somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুয়োর ব্যাঙ আউর ব্যাঙের কুয়ো

২৯ শে জুন, ২০০৭ রাত ৯:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শালার দুনিয়াতে এতো এতো আজিব সব পাবলিকের লগে দ্যাখা হইছে মাঝে মাঝে মনে লয় একখান 'আদম চরিত' লেখায় হাত দেই, মগর দিলে সাহস পাই না। দিনকে দিন যখন হালায় দিলটাই হাওয়া হয়া যাইতাছে সাহসের কি দোষ !

ক্যাঙারুর দ্যাশে গিয়া যখন পোরফেসর জিগাসে কুন দ্যাশ থেইকা আসছি, উততরে বাংলাদেশ কওনে সে পথ্থমে চিনবার পারে নাই। আমি বুঝায় কইলাম আমি ইন্ডিয়ার চিপায় ছুটো একখান দ্যাশ বাংলাদেশ থেইকা আসছি তখন সে কিছু কয় না, মগর যখন কইলাম আমার দ্যাশের কাছে কাঠমুন্ডু তখন হালায় মুন্ডু নারায়া কয় " হ ! চিনবার পারছি। " ।

এরম অভিগ্যতা অনেক হইছে আমার। যখন এই সব গ্যানি মানুষ চিনবার পারে না তখন সাধারন পাবলিকের কি দোষ !

ভাবছিলাম আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হুনলে চিনবার পারলেও পারতে পারে। চিনবার পারে নাই। হালারা দ্যাশই চিনে না আবার বিশ্ববিদ্যালয়। দ্যাশে থাকবার সময় ভাবতাম বুয়েট কইলেই দুনিয়ার বেবাকে চিনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কইলেই একনামে চিনে। আমার এই ধারনা মাঠে মারা গেসে বহুত বার। অনেক নামি দামী পোরফেসরকেও নাম চিনাইতে সমস্যা হইছে।

আমরা অনেকেই ভাবী আমগো দ্যাশের কথা মনে হয় সবতে জানে, আমগো বিশ্ববিদ্যালয় গুলানরে সবতে চিনে। মগর এই পাবিলকরা যখন দ্যাশে থেইকা বিদ্যাশে যায় তখন বুঝবার পারে তাগো এই ধারনা কতো ভুল।

কুয়োর ব্যাঙের মতো নিজের কুয়াটারে দুনিয়া ভাবলেই কুয়ো দুনিয়া হয়া যায় না।
--------

আন্ডারগ্র্যাডে সি.এস এর বই পইড়া ভাবছিলাম বহুত কিছু শিখছি। গাদা গাদা কোডিং, কম্পিটিশন , হ্যান তেন কতো কিছু করছি আর ভাব মারছি যে কতো কিছু শিখা ফেলাইছি। মগর কাম করতে গিয়া দ্যাখলাম অনেক কিছুই শিখি নাই। শিখনের অনেক বাকী।

পোস্টগ্রাডে একবার আমার মন কেন জানি উদাস হইলো। লাইব্রেরীর কম্পিউটিং এর বইয়ের সারীর সামনে দাঁড়াইয়া ভাবতাসীলাম এই শত শত বইয়ের মইধ্যে কয়টা আমি পড়ছি !
১০?
৫০?
১০০?
ধরলাম ১০০, আর কততো বই পইরা রইছে যার ধারে কাছেই যাই নাই। আর যেই গুলান পড়ছি সেই গুলার কতো পারসেন্ট পড়ছি? বেশী হলে ৫০ %।
তার মানে দাঁড়াইলো আমি কতো কম জানি, শেখনের কতো বাকী।

অনেকরেই দেখি পড়াশুনা কইরা এমুন ভাব মারে যেন তার মতন আর কেউ জানে না । ৪/৫ খান ধর্মের বই পইড়াই হাদিস কোরাআন নিয়া ঝাঁপাইয়া পরে তর্কে। আরে হালা থিয়োলজি, ইসলামিক স্টাডিজ, কম্পারেটিভ থিয়োলজি সাবজেক্ট গুলান কি এমনে এমনে হইছে ? ঐ গুলানে যারা পড়ে তারা কি ঘাস খায় ?

যাউগ্গা, নিজের কথায় আসি। প্রোগ্রামিং কইরা কিছু পাবলিক নিজেরে বড় আই.টি পরফেশনাল মনে করে। বড় বড় বাতচিত করে আর এমুন ভাব লয় যেন তার লাহান আর কেউ জানে না। গ্যান দিক ভালো কথা, মগর ভাব মারনতেই দিলে কষ্ট লাগে।
হালাগো দেইখা মনে হয় ,কুয়োর ব্যাঙ আর কারে কয়।
-----
আবঝাব লিখলাম, মনে যা আসে।
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×