পাড়ার মোড়ে বসে যে পাগলটা অজ্ঞাত কিছু নিয়ে গবেষনা করতো মনে মনে আর ক্ষিদে পেলে জলিলের হোটেলের সামনে বুভুক্ষুর মতো দাঁড়িয়ে থাকতো, কখন স্বাভাবিক মানুষগুলোর মনে দয়া হবে দুমুঠো অন্ন দানের, শুনেছি সে মরে গেছে। তার জীবন নিয়ে সে সুখী ছিল না দুঃখী ছিল সে প্রশ্ন যদিও এখন অবান্তর তবুও কৌতুহল জাগে মনের কোণে। জীবন নিয়ে রবি পাগলের পয়েন্ট অব ভিউ আর কখনো জানা হবে না। প্রিয় বকুল গাছটাও কাটা পড়েছে বকুল বৃষ্টি ইদানিং পিচ ঢালা কালো রাস্তাকে সাদা করে না। বড়পুলটা শত বছরের মতো আজও অম্লান অক্ষয় হয়ে টিকে আছে, শুধু তার রেলিং-এ বসে থাকা প্রিয় মুখগুলো আর সেখানে নেই। জীবনের ঘুর্ণনে সকলে ছিটকে পড়েছে পৃথিবীর আনাচে কানাচে। সেখানে এসেছে নতুন অচেনা কিছু মুখ যারা ব্রীজের ঠিক নিচেই তারু কাকার দোকানে চায়ের আড্ডা বসায় রোজ বিকেলে আমাদেরই মতো। খেলার মাঠটা ছোট হয়ে এসেছে নগরায়নের দাপটে। তবুও সেখানে আমাদেরই মতো অনেকে রোজ খেলতে আসে। গার্লস স্কুলের গেটটা এখনো আছে। শুধু আমার প্রথম প্রেম আর সেখানে পড়তে আসে না। অন্য কেউ আসে হয়তো। হয়তো বা অন্য কোন কিশোর আমারই মতো দূরু দূরু বুকে দাঁড়িয়ে থাকে যদি একবার হলেও দৃষ্টি হানে তার দিকে সে আশায়।
অনেক কিছুই ছিল, অনেক কিছুই নেই। তবুও তোমার প্রতিটি ধুলি কনায়, প্রতিটি ইমারতের প্রতিটি ইটে আমার স্মৃতির ইতিহাস লেখা আছে।
হ্যালো, প্রিয় শহর আমার, আমি আসছি সে স্মৃতি ছুঁয়ে দিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





