নৈশব্দের করতলে নিজকে বন্দী করেছি আজ
নৈশব্দের করতলে নিজকে বন্দী করেছি আজ।
তুমি রোজ এপথে আসো কার অভিসারে
তাকে দেখব বলে আজ।
আমার পূজার ফুল পায়ে দলে
তুমি প্রণমি হও যার ঘরে
সে ঘরের নিশানা খুঁজে পাব বলে আজ।
নিজকে রাহুমুক্ত করেছি আজ।
অভিমানী প্রণয়ে আর আমি বন্দী নই দেখো।
মুছে ফেলেছি তোমার সব চিহ্ন
এই দুই হাতে, যে হাত
তোমায় ছুঁয়েছিল আপন ভেবে।
সেই বকুল ফুলের মালা,
কবিতার খাতা,
নিঝুম নদীতীরের কথামালা,
উদ্বাহু মেলা তোমার সেই আহবান।
সব আজ ম্রিয়মাণ আমার কাছে।
আজ আমি মুক্ত আকাশে যেমন ইচ্ছে উড়ে বেড়াতে পারি।
আমার কোন দায় নেই কারও কাছে।
আছে শুধু প্রতীজ্ঞা।
পৃথিবীর করোটি হতে
সব প্রবঞ্চকের নাম মুছে দিব আমি।
তাই তো আজ নিজকে মুক্ত করেছি সব বন্ধন থেকে।
আড়াল করেছি সব চাওয়া-পাওয়ার হিসেব।
শুধু খেলায় মেতেছি নিজকে নিয়ে।
বন্দী করেছি নিজকে নৈশব্দের করতলে।
বুকের ভিতরের হুতাশনের আগুন নিভিয়ে ফেলেছি দেখো।
শুধু জ্বালিয়ে রেখেছি একটি দীপশিখা।
বড় শান্ত, বড় পবিত্র সেই দীপ।
ইচ্ছে করলেই ছুঁয়ে দিতে পারে সে তোমায়।
কিন্তু না ! সে ছুঁবেনা তোমাকে।
শুধু দেখবে একটি মন মাড়িয়ে
আরেকটি ঘরে বসতি সাজিয়ে
আবার কোন মনেরে করবে আপন
তোমার সওদাগরী মন ?
এভাবে সওদা করতে করতে
কবে হবে তোমার প্রেমের নির্বাসন ?
শুধু সেটুকু দেখব বলে
নিজকে বন্দী করেছি আমি নৈশব্দের করতলে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




