মশিউর ভাই, শুভ ভাই, আমি জানিনা তোমরা বেক্তিগত ভাবে আসলেই নাস্তিক কিনা! তবে আজ তোমরা এই বাংলার বুকে নাস্তিকতার এক বৃক্ষ রোপণ করে দিয়েছ তোমাদের নিজেদের অজান্তেই! আজ বাংলার মানুষ তোমাদের মাধ্যমে জানলো বাংলায় এখন নাস্তিকে ভরা! কলেজ ভার্সিটির ছেলেরা পড়াশুনা করে নাস্তিক হচ্ছে! তাই সাধারণ মানুষ আজ ভাববে এই ছেলেরা কেন ধর্ম ত্যাগ করে নাস্তিক হচ্ছে, কি আছে ধর্ম গ্রন্থের মধ্যে যা পড়লে মানুষের ধর্মের প্রতি অনীহা জন্মে?
আর সাধারণ মানুষ যখন এইসব প্রশ্নের মুখোমুখি হবে তখনই তারা ধর্মের প্রতি কুতূহলী হবে এবং ধর্ম গ্রন্থ, হাদিস, ধর্মীয় ইতিহাস এইসব নিয়ে পড়াশুনা শুরু করবে! এবং এক সময় এইভাবে সবাই ধর্ম নিয়ে স্টাডি করবে। এবং সেই সব আগ্রহী, কুতূহলী, পড়ুয়া মানুষ গুলো যদি একেবারেই অন্ধ না হয় নিরপেক্ষ ভাবে সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে খুব বেশি দেরি নেই যেদিন এই দেশ থেকে ধর্মান্ধতা দুর হবে!
যে কাজ নাস্তিকদের করতে একশত বছর লেগে যেতো, সেই কাজ তোমরা একদিনেই করেছো! তাই তোমাদের কে নিয়ে আমি আজ সত্যিই গর্বিত!
তোমাদের জন্য শুভ কামনা!
লরাই আমাদের চলবে! জয় বাংলা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



