হযরত আবুকাতাদা(রাজিয়াল্লাহু আনহু) আলোচনা করেন নবী করিম(সা)কে রোজা সমপরকে প্রশ্ন করা হইল অতপর তিনি ঊওরে বলিলেন আশোরার রোজা অতীতের এক বৎসরের গোনাহর কাফফারাহ অর্থাৎ অতীতের এক বৎসরের গোনাহ আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করেন ।(সহি মুসলিম)
আরও একটি হাদিসে এই প্রসঙে বলা হয়েছে- হযরত ইবনে আব্বাছ (রাজিয়াল্লাহু আনহুমা)হইতে বণিত নিশ্চয়ই নবী করিম(সা)যখন মদিনায় আগমন করলেন তখন ইয়াহুদীদের দেখলেন তারা আশুরার দিন রোজা রাখে ।অতপর তিনি তাদেরকে এই রোজা সমপর্কে জিগ্ঙাসা করলেন তারা বলল এই দিনটা খুব পু্র্নতার দিন এই দিনে আল্লাহ তালা হযরত মুসা আলাইহিস সালাম ও বনী ইসরাইল (ইহুদী সমপ্রদায়)কে তাদের শএুর কভল থেকে রক্ষা করেন। নবী করিম(সা) বললেন হযরত মুসার প্রতি তোমাদের চেয়ে আমার দাবী অনেক বেশী অতপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং তার সাহাবায়ে কেরামগন কে রোজা রাখার নি্দেশ করলেন।
বি:দ্র:-আশুরার রোজার 10 তারিখের সাথে আগের দিন ৯তারিখ অথবাপরের দিন ১১ তারিখ মিলিয়ে রোজা রাখা সুন্নত কারন ইহুদীরা একটি রোজা রাখতো তাই তাদের বিরুধীতার জন্য রাসুল(সা)আগে এবং পরে মিলিয়ে দুইদিন রোজা রাখার জন্য বলেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


