somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাশ্বতর চিকিৎসা শুরু হচ্ছে

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শাশ্বত সত্যর বাবা অরুন সত্য যখন হাতেজাড় করে প্রণাম করার জন্য অনুরোধ করতে গেলেন, তখন আর চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মামনুনুল কেরামত। এর আগে অরুণ সত্য যখন কিছু কথা বলছিলেন বুকের ভেতরের আবেগ দিয়ে, তখনই খেয়াল করছিলাম ভিসি স্যারের চোখের কোণে জল চিক চিক করছে। একটু পর দেখলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তির দুগাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। গত সোমবার শাশ্বত'র চিকিৎসা শুরুর জন্য শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা তহবিল থেকে টাকার চেক দেবার সময়কার ঘটনা এগুলো। সে সময় ভিসি স্যার বলেন, এতো উদ্যোগ, এতো প্রচেষ্টা যে কাজের জন্য তোমরা করছ তা বৃথা যেতে পারে না। তোমাদের উদ্যোগ সফল হবে।'

শাশ্বতর বাবার হাতে সেদিন ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়েছে। সম্ভবত আগামী কাল ভারতের ভ্যালোরের দিকে রওনা দেবে শাশ্বত। সঙ্গে থাকবে ওর বাবা ও মা। ঈদের পর সেখানে শুরু হবে ওর চিকিৎসা। ওর শরীরের হাড় গঠনের জন্য দেয়া হবে একটি ইঞ্জেকশন; যেটি মূল চারটি ইঞ্জেকশনের প্রথমটি। এরপর তার অকেজো দু্ই হিপ জয়েন্টের একটি এবার রিপ্লেসমেন্ট করা হবে। এছাড়াও আরো ৪টি দরকারী ইঞ্জেকশন দেয়া হবে তাকে। যেগুলো প্রতিমাসে একটি করে দেয়া হবে। এসব চিকিৎসা মিলিয়ে এবার প্রায় ৫ মাস ভ্যালোরে অবস্থান করতে হবে শাশ্বতকে। এই ৫ মাসের চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য তার বাবার দেয়া হিসাব অনুযায়ী ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দেয়া হলো সেদিন।

বন্ধুরা, আপনারা জানেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাশ্বত সত্য জটিল অ্যানকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস রোগে আক্রান্ত। তারকে বাঁচাতে ৩৫ লাখ টাকা দরকার। গত ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৫৪ টাকা জমা হয়েছে বিভাগের দেয়া দুটি অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকেই সেদিন টাকার চেক দেয়া হয়েছে শাশ্বত'র বাবাকে। এখনো প্রায় ৩৫ লাখ টাকা লাগবে ওর চিকিৎসার জন্য। এখনো আমরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে রয়েছি সবার দিকে-১. শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা, অ্যাকাউন্ট নং-৩৪২৬০৪৯৮, অগ্রণী ব্যাংক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
২.saswota Chikitsa-Sohayota, AC no-135-101-33705, Swift Code: DBBL BD DH 100, Dutch Bangla Bank Limited.
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×