somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নির্বাসিত শব্দযোদ্ধা
যেন মৃত্যু হচ্ছে লোকালয়ে প্রতিদিন,মরে যাচ্ছি আজাবে সুদহীন...

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য....

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রত্যেকটা বড় বড় ইউনিভারসিটির এডমিশন পেজ গুলা কয়েকটা বড় বড় মুরগি দ্বারা চালিত হয়( আমার মতে :3.)
.
মুরগিদের কাজ যেমন সারা দিন শেষে একবার ' তা ' থেকে উঠে এসে লেজ নাড়াতে নাড়াতে ' কক কক ' করা।এদের কাজ ও তেমন কয়দিন পর পর এসে কোন সাবজেক্ট এ কয়টা সিট? প্রতি সিটের জন্য কয়জন ফালায় তা দেখানো :-D
.
আমার সিরিয়াসলি বুঝে আসে না, লোকজন সিটের টেনশন করে কেন? -_-
.
প্রথমত, অর্ধেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে যায় আমার মতো ঘুরতে :v মানে কপালের জোরে যদি হয়ে যায় সেই টাইপের.... :3
.
থাকে বাকী অর্ধেক এই অর্ধেকের অনেকের ই বিচি আসলেই ছোট থাকে। লাখ ভোকাবুলারি এদের ঠোটের আগায়।কিন্তু সাম হাউ, তারা পরীক্ষা হলে সব এলো মেলো করে দিয়ে আসে... :3
.
অনেকেই যায় পাখি ধরতে। এমনকি অনেকে ভীড়ে মোবাইল হাতানোর ধান্দাতেও যায়...
.
কিছু অংশ থাকে যাদের কাজই হয় পরীক্ষা থেকে বের হয়ে এসে বলা ২ টা পারিনি জাস্ট।এবং তার দাগানো গুলা এতো কনফিডেন্টলি বলা যে আপনি নিজেই কাদতে কাদতে বাসায় আসবেন আপনার টা হয়নি ভেবে। এবং বাসায় এসে বই খুলে দেখবেন ওই গর্দভের হান্ডের্ড পারসেন্ট সিউর আলা এনসার ১০০% ভূল ছিলো... :3
.
বাকী যেই কয়েকজন থাকে এদের সাথে আপনার কম্পিটিশন...
.
কম্পিটিশন আসলে ওদের সাথে না। আপনার নিজের সাথে।আপনি আপনার বেস্ট টা দিবেন। আপনাকে দিতে হবে... :-) ওদের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন... :-)
.
আসেন, আসল জায়গায় আসি...
.
নাম্বার....
.
এই নাম্বার নাম্বার করেই অনেক ছাগল ম্যা ম্যা করতে থাকে। গতবারের তুলনায় এইবার কতো পেতে হবে? ব্লা ব্লা টাইপের। ভাই আবার ও বললাম এই টাইপের বলদামী ভুলেও করবেন না।মার্ক কোনো বারই একই ধারা বজায় রেখে পায় না...
.
যা পারেন দাগিয়ে ফেলুন। দোটানায় পড়লে সব দাগিয়ে আসুন...
.
ভেবে দেখুন একটা জিনিস...
.
মনে করুন, ৪ টা কোয়েশ্চেন আপনি পারেন না।
.
আপনি ভাবলেন ছেড়ে দিবেন।ছেড়ে দিলে শুধু চার কাটা....
.
চারটাই দাগিয়ে আসুন।৪ টা ভূল গেলে ৫ কাটা। এক মার্কের জন্য মহাভারত অশুদ্ধ হয় ঠিক আছে। কিন্তু কোনো কারণে ভূল দাগানো ৪ টার মধ্যে ১ টা ঠিক হয়ে গেলেই কিন্তু মার্ক পাচ্ছেন।এই রিস্ক টা নিয়ে কিন্তু বসতেই পারেন :-)
.
আর ভূল দাগানোর আগে সর্ট আউট করে ফেলুন ৪ টা অপশনের মধ্যে কোন অপশন গুলো হওয়ার চান্স একদমই নেই।বাকী গুলোর মধ্যে দাগিয়ে দেন একটা।এনসার হলেও হয়ে যেতে পারে...
.
নিজের উপর বিশ্বাস থাকুক আর না থাকুক অন্যের খাতার দিকে না তাকানোই ভালো। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওদের বিশ্বাস করে ওদের টা দেখলে আপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি... :-)
.
পরীক্ষার হল গুলোতে মোবাইল না নেয়াই উচিৎ।মোবাইল রাখা নিয়ে নানারকম ঝামেলা পোহাতে হয় এবং আমি নিজে পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমার সাধের দামী স্মার্ট ফোন ও হারিয়েছি একবার... :-)
.
প্রথমে এক্সাম দিয়ে হাপিয়ে যাবেন না লাস্টের দিকে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।অনেক কোয়েশ্চেনই কমন পড়ে যায় আগের পরীক্ষা থেকে।তাই, যত ফর্ম কিনেছেন সব গুলোতে এটেন্ড করুন...
.
যেখানেই চান্স পান না কেনো সেটা যত বাজে সাবজেক্টই হোক না কেনো। ভর্তি হয়ে থাকতে দ্বিধা করবেন না।সব মিলিয়ে ভর্তি হতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা লাগে। যার মাধ্যমে এক বছর নিশ্চিত হয়ে থাকতে পারবেন।কিন্তু ভর্তি না হয়ে থাকার ফল আপনাকে সারা জীবন পোহাতে হতে পারে...
.
সাবজেক্ট এর চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।অনেক গুলোয় চান্স পেলে বিভাগীয় শহর গুলোতে থাকতে চেষ্টা করুন। পাবনা,নোয়াখালী,পটুয়াখালী তে যারা পড়ে তারাই শুধু জানে জায়গাগুলো কতোটা ভয়াবহ বাজে... :-/
.
আর শেষ কথা যেটা আমি ভাবি,এক্সাম দেয়ার ব্যাপারে হতাশ থাকা ভালো... :-)
.
আপনি হতাশ থাকেন। হঠাৎ কিছু পেলে ভালো লাগবে।কিন্তু আশাবাদী থাকেন একেক টা না পাওয়ার ব্যাথা আপনাকে ভোগাবে...
.
কিভাবে হতাশা থেকে বের হয়ে আসবেন সেই বুদ্ধিটাও দিয়ে দেয়া জরুরি মে বি... :|
.
আপনার জীবনে যদি গোল একটা থাকে হতে পারে আপনি আপনার গোল এ পৌছাতে পারবেন না।তাই এসব গোল (ঢাবিতে ভর্তি হতেই হবে) এর চিন্তা গুলিয়ে খান। আপনি গোল ছাড়া চলুন। অন্তত এতোটুকু বলতে পারি আপনি কখনোই হতাশ হবেন না... :-)
.
আপনি ফ্রি লি পরীক্ষা দেন। বাবা মা কে হতাশ হতাশ ভাব নিয়ে দেখান সব কিছু, শুধু নিজেকে নিজে চালু রাখেন....
.
শুধু এতোটুকু ভাবেন,আপনি কি বাঁচতে চান নাকি টিকে থাকতে চান....? :-)
.
যারা কম্পিটিশন ফিল্ডে নামার আগে এক গাদা তথ্য জোগাড় করে তারা টিকে থাকার চিন্তা করে। আপনাকে ব্রেইন খাটাতে হবে। রাস্তা বের করতে হবে আপনি কোন পথে এগুতে চান। আর এর জন্যই পরীক্ষার এক ঘন্টা। আপনি নিজেকে প্রস্তুত করুন পথ একটা বের হয়েই যাবে।প্রত্যেকেরই বের হয়... :-)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ভালোবাসার কাব্য=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১১


মন পিঞ্জরে করবো বন্দি, পালাবি আর পাখি?
জানিস কী তুই তোকে নিত্য, নজরবন্দি রাখি!

স্বাধীন ডানায় উড়িস ঘুরিস, আমায় দূরে ফেলে,
আমারও তো ইচ্ছে লাগে, উড়ি ডানা মেলে!

মনের ভিতর ঘূর্ণি তুফান, বেসুরো সুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×