স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল যদি নীরোগ দেহ হয় । মানব দেহের নিখুত কার্য পদ্ধতি , নিপুণতা স্রষ্টার এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। পৃথিবীর যেকোন কৌশল এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করতে নিসঃন্দেহে অক্ষম । যন্ত্রের সাথে মানবদেহের তূলনা করাটা ও তো বোকামি। মানবদেহের গঠন এরকমই যে নিজেই নিজের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, এক কথায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
মানবদেহের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি গুলো থেকে নিঃসৃত হরমোন শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করে, এই হরমোন নিঃসরণ ও অন্যান্য স্বাভাবিক কার্যকলাপ চালিয়ে যেন যেতে পারে সেজন্য আকুপাংচার ও রিফ্লেক্সোলজি কিছু কৌশল প্রয়োগ করে কাঙ্খিত ভারসাম্যতা আনয়ন করে। মোটামুটি এই হচ্ছে রিফ্লেক্সোলজি বিষয়ক বিদ্যার মূলমন্ত্র।
পূর্বের পোষ্টে অল্প কিছু ধারণা দেয়া হয়েছিল। আজকে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
পয়েন্ট আকারেঃ
ক। মাংশপেশী (muscle), স্নায়ু (Nervous system), ত্বক(Skin) এর কাজ সবাই জানি । পরিপাক তন্ত্র(Digestive system), শ্বসনতন্ত্র(respiratory system),পরিবহন তন্ত্র(Circulatory system), রেচন তন্ত্র (Urinary system), প্রজনন তন্ত্র(Reproductive system)এগুলো সবই গুরুত্বপূর্ণ
খ। আর এগুলোকে সাপোর্ট দেয় কংকাল তন্ত্র(Skeleton). সব অংশের একত্রে কাজ করা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে(Co-ordination).
গ। মস্তিষ্ক(Brain) সব নিয়ন্ত্রন করে, দুই ধরণের আধান প্রবাহিত করে (১.ধনাত্বক ২.ঋণাত্বক) সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ পাঠায় । একে বায়োইলেক্ট্রিসিটি নাম দেয়া হয়েছে।
চোখ খোলা-বন্ধ, ঘুম-স্বপ্ন, জাগ্রত বিভিন্ন অবস্থায় মস্তিষ্কের একটি ইসিজি চিত্র ।

Link

আমাদের শরীরে চালিকা শক্তি বা প্রাণ শক্তি কে চেতনা বলা হচ্ছে এবং সব কার্যক্রমের মূলে এটি আছে বলে ধারণা করা হয়, যেটি এমনকি নিজেই মানবদেহ নিরাময় ক্ষমতা রাখে।একটি তড়িৎ কোষ এর সাথে সাদৃশ্য থাকায় একে লাইফ ব্যাটারি বলা হচ্ছে।
লাইফ ব্যাটারি রিচার্জ চক্র : নিশ্বাঃস এর মাধ্যমে ধনাত্বক আধান ফুসফুস হয়ে রক্তে প্রবেশ করে।সবাই জানি অক্সিজেন শ্বসন কাজে ব্যবহ্রত হয়। এই আধান সারা শরীর ঘুরে মস্তিষ্কে প্রবেশ করে, আর মস্তিষ্ক সারা শরীর এর খবর পেয়ে যাচ্ছে এবং পরবর্তী নির্দেশ পাঠায় । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা এখানেই নিহিত । এখন আমরা নির্দিষ্ট অঙ্গে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তার ফলাফল পেতে পারি। শরীর হরমোন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, নতুন কোষ উৎপাদন করে সমস্যা সমাধান করে।
জীবনি শক্তির পাচ উপাদান :১.পৃথিবী ২.পানি ৩.আগুন ৪.বায়ু ৫.শুন্য।
শরীরে অম্ল/ক্ষারত্ব : P_H level এর কম বেশী রক্তে পরিলক্ষিত হয়ে শরীরে সব গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি গুলো শরীরের ব্যারোমিটার হিশেবে কাজ করে । বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি Thymus, Thyroid, Ovary-Testes, Pancreas, Adrenal, Pituitary, Pineal, Lymph glands এগুলোর কারণে বেশির ভাগ সমস্যা হয়ে থাকে। এগুলোর নিসঃরণ যথাযথ হলেই অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
(নোটঃ functions and malfunction of endocrine glands লিখে অথবা লিখাটা কপি করে গুগল সার্চ দিন)।
The Complete Idiots Guide To Reflexology এই বইটা তে আকুপাংচার ও রিফ্লেক্সোলজি এর মাধ্যমে অনেক শারীরিক সমস্যা সমাধান আছে। খুবই সহজ ভাষায় লিখা। ডাউনলোড করে নিন (মাউস এর রাইট ক্লিক করে সেভ এস করুন)
আমার আগের লিখা গুলো যারা পড়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ।
আগের পর্বের লিঙ্ক আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে- রিফ্লেক্সোলজি
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




