মজা হয়েছে, একদা ব্যান্ড করেছিলাম, মানুষের বাসায় বাসায় বিয়ে বাড়িতে প্রোগ্রাম করতাম। একটা ক্যাসেট ও বের হয়েছিলো, কিন্তু সোলস তখন চট্টগ্রামের এক নম্বরে ছিলো। আমাদের প্রোগ্রাম হলেও মনে করবো সোলস বাজাচ্ছে, চট্টগ্রামের মানুষ ড্রাম, কীবোর্ড, গিটার এইসব দেখলেই ভাবতো সোলস, কিন্তু আমরা মেসেজ গড়ে তোলার পর প্রায় সোলসের কাছাকাছি চলে গেছি, তারপর সোলস গেলো ভেঙ্গে সেটা ১৯৮৭ সালের ঘটনা, তপন দা বেড়িয়ে গেলো, রনি দা আর বাচ্চু (উপরওয়ালা উনাকে স্বর্গে জায়গা দিবে নিশ্চয়) ভাই এসেছিলো আমাকে সোলসের কীবোর্ডিষ্ট হিসাবে নিবে আর বাচ্চু ভাই গান করবে, আমাকে একটা কীবোর্ড নিয়ে ঢুকতে বলা হয়েছিলো, বাবা আমাকে কীবোর্ড তো দূরের কথা, ব্যান্ড করতেই দিবেন না, তাই আমি পারিনি, সেই সুযোগে পার্থ দা মেসেজের লিড গিটারিষ্ট তিনি ঢুকে গেলেন, মেসেজ অসহায় হয়ে গেলো। ব্যান্ড ভেঙ্গে গেলো, পার্থদা সোলস'এ জয়েন করার পর পর বাচ্চু ভাইও বের হয়ে গেলো সোলস থেকে, সেই এক ঘটনা ছিলো যা বলে শেষ করা যাবে না। যাক ছবিটা শেয়ার করছি, এই ছবিতে আমরা বাজাচ্ছি আ্মাদের মেসেজ ব্যান্ডের পেট্রনের বিয়েতে, পার্থদা তখন সোলসে বাজাচ্ছে বেশ সংগ্রাম করছে কেননা সোলসে তখন তপনদা আর বাচ্চু ভাই নেই, আবার এদিকে ভাঙ্গা মেসেজ কে নিয়ে ও প্রোগ্রাম করতে হচ্ছিলো, যাক আমরা বাজালাম বাহাদুর ভাইয়ের বিয়েতে.সেই এক আনন্দ ঘন দিন ছিলো। ছবিটি শেয়ার করছি। ছবিতে আরো আছে অনুপ বড়ুয়া, কাজল বড়ুয়া, টন্টি ড্রামসে ছিলো, গান গেয়েছিলো নওশাদ আলী বাবু ও (উপরওয়ালা তাকে ও শান্তি দান করুক) আর খোকন ভাই সহ মাঝে বরের গায়ে হলুদ বাহাদুর ভাইকে দেখা যাচ্ছে। দারুন ছিলো দিন গুলো।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




