রক্তের গ্রুপ অনুযায়ি খাবার খান
নানা মানুষের পছন্দ নানা রকম। খাবারের ক্ষেত্রেও তেমনি পছন্দ নানা রকম। শুধু জিভের পছন্দ হলেতো হবেনা, পছন্দ হতে হবে রক্তেরও। এমনটি দাবি ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান ইনডিভিজ্যুয়ালিটির বিজ্ঞানী পিটার ডি এডামোরের। তিনি জানান, কোন ধরণের খাবার শরীরের পক্ষে উপযোগী আর কোনটা নয় তার অনেকটাই ঠিক কওে দেয় রক্তের গ্রুপ। তিনি জানান, বিভিন্ন গ্রুপের রক্তই ঠিক করে দেয় কোন মানুষের কি ধরণের খাবার খাওয়া উচিত সে বিষয়টি। পিটারের আশা এই বিষয়টি যদি অনুসরণ করেন সবাই তবে দীর্ঘ এবং নিরোগ জীবন পাওয়াটা অসম্ভবের কিছুইনা।
পিটারের গবেষণা বলছে, ‘এ’ গ্রুপের লোকেদের প্রচুর পরিমাণে ফল ও শাক-সব্জি খাওয়া উচিত। এই গ্রুপের লোকেদের রক্তের ঘনত্ব অন্যদের থেকে বেশি। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ দুর্বল। হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা এড়াতে দুধ, ঘি, চর্বি এবং মাংস থেকে এঁদের দূরে থাকাই ভাল। ‘বি’ গ্রুপের লোকেদের জন্য খাবারের তালিকাটি অন্য রকম। তারা সব ধরনের খাবারই খেতে পারেন। শরীরের জন্য তাঁদের পরিপূরক খাবারের (যেমন- ফল, সব্জি, দুধ, মাছ, মাংস) প্রয়োজন। তবে মুরগির মাংস না খাওয়াই ভাল। সাধারণ রোগের হাত থেকে বাঁচার ক্ষমতা এঁদের সব চেয়ে বেশি। এমনকী হৃদ্রোগ ও ক্যানসার প্রতিরোধ ক্ষমতাও এদের বেশি। ‘এবি’ গ্রুপের লোকেদের জন্য বরাদ্দ শাক-সব্জি। তবে মাঝেমধ্যে মাছ, মাংস (মুরগি একেবারেই নয়), দুধের তৈরি খাবার চলতে পারে বলে মত পিটারের। ‘ও’ বিভাগের মধ্যে যাঁরা পড়ছেন তাঁদের প্রচুর প্রোটিন রয়েছে এমন খাবারই (যেমন রেড মিট) খাওয়া উচিত। প্রচুর ফল ও সব্জির প্রয়োজন। পিটারের মতে গম, ভুট্টা, বাদাম ও দুধের যে কোনও খাবার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভাল। তাঁর আশা, রোজকারের খাদ্যাভ্যাসে এই সামান্য পরিবর্তন মানুষকে উপহার দিতে পারে সুস্থ জীবন।
কলার খোসায় পানি পরিষ্কার!
নদীর পানিতে মিশে থাকা বিষাক্ত সিসাসহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ বা যে কোনো ধরনের দূষিত পানি পরিশুদ্ধ করতে পারে কলার খোসা। পানিতে দ্রবীভূত ভারী ধাতব পদার্থ সরিয়ে সেই পানি ব্যবহার উপযোগী করে তোলে স্রেফ কলার খোসাই। খবর গিজম্যাগ-এর।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কলার খোসা বিভিন্ন কাজেই লাগতে পারে। এটি ত্বকের জন্য যেমন উপকারি, তেমনি জুতা পরিস্কারসহ এই কলার খোসা ব্যবহার করে কাগজ পর্যন্ত তৈরি করা যায়। তবে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা কলার খোসার সবচেয়ে উপযোগী কাজ করার ক্ষমতাটিই উদ্ভাবন করেছেন।
গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকার কেমিক্যাল সোইসাইটি সাময়িকীতে।
ব্রাজিলের ইনস্টিটিউটো দো বায়োসিনসিয়াস দো বটুক্যাটু-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, পানি পরিষ্কার করার অনেক পদ্ধতি থাকলেও এই পদ্ধতিটি যেমন সহজ তেমনি খরচও কম। এই পদ্ধতিতে পানি থেকে খুব সহজেই তামা এবং সীসা সরিয়ে ফেলা যায়।
গবেষকরা আরো জানিয়েছেন, কলার খোসা পানি পরিষ্কার করতে টানা ১১ বারেরও বেশি ব্যবহার করা যায়। এতোবার ব্যবহারেও এর পরিস্কারক ক্ষমতা কমে না।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নদীর পানিসহ শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য পানিকে পরিষ্কার করতে কলার খোসা ব্যবহার করা যাবে। তবে, বাড়িতে এই পদ্ধতিতে পানি শুদ্ধ করে না খাবারই পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



