আগের পর্বেযখন বাঁদর ছিলাম . . .সোহেল ভাই থুক্কু সোহেল ভোদাই পর্ব
সোহেল ভাইকে নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম।
Morning Shows The Day . . . . . তারপরও আমরা তখন কল্পনাই করতে পারিনি সেই জার্নি কতটা আনফরগেটেবল হতে যাচেছ।
বাস থেকে নেমেই আমরা গেলাম বাজারে । চায়ের দোকানে খবর পেলাম পাশেই হাট বসেছে। পেটের খিদে মিটতেই মনের খিদে মেটাতে সোহেল ভাইয়ের পিছে লেগে পড়লাম আমরা।
না জানি কখন হাটে ভেংগে যায় হাড়ি . . . .
বুক দুরুদুরু . . . . খেতে হবে রাম ঝাড়ি।
ডিজুস মুড নিয়ে সোহেল হাটের জীবন্ত ঐশ্বরিয়াদের দেখে চলল। আর আমরা অরিজিনালটা নিয়েই টেনশনে।
যথারীতি হাটেই হাড়িটা ভাঙল।লোকের হাসাহাসি আর সন্দেহজনক চাহনিতে সোহেল টের পেয়ে গেল তাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র। সন্দেহাতীতভাবে আসামী সনাক্ত না হবার কারনে আমি,মাহমুদ আর সাচ্চু হালকার উপ্রে বেঁচে গেলাম। বেশিরভাগ বান্দরামির সময় নিরব দর্শকের ভুমিকা থাকায় ইব্রাহীম সন্দেহের বাইরেই থাকল, আমরা তিনজন আনন্দের সাথেই সোহেলের ঝাড়ি খেলাম এবং তা গিলেও ফেললাম।পথে নিজেদের বাঁচাতে আমরা নিজেরা কে কতটা শান্তশিষ্ট- লেজবিশিষ্ট ধোয়া তুলসীপাতা তা ব্যাখ্যা করতে থাকলাম সোহেলের কাছে। মাহমুদ তখন ল' ফার্স্টইয়ার পড়ে(এখন মস্ত বড় লায়ার) হলেও আমি আর সাচ্চুও আসামী বাঁচাতে কম প্রতিভার পরিচয় দিলাম না। মাথামোটা সোহেল
আর যায় কোথায়। সোহেলও সুযোগের অপেক্ষায় থাকল প্রতিশোধের . . . .
সোহেল ভাইয়ের ঐতিহাসিক প্রতিশোধ
নদীপথে যেতে ঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম আমরা। নৌকায় ওঠার সময়ই সোহেল একটা মোক্ষম সুযোগ পেয়ে গেল । যেইনা সাচ্চুর পিঠে সেই পোস্টার লাগাতে গেল,সেই মুহুর্তে মাহমুদ চেচিঁয়ে উঠল,বন্ধু প্লিজ ওর পিঠে না,আমার পিঠে লাগা। ঘটনার আকষ্মিকতায় থমকে গেল সোহেল। মাহমুদের দিকে একটু এগিয়ে আসতেই সাচ্চু দৌড়ে এসে পিঠ এগিয়ে দিয়ে বলল বন্ধু, আমার পিঠেই লাগা, আকামটা আমিই করেছি।
সোহেল টাস্কি খেয়ে গেল ঘটনার আকষ্মিকতায়। ঘটনা কি? আসলে আসার পথে ওরা দুজন নিজেদের শার্ট একে অন্যের সাথে চেঞ্জ করে পড়েছিল।
সোহেল তার বিখ্যাত মার্কামারা হাসিযুক্ত ডায়লগ উপহার দিল, "চো*না হয়ে গেলাম মাননীয় স্পিকার
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




