somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উন্নয়নের চ্যালেঞ্জে মোকাবেলায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বর্তমান সরকার উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৬ সালে চালু হয়েছিল এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। শুরু হয়ে গেছে প্রতিযোগিতার ঘোড়দৌড়। এমডিজি বাস্তবায়নে ব্যাপক সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এ দৌড়ে সামনের সারিতে। ২০১৭ সাল এসে গেল। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে সরকার সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। দক্ষিণ বিশ্ব ও বিশেষত মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে যে কারণে বাংলাদেশ আলাদা, তা হলো বারবার এ দেশের সরকার পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ একটি দরিদ্র ও নারীবান্ধব নীতি অনুসরণ করে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখা। বাংলাদেশই সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, যেখানে প্রাথমিক শিক্ষায় মেয়েদের ভর্তির হার ছেলেদের তুলনায় বেশি। বর্তমান সরকারের এটি একটি বড় অর্জন। দেশের জনগণের উন্নতির জন্য সরকারের সামাজিক সেবার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ তারাই প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। অনেক দেশেই, এমনকি কিছু কিছু উন্নত দেশেও, এসব অকল্পনীয়। ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও এটা অনস্বীকার্য যে আর্থিক ও সামাজিকভাবে তা নারীর ক্ষমতায়ন ঘটিয়েছে। এমনকি যে গার্মেন্ট শিল্প আমাদের সবচেয়ে বড় শিল্প এবং অর্থনীতির সাফল্যস্তম্ভ, তাও দাঁড়িয়ে আছে লাখ লাখ নিরলস পরিশ্রমী নারীর ওপর ভর করে। সেজন্য সরকার নারী শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বেশ কিছু সামাজিক ও মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ যে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে, তার বড় কারণ এটি। এমনকি যেসব দেশের আয় ও সরকারি ব্যয় আমাদের চেয়ে অনেক বেশি, তাদেরও আমরা ছাড়িয়ে গেছি, যাচ্ছি এবং সুখবর এখানেই শেষ নয়। বিদেশি দাতাদের ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমছে, যেমনটা আমরা পদ্মা সেতুর প্রকল্পে দেখলাম। দাতা ও দ্বিপক্ষীয় সংস্থাগুলোও এখান থেকে সরে গিয়ে আফ্রিকার দেশগুলোতে বিনিয়োগ করছে। ফলে আমাদের ক্রমবর্ধমান হারে নিজস্ব সম্পদ ও বুদ্ধির ওপরই নির্ভর হচ্ছে। সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশ এখন নানা পণ্য ও সেবার জন্য মুখিয়ে আছে। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি, প্রান্তিক জনগণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উদ্যোগ বিকশিত হচ্ছে (টেলকো কিংবা ‘বিকাশ’-এর কথা ভাবুন)। স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে এ রকম উদ্যোগ গড়ে তোলার সম্ভাবনা অফুরান। এতে আমাদের অর্থনীতি এমনভাবে বিকশিত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রাখে, যা একই সঙ্গে সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে বাধ্য। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণেরও বাজি ধরেছে। এটা সঠিক পদক্ষেপ। সেবা ডিজিটালাইজ করা মানে সেবার গণতন্ত্রায়ণ ঘটানো। বেসরকারি সহযোগীদের সঙ্গে নিরন্তর কাজ করে সরকার তা অর্জনের চেষ্টা করছে। জাতীয় পরিচয়পত্র পুরোপুরি ডিজিটালাইজ ও বায়োমেট্রিক করার কাজ চলছে। এতে সেবা প্রদান অনেক সহজ ও ত্বরান্বিত হবে। সরকার আইটি পার্ক নির্মাণ ও সফটওয়্যার রপ্তানিরও উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এভাবেই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×