somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

They have to be human first, they don't qualify.

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৩০ কোটি মানুষের দেশ ভারত। ১টা মেয়ে এত মানুষের মাঝে কিছুই না। যদি সে কোনো প্রভাবশালী কারও আত্মীয়-স্বজন না হয়। সেখানে ১টা মেয়ের র্ধষণের জন্য পুরো দেশের সরকার এখন হুমকীর মুখে। পুরো দেশজুড়ে বইছে বিক্ষোভের হওয়া। শুধু ভারত না এটা এখন একটা আন্তর্জাতিক বিষয়। একটু আগে দেখলাম টুইটারে এটা ট্রেন্ড হচ্ছে, গুগলের ভারত সেকশনে ট্রেন্ড হচ্ছে, গুগল প্লাসেও একই অবস্থা। এতে এক এক জনের এক এক ধরনের মতামত। কিছু কথা একদম চিরন্তন সত্য। শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। আসলে শুধু শিশুরা অনুকরন প্রিয় না। হবে মানুষ অনুকরন প্রিয়। কারণ সে যা দেখে তাই শিখে। এখন কথা হল ভারতের বর্তমান চলচিত্র শিল্পের কথা। সেখানে প্রায় কম-বেশি সব ছবিইতে শালীনতার বিন্দুমাত্র বালাই নেই। আর কিছু কিছু ছবি আছে যা সরাসরি পর্ণ ক্যাটাগরিতে ফালানো যায়। এর পরিবর্তন জরুরী। কেউ কেউ আমার এই মতের বিরোধীতা করে বিভিন্ন কথা বলতে পারেন। সমস্যা নেই। ভারতের এড এর অবস্থা ভাল না। এডাল্ট কনটেন্ট যুক্ত এডই বেশি। যা বাচ্চারা অহরহ দেখছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের চলাফেরাতে। তারা ছিনামার নাইকাদের ফলো করার ব্যার্থ চেষ্টা চালায় । আমি সবাইকে বলছি না শহরের বেশিরভাগ মেয়েরা। তাদের আচরনে পরিবর্তন আনা উচিত। তাদেরকে আমি তাদের ধর্মের বাইরে যেতে বলছি না। তার নিজের ধর্মের ভিতরে থেকে যতটুকু সম্ভব নিজের শালীনতা বজায় রাখা উচিত। টাকার বান্ডিল তুমি হাতে নিয়ে হাটলে কেউ না কেউ টান দিবেই। কারণ পৃথিবীতে এখনও অমানুষের সংখ্যাই বেশি। এই যুগে ২০০০ টাকার মাল্টিমিডিয়া ফোন সবজায়গায়। রাস্তার রিকশাওলা থেকে শুরু করে ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্টরে কাছে মোবাইল। এবং এদের মোবাইল মানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পর্ণমুভির বিশাল কালেকশোন। তারা খুব ভাল ভাবে এই বিষয়ে পি.এইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করছে। এবং প্র্যাকটিক্যাললি প্র্যাকটিস করতে চাচ্ছে। এবং এসব মুভিতে কাকে কিভাবে কোথায় কখন কোন স্ট্যাইলে..........পুরা ডিটেল থাকে। ফলে জানোয়ার গুলা পূর্ণ ব্যবহারিক জ্ঞান নিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা চালায়। ফলাফল সামনে। যারা এই ধরনের কাজ করে তাদের সম্পর্কে আমার মতামত হল "They have to be human first. They don't qualify." ভাই এই বিষয় নিয়া হাজার হাজার কথা লেখা যায় কিন্তু আমার সময় এবং ধৈর্য কোনটাই নাই। আমি শুধু একটা কারনেই এই লেখাটা লিখতে শুরু করছিলাম। সেটা হল আমাদের দেশের পেপার খুললেই এই ধরনের খবরের শেষ নাই। সম্পাদক চাইলে একটা সেকশনও খুলতে পারে তার পেপারে। নিউজের অভাব নাই। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ এত নিরব কেন? প্রায় প্রতিদিন এই ধরনের কোনো না কোনো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। আমাদের দেশের মেয়েদের পোশাকের অবস্থাতো এখনও মোটামুটি ভালো। গ্রামের তো পুরাই ভালো কিন্তু গ্রামেই তো এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। কিন্তু কোনো প্রতিকারের ভাল উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ও আর একটা কথা স্বাধীনতার সময় প্রায় ৩০ লক্ষ্য মানুষ মারা হয়েছিল তাই না? এর মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ্য মেয়ে। শিশু-বুড়ি বাদ দিয়ে ধরি ৫ লক্ষ্য যুবতী ছিল। এদের মধ্যে ধরি কম করে হলেও ২ লক্ষ্য নারীকে ধর্ষন করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিচার কি হয়েছে? আমার মনে চাইতাছে শালাদের দেশে একটা পারমানবিক হামলা চালাতে। সব কুত্তাগুলা একসাথে খতম। আমার চিন্তা করতেই কেমন কেমন যেন লাগে, যে এত কিছুর পরও এদেশের মানুষ কিভাবে পাকিস্তানের সার্পোট করে। কই তাদেরকে তাদের কর্মফলের জন্য কখনও লজ্জিত দুখিত এইধরনের কিছু বলতে তো শুনি না। তারপরও বলি আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুক এবং আমাদের সকলকে ন্যায়ের পথে চলার শক্তি দান করুন। পরিশেষে একটি কথা------------একমাত্র একটি পরিবারই পারে তার ছেলে কিংবা মেয়েকে সঠিক পথে রাখতে। এখানে পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। এখানে কোনো দেশের সরকারের কিছুই করার নেই। যদি আমার পরিবার আমাকে মানুষ করতে না পারে। কারও বাপের পক্ষেও সম্ভব না আমাকে মানুষ করা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:১৪

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?
--------------------------------------------------------------------
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিকে কেন্দ্র করে ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, কর্মীদের আটকে রাখার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ
একটি বইকে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×