somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

''হেফাজতে ইসলাম'' ইসলামের মুখোশ পরা জামাতিদের নতুন উত্তরসূরি! এক নতুন অপশক্তি! জঙ্গি সন্ত্রাস বাহিনী!!! এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

১৫ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যদিও আগে কখনো শুনি নাই! ইদানীং শুনছি, নতুন আর এক ইসলামের সেবকের আবির্ভাব হইছে! তাদের দলের নামও নাকি ‘’হেফাজতে ইসলাম’’!! আমার জানামতে ইসলামের সেবায় বাংলাদেশে সবচাইতে জনপ্রিয় ছিল সাইদি উরফে মেশিন ম্যান !একাত্তুরে গন হত্যা, ধর্ষণ লুটপাট করার পরেও এই প্রজন্মের মূর্খ সহ বেশ সংখ্যক শিক্ষিত মূর্খ পর্যন্ত বিশ্বাস করতো মেশিন ম্যানের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র! বেশিরভাগ মূর্খদের মতে সে ছিল ইসলামের সবচাইতে বড় এক পণ্ডিত! অথচ সেই বেক্তিই যখন নিজের স্বার্থের জন্য নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য, নিজের কামনা বাসনা (!) পুরন করার জন্য, মানুষের ধর্মের প্রতি দুর্বলতা কে কাজে লাগিয়ে দেশ টাকে পাকিস্তানী বানানোর জন্য, ইসলামের ভিতর কুসংস্কার ঢুকায়, তরুন হতাশা গ্রস্থ ছেলে দের ধরে ধরে ব্রেইন ওয়াস করে জিহাদের নাম করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়! সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সময় কুরআন কে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করে, মসজিদে অগ্নি সংযোগ করে, মসজিদের ভিতর বোমাফাটিয়ে ইসলামের সেবার নামে সাধারন মানুষের কাছে ইসলাম কে আজ যারা ভুল ভাবে উপস্থাপন করছে, যাদের কারনে ইসলাম কে আজ অনেকেই বাকা চোখে দেখতে বাধ্য হচ্ছে, যাদের জন্য মুসলমানরা আজ শুধুই সন্ত্রাস হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে, আমরা তো তাদের বিরুদ্ধেই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম, এবং এখনো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। তাহলে আজকের এই গন জাগরণ মঞ্চ কিভাবে ইসলাম কে অপমান বা অবমাননা করলো সেটাই আমার বোধ গম্য নয়!
অথচ আজকে যখন ইসলাম কে কুলসিত কারী, ইসলাম কে প্রকৃত অপমান কারীর বিরুদ্ধে যখন সারা বাংলার সাধারন জনগন সারাদেশ জুড়ে গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে তুলছে, একের পর এক মহাসমাবেশ করে মানুষের ভিতর জনমত তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে, ওদের কুকীর্তি সাধারন মানুষের কাছে ফাঁস করে দিচ্ছে, সেইসব ইসলাম বেশ ধারী কুলাঙ্গার দের বিচার করতে যখন সোচ্চার, সেখানে কত্থেকে এক হেফাজতে ইসলাম আইসা গণজাগরণ মঞ্চের লাখ লাখ মানুষকে আজ তারা নাস্তিকদের আন্দোলন বলে ঘোষণা দিচ্ছে, অপপ্রচার চালাচ্ছে! সমাবেশ পণ্ড করে আন্দোলন কে থামিয়ে দেবার পায়তারা করছে!
তাই আজ সর্ব সাধারনের কাছে একটাই প্রশ্ন, এরা কি সত্যিই ইসলাম কে হেফাজত করতে চায়, নাকি মেশিন ম্যান কে হেফাজত করতে চায়? তারা যদি সত্যিই ইসলাম কে হেফাজত করতে চাইত, তাহলে কোনদিনও তারা গণজাগরণ মঞ্চ কে টার্গেট করতো না! বরং তারা প্রজন্ম চত্বরের সাথে সংহতি প্রকাশ করতো! কারন গন জাগরণ মঞ্চ এখন পর্যন্ত একবারও ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেনি। বরং যারা ইসলামকে কলংকিত করছে, তাদের বিরুদ্ধেই গণজাগরণ এর এই অহিংস আন্দোলন।
তাই হেফাজতে ইসলাম আর জামাত ইসলাম এই দুইয়ের মাঝে মানুষ আজ কোন পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছে না! এরা ইসলামের মুখুস পরা জামাত ইসলামের নতুন উত্তরসূরি! তাইতো এরা আজ ইসলাম কে নয় বরং ইসলামের নাম করে যারা ইসলাম কে ব্যাবহার করে মানুষ কে ধর্মের দুহাই দিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করে দেশ টাকে পাকিস্তান বানানোর পায়তারা করছে, দেশে জঙ্গি তালেবানি শাসন বেবস্থা চালু করতে উঠে পড়ে লেগেছে! এবং তালেবানি শাসন বেবস্থার যে স্বপ্ন দেখে, সেই মেশিন ম্যান উরফে সাইদি কে বাচাতে তারা এই ষড়যন্ত্র করছে! তাই এদের নাম হেফাজতে ইসলাম না হয়ে হেফাজতে মেশিন ম্যান অথবা হেফাজতে তালেবান, অথবা হেফাজতে জামাত রাখাই ভালো ছিল! এই রকম ইসলামের মুখোশ পড়ে ভালো মানুষ সেজে আর কতদিন ? তাই খুব বেশিদিন দেরি নেই যেদিন জামাতের মত এরাও মানুষের চোখে ঘৃণার উপকরন হবে! আর আমাদের শুধু জামাত ইসলাম কে ব্যান করলেই হবে না! আমাদের কে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি টাকেই নিষিদ্ধ করার লক্ষে লরতে হবে! তা না হলে এইরকম ইসলামের মুখোশ পড়ে আরও শত শত ইসলামের শত্রু পয়দা হবে। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। আরও হাজারটা মেশিন ম্যানের আবির্ভাব ঘটবে।
তাই আসুন আমরা জামাত – শিবিরের পাশা পাশি হেফাজতে ইসলাম কেও ব্যান করার জন্য আন্দোলন গড়ে তুলি। সকল ধর্ম কে শ্রদ্ধা করে ধর্ম প্রান মানুষ রা ধর্ম কে অন্তরে ধারন করি। এবং ধর্ম নিয়া রাজনীতি বন্ধ করি! তা না হলে আপনার আমার লাখো শহীদ ভাইয়ের রক্তে অর্জিত বাংলা আবার পাকিস্তানী দের হাতে চলে যাবে! হয়তো দেখা যাবে দুইদিন পর বাংলা ছেড়ে উর্দু বলা শুরু করতে হবে!
আসুন আমরা জেগে উঠি! অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসি। অন্ধ বিশ্বাসের জাল থেকে নিজেকে মুক্ত করি! মূল্যবোধ কে জাগিয়ে তুলি!
জয় আমাদের হবেই! জয় বাংলা!
২৩টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেঁচে আছি, বেঁচে আছি!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩



নতুন জেনারেশনের জ্ঞানগরিমায় যুগপৎ মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে নিজেকে মনে হয় নিতান্তই জেনারেল!
তাহারা কতকিছু যে জানে, জানে না তাহারা যে জানে! তাবৎ দুনিয়ার খবর তাহাদের তালুর চিপায় নিদ্রামগ্ন!... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিসাব চোকানো - হরমুজ এবং মার্কিন আধিপত্যের অবসান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১


ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে বিরল ও প্রভাবশালী ঘটনাগুলোর একটি। দীর্ঘদিন আমেরিকা ও তার মিত্ররা ইরানের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ দিয়ে রেখেছে। হরমুজ প্রণালীকে অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ২০২৪: অস্থিরতার অন্তরালে কী ছিল? লেখকীয় বিশ্লেষণ | সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৫

ছবি

বাংলাদেশে ২০২৪: ক্ষমতার পালাবদল নাকি গোপন সমন্বিত পরিকল্পনা?

২০২৪ সালের আগস্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অস্থির ও বিতর্কিত অধ্যায়। ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে অনেকের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি র‍্যাপ সং কীভাবে সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের কবিতা হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৭


আজকে জুলাই আন্দোলনের একটা কবিতা পাঠ করলাম যেটা পড়ে মাথা হ্যাং হয়ে গেছে। এই কবিতা নাকি সপ্তম শ্রেণীর ‘সপ্তবর্ণা’ বইতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কবিতার নাম ‘সিঁথি’, লেখক হাসান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×