somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করলেই আন্দোলন সফল হবেনা। আমাদের আন্দোলন সফল করতে হলে রাজপথে থেকে যুদ্ধ করতে হবে। মরতে হলে লরাই করে মরবো। তবু রাজাকারদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেশ কে রাজাকার মুক্ত করবো।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কিছুক্ষণ আগে এক আন্দোলনরত ভাই কে দেখলাম গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে নিজেকে জ্বালিয়ে দিয়ে তার আন্দোলনের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে চাইছে। আমি তার দেশ প্রেম দেখে অবাক হয়েছি। এবং দেশের প্রতি মানুষের এই ভালোবাসা আছে বলেই আজ রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে সারা দেশের মানুষ এক হতে পেরেছে। দেশ প্রেম আছে বলেই মহা সমাবেশে আজ লাখো মানুষের গন জোয়ার বইছে। লাখো কণ্ঠে একসাথে বার বার উচ্চারিত হচ্ছে 'রাজাকারের ফাঁসি চাই'।

বাংলার মানুষ আজ আবারও প্রমাণ করলো যে বাঙ্গালীর স্বাধীনতার গৌরব কে কলংকমুক্ত করতে তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত।
শুধু তাই নয়, বাঙ্গালীর এই আন্দোলন ততদিন ধরে চলবে যতদিন না সমস্ত রাজাকারদের ফাঁসি হয়।

তাই আমি সেই সব সাহসী ভাইদের কে বলতে চাই, আমাদের কে এভাবে মরে গেলে চলবে না। আমাদের মরতে হলে লরাই করে মরবো। যতক্ষণ না দেশ রাজাকার মুক্ত না হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত দেশের সরকার জামাত- শিবির কে নিসিদ্ধ না করে ততোক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে।
আমরা আমাদের লরাই চালিয়ে যাবো। সারা দেশ ব্যাপী এই আন্দোলন চলবে। দেশের সাধারন মানুষ তাদের দাবি পুরন না হলে ঘরে ফিরবেনা। আজ আমরা শপথ করে রাজপথে নেমেছি। রাজাকারদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে জয়ী হয়ে তবেই বিজয়ীর বেশে ঘরে ফিরবো। রাজাকারের বংশ নির্বংশ করে তবেই আমরা বিজয় উৎসবে মেতে উঠবো।

লাল সবুজের ওই পতাকা উরধে তুলে ধরে চিৎকার করে বলবো, মা এই দেখ তোমার দেশের পতাকা আজ রাজাকার মুক্ত দেশের আকাশে কি সুন্দর ভাবে মাথা উচু করে উরছে। তোমার দেশের দামাল ছেলেরা স্বাধীনতার কলঙ্ক কে মুছে দিতে পেরেছে।
আমার ভাইয়ের রক্তের বদলা আমরা নিতে পেরেছি। আমার বোনের সম্ভ্রম নিয়ে যারা পশুর মত খেলায় মেতেছিল, আজ তোমার বাংলার দামাল ছেলেরা সেই নরপশুদের তোমার বাংলার মাতিতেই পুতে ফেলতে সমর্থ হয়েছে।
জনতার সংগ্রাম চলবে।
জয় বাংলা। জয় আমার মা, মাটি তথা আমার বাংলাদেশ।
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×