somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পশুদের রাজা মহিষ

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যার শিং যত বড়, সেই তত মহান। যার শিং যত মোটা সেই ততবড় পালোয়ান।মহিষ কুলের কি নেই; আছে বিশাল ভুরি, বিশাল দেহ, বড়সড় মোটা শিং, চরিত্র মানুষের উপকার করা, মাঝে মাঝে কাচা-পাকা ফসলের খেতে ছেড়ে দিলে, তা খেয়ে ধংস করা। আপনারা সিং-হ কে বলেন পশুর রাজা, আর বাঘকে বলেন বনের রাজা। অথচ বাঘ, সিঙ্ঘহ কেও মানুষের উপকার করে না।মহিষ কুলের অনেক দিনের দাবী ইলেকশন দেন, আমরা আপনাদের ভোটে নিরবাচিত হয়ে, রাজা হতে চাই। সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্রের দিন শেষ, এখন শুধু গনতন্র। অবশেষে ভোটের অধিকার তারা পেল, কিন্তু খমতার লোভে তারা মরিয়া হইয়া উঠিল।
মহিষ কুল শিয়ালদের সাথে হাত মিলালেন বনের পশুদের ভোট পাওয়ার জন্ন।বিনিময়ে শিয়ালরা বনে-জঙ্গগলে মহিষদের এজেন্ট হিসাবে কাজ করবে।২/৩ টা উজিরের পোষ্ট-ও দেওয়া হবে।শিয়ালরা রাতে কুকুরের বেশ ধরে লোকালয়ে এসে মুরগী আর ছোট ছোট ছাগুদের কে খেতে পারবে।কুকুর-দেরকে মানুষেরা অনেক বেশী আদর যত্ন করে, অথচ তারা মহিষদের মত পরিশ্রম করে মানুষের কোন উপকার করে না।আজকাল কুকুরা আর রাত জেগে বাড়ীও পাহারা দেয় না, ঘরের ভিতরে ঘুমায়। যদিও এতে মহিষদের কিছু আসে যায়না তবুও এদের একটা শিখ্যা দেওয়া যাবে।
এম্নিতেই মহিষ কুল খুব বিনয়ী, অকারনে কাওকে গুতা মারেন না, খুদা লাগ্লেও দড়ি ছিড়ে ফসল ধংস করে না, পাশ দিয়ে গেলে লাথিও মারেনা, ছাগুদের কেও ভাই বলে ডাকেন আর গরুদের কে ডাকেন দাদা। মহিষ কুল বিপুল ভোটে জয়ী হলেন। ধুরত শিয়াল তেল মেরে মহিষের নামে নামকরন করেছেন; যেমন মহিষখোলা বাংলাদেশে, বাফেলো নিউইয়রকে, বাফেলো উইংস (আসলে কিন্তু চিকেন উইংস)আমেরিকার জনপ্রিয় একটা খাবার।চিকেন সমাজ আন্দোলন করেও কোন লাভ করতে পারে নাই অবশষে তারা জ়েসিকা সিম্পসনের মাধ্যমে আন্তরজাতিক আদালতে মামলা ঠুকে দিল।
এদিকে ছাগুরা মহিষ ভাইদের দোহাই দিয়ে হাতের কাছে যা পায় তাই খায়, না খেতে পারলে ধংস করে।গরুর পাশ দিয়ে গেলে লাথি মারা শুরু করল, দড়ি ছিড়ে গোয়াল থেকে বের হয়ে কাচ-পাকা ধান/গম ধংস করিল। শিয়াল মশাই মহা আনন্দে চিকেন খাইতে লাগিল। অত্যাচার বেশীমাত্রা হইলে, যখন সবাই বলাবলি করে তখন ১ মাসের জন্ন ছুটি তারপর আবার শুরু।জাত ভাইদের মহা-আনন্দের কথা কোন অবস্থাতেই মহিষ দের কানে গেল না।মহিষদের কে বেছে বেছে ভাল সংবাদ গুলি দেওয়া হত।
চোউকিদার খরগোস মশাই ভাবনাই পড়ে গেল, খরগোস গেল হাতীর সাথে আলাপ করতে, গিয়ে দেখে লঙ্কা কান্ড। বানর-রা সব কলাগাছ দখল করে আছে। তারা নাকি কলা খেতে পারেনা, হাতীদের জন্ন।পরিবেশ রখ্যার জন্ন আর তাদের খাবারের জন্ন কলাগাছ খাওয়া নিষেধ।অবশেষে কচ্ছপ কে পাঠানো হল মহিষের অফিসে, কচ্ছপ কে সবাই মামু ডাকে।মামু কে দেখে মহিষের হুস হল, কিছু একটা হয়েছে তা না হলে মামু এখানে কেন। মহিষ দাঁড়িয়ে মামুকে ছালাম দিয়ে জানতে চাইল, মামু কেমন আছ। মামুর উত্তর, তুমি এই অফিসে এসেছ শুধু কি অফিস করতে? শুন তোমার উচিত, প্রতিদিন সকালে ১৫ মিনিটে ১৫টা পত্রিকার হেড লাইন পরা, দেন মেইক ফাইভ ফোন কল ফর ইউর গোয়াল ঘর, দেন ফলো থ্রী আর, রিওয়ারড, রিমুভ, রিসল্ভ। আই হোপ তোমার ব্রেইন স্টরমিং হবে সবার জন্ন। বলেই মামু দাড়ালেন, মহিষ ডাক্লেন মামু চা, ততখনে মামু চলে গেছেন।টেবিলে মাথা রেখে কিছুখন চুপ থেকে ঘুমিয়ে গেলেন, ২ ঘন্টা পরে উঠে মনে করলেন কি একটা দুঃসপ্ন দেখলেন।রাজ্য যথারিতী আগের মতনই চলিতে লাগিল।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৫



ইদের আগে মেহেদি দেওয়া যেন খুবই গুরুত্বপূর্ন কাজ মেয়েদের!
মেয়েরা লম্বা লাইন ধরে মেহেদি দিতে যায়। সব মার্কেটের সামনে ছোট টেবিলে বসে মেয়েরা মেহেদি দিচ্ছে। গত বছর আমার দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদ মোবারক !

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২



আজ সকালটা খুব সুন্দর ছিলো! একদম ঈদের দিনের মতো! বারান্দার কাছে গেলাম। আমাদের বাসার পাশেই লালমাটিয়া গার্লস স্কুলের মাঠ। স্কুলের মাঠে একটা বটগাছ আছে। মাঠ থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক!! ড: এম এ আলী ভাইয়ের লিরিকে আমার ঈদের গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

আমার জন্য ঘটনাটা একটু বিব্রতকর হয়ে গেছে। শায়মা আপুর এসো ঈদের গল্প লিখি ...... পড়ি পোস্টে আলী ভাইয়ের কমেন্ট (১০ নম্বর) পড়তে পড়তে নীচে নামতে নামতে নিজের নাম দেখে হুট... ...বাকিটুকু পড়ুন

×