আমারো প্রথমে এই প্রশ্নই ছিল- কেন পড়ব কম্পিউটার নিয়ে? চালু করতে পারি, বন্ধ করতে পারি, গেইমস খেলতে পারি , গান শুনতে পারি আর কি দরকার এই কম্পিউটার এর ? আছে মশাই , এই ছোট বাক্সটার অনেক দরকার আছে। ব্যবহারই তো শুধু করছেন, ভেবে দেখেছেন-কিভাবে এলো এই বাক্সের জাদুর ক্ষমতা???
আসুন তাহলে একটু ভাবি- কম্পিউটার বাটন চেপে চালু করার সময় থেকে তা বন্ধ করার সময় পর্যন্ত এর ভেতর এক ধরনের কাজ চলতে থাকে যাকে সাধারন ভাষায় বলা হয় প্রোগ্রাম। যেমন ধরুন- আপনার জন্মদিন পালন করবেন, এই কাজ সম্পাদনের জন্য আপনাকে কিছু বিষয় সাজিয়ে নিয়ে কাজ করতে হবে। কম্পিউটারকেও একইভাবে কিছু বিষয় সাজিয়ে না দিলে তা একেবারেই অকেজো হয়ে যেভাবে আছে ওভাবেই থাকবে। আসুন এবার ভাবনাটাকে আর একটূ গভীরে নিয়ে যাই- কম্পিউটারকে কে বাতলে দেবে কি করতে হবে??? কে লিখে দিবে এই কাজের নির্দেশনা? কিভাবে কম্পিউটারকে দিক নির্দেশনা দিতে হয়- তার ধারার সমষ্টিই হল কম্পিউটার বিজ্ঞান। আমরা তো সবসময়ই ব্যবহারই করে যাই কিন্তু এই ধারার উন্নয়নের জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞ্যান অর্জন করা আবশ্যক। এখন প্রশ্ন আসতেই পারে- দিক নির্দেশনা দিতে আবার এর বিজ্ঞান পড়া লাগবে কেন?
মশাই, কম্পিউটার কি আমার আপনার মত বাংলা-ইংরেজীতে কথা বোঝে নাকি??!! সব থেকে মজার ব্যাপার এই বাক্স একটি অক্ষর ও চেনে না শুধু ০ আর ১ নম্বর ছাড়া। বাকি সব সে এই দুটো সংখ্যার মাধ্যমেই বোঝে। আচ্ছা সে বিষয়ে না গিয়ে আসুন জেনে নেই তাহলে কম্পিউটার কি বোঝে?- কম্পিউটারকে বোঝানোর জন্য আলাদা কিছু ভাষা আবিষ্কৃত হয়েছে যার নাম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা, যা দিয়ে মুলত কম্পিউটারকে দিক নিদের্শনা দেয়া হয়......... একে ইংরেজিতে Programming Language ও বলে।
প্রথম পর্ব এই পর্যন্তই। দ্বিতীয় পর্বে কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা কেন করব তা নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করব ইন শাহ আল্লাহ
আল্লাহ হাফেয।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


