন্নভাবে সারা দেশে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সঞ্চালন ব্যবস্থার ওপরও জোর দিয়েছে সরকার। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ছিল তিন হাজার থেকে তিন হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে প্রায়ই দিনের বেলায় বিদ্যুৎ থাকত না, রাতের অবস্থা ছিল আরো খারাপ। সাড়ে সাত বছরে উৎপাদনক্ষমতা প্রায় চার গুণ বেড়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর সুফল শুধু ঢাকা বা বড় শহরগুলোই পায়নি, দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ এখন বিদ্যুৎ পাচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া। ১৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতা অর্জনকে সরকার ঘটা করে উদযাপন করতে চায়। বছর আটেক আগে দিনে গড়ে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হতো। বিদ্যুৎ মাঝেমধ্যে আসত। মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানের নির্দেশ দেন। অতঃপর তিন ধরনের পরিকল্পনা করা হয়। স্বল্প মেয়াদে ক্র্যাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো, মধ্যমেয়াদে মাঝারি ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও দীর্ঘ মেয়াদে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। সরকারের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদনক্ষমতা ১৩ হাজার মেগাওয়াট। ভারত থেকে আসছে ৬০০ মেগাওয়াট। দেশি শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে ক্যাপটিভ পাওয়ার। সব মিলিয়ে উৎপাদনক্ষমতা ১৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। প্রতিবছর বাড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা অর্জন করতে চায়। আর ২০৩০ সালের মধ্যে এ ক্ষমতা ৪০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে লোড শেডিং কি জিনিস তা বাংলার মানুষ ভুলে যাবে যা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:২৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×