সাদিক আলম কিছু দির ধরে ব্লগে ইসলাম সম্পর্কে কিছু বাজে কথা অনায়াসেই লিখে যাচ্ছেন। তাঁর মনে যাহা লয়। কথা হচ্ছে একই পণ্যের দুটি ভিন্ন কোম্পানীর যেমন মোবাইল ফোন 1) গ্রামীন ফোন 2) সিটিসেল 3) বাংলালিংক ইত্যাদি এখন যে গ্রামীন ব্যাংকে চাকুরী করে এমন একজন কর্মচারী সে তার নিজের কোম্পানীর চাপাই মানুষের কাছে তুলে ধরবে। বলবে আমার কোম্পানীর মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ভাল। কথা ভাল। উন্নত এরকম কত কি। সিটিসেলের কর্মকর্তা বলবে আমার কোম্পানীর টা ভাল। বাংলালিংক এর কর্মকর্তা বলবে তারটা ভাল। এখন আমরা যারা সাধারন পাবলিক তারা কি বলব? আমরা ব্যবহার করে দেখব যে কোন মোবাইলটা আসলেই ভালো এবং তা ব্যবহারেই বুঝা যায়। আর বাকিরা সারাজীবন তাদের কথাই বলে যাবে। সাদিক এ রকম তার ইচ্ছে মতো ইতিহাস খুজে বের করে ইসলামের নামে সুন্নীদের নামে বাজে কথা লিখছেন। আমরা ইতিহাস খুঁজতে যাব কেন? আমি বা আমরা কে ? মানুষ কোথা থেকে এসেছে? কে সৃষ্টি করেছে ? কেন করেছে? তার হুকুম কি? আমরা দেখবো আমরা কেন এ পৃথিবীতে এসেছি কার জন্য এসেছি। আল্লাহ সৃষ্টি করে আমাদেরকে বিভিন্ন সময় তার মনোনিত নবী রাসুল গণ প্রেরন করেছেন মিডিয়া হিসাবে। চলার পথে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য। মানুষ সৃষ্টির পর বিভিন্ন স্থরে বিভিন্ন নবী গণ এসেছেন। আখেরী নবী হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এসেছেন। সর্বশেষ নবী যার পর আর কোন নবী আসবেন না। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন- হে নবী আপনি বলুন- যদি তোমরা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাও তাহলে আমি নবীকে অনুসরন কর । তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন । গুনাহ সমুহ মা করবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাকারী এবং অতি দয়াবান। সুরা আল ইমরান আয়াতঃ (31) মুল কথা হচ্ছে। আল্লাহ যেখানে তাঁর রাসলের অনুসারী হতে বলেছেন। বলেছেন তাঁর রাসুল সত্য। ইসলামের সঠিক পথপ্রদর্শক। তাঁর রাসুল মিথ্যে কথা বলতে পারেন না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে রাসুল যদি মিথ্যে বলতে না পারেন তাহলে রাসুল(দঃ) যাদেরকে সঙ্গী করেছেন যাদেরকে ভালোবাসতেন। তারা ভালো না। সেটা বিশ্বাস করা যায়না ইতিহাস বিশ্বাস করা যায়। ইতিহাস কে লিখেছে? আর হাদিস কে লিখেছে? । সাদিক তার একটি ব্লগে আবু হুরায়রা (রাঃ) কে টাকা আত্নসাৎকারী বলেছেন, সেটা কোথায় কোন ইতিহাসে বলা হয়েছে? সেটা জানতে চাই। জবাব দিন। সাদিকের জানা থাকা ভালো হাদিসের কত গুলো স্তম্ব আছে। আপনি বলেনত আবু হুরায়রা বর্নিত কোন হাদিস খানাতে ভুল বলা হয়েছে? কোথায় ভুল করা হয়েছে এবং কোনটা সঠিক ছিলনা। যদি বলতে না পারেন তাহলে বাজে মন্তব্য করবেন না। আল্লাহ হচ্ছেন বিধানদাতা। আর তাঁর রাসুল (দঃ) হচ্ছেন বিধানের ব্যাখ্যাকাারী এবং সাহাবারা হলেন সেই ব্যাখাতে এমন কিছু কিছু জটিল বিষয় প্রকাশ যায়নি রাসুলের যোগে সাহাবা তাবেতাবেয়ীনগণ সেইসব জটিল বিষয়গুলো সম্মিলিত ভাবে ইসতেহাদের তথা গবেষনার মাধ্যমে সমাধান দিয়েছেন। হাদিস হচ্ছে রাসুল (দঃ) এর বলা কথা বা কাহিনী সম্বলিত। যারা হাদিস প্রকাশ করেছেন। তার মধ্যে একজনের শুনা কথা দ্ধারা হাদিস প্রকাশ হয়নি। 10 থেকে 60 জনের সম্মুখে ঘটা এমন কিছু তথ্য নিয়েও হাদিস প্রকাশ হয়। সাধারন জ্ঞান বিচারের জন্য আদালতে আসামী প ও বাদী পরে রায় যে দিকে স্বাক্ষী বেশি হয় যে দিকে প্রমানপত্র সঠিক হয় সেদিকেই আদালতের রায় হয়। এমন কিছু হাদিস আছে যে একজন সাহাবা বলেছেন আমি দেখেছি নবীর আমলে এরকম ঘটনা ঘটতে। কিন্তু সে ঘটনা আর কেউ দেখেন নি। এ রকম হাদিস কখনও প্রকাশ পায়নি। সেটা পরিত্যাক্ত। এ নিয়ে আমি এই ব্লগের সমস্ত ভাইবোনদের মাধ্যমে সাদিককে কিছু প্রশ্ন করতে চাই সে গুলোর সঠিক উত্তর পেতে চাই । এবং উত্তর পেলে আবারও বসবো। 1) হাদিস কত প্রকার ও কি কি? 2) বর্ণনাকারী হিসাবে হাদিস কত প্রকার? 3) গ্রহনযোগ্যতার দিক দিয়ে হাদিস কত প্রকার? 4) পরিত্যক্ত দিক দিয়ে হাদিস কত প্রকার? 5) হাদিসের মুলনীতি কাহাকে বলে? 6) বিখ্যাত হাদিস সংকলনকারী ইমাম বুখারী (রাঃ) (যিনি বুখারী শরীফ সংকলন করেছন ) তার জীবন বৃত্তান্ত বা হাদিস সংকলনী ইতিহাস কতটুকু জানেন? উপরে উল্লেখিত প্রশ্নগুলোর উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত আপনি আর কোন ব্লগে হাদিস এবং সুন্নীদের নিয়ে কোন বাজে কথা লিখবেন না। (আপনার মনগড়া পথব্রষ্টদের লেখা বই পড়ে) অনুরোধ করছি। সময়ের অভাবে আর কিছু লেখতে পারলাম না। চলবে................
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৬ সকাল ৮:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



