রাবির প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা বলেন, গত একদিন আগেও শিবিরের পোস্টার ছেঁড়া তো দূরের কথা এতে হাত ছোঁয়াতেও শিক্ষার্থীরা ভয় পেত। কিন্তু ক্ষমতার পরিবর্তন এবং জরুরি অবস্থার কারণে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। গতকাল শিবিরের ব্যানার পোস্টার ছেঁড়া দেখে শিক্ষাথর্ীরা আশ্চর্যও হয়েছে আবার অনেকেই আনন্দিতও হয়েছে। কারণ শিবির একচেটিয়াভাবে এতদিন সবগুলো আবাসিক হলের প্রবেশ মুখ এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়াল তাদের নিজেদের পোস্টার সাঁটানোর জন্য জিম্মি করে রাখত। এসব জিম্মিকৃত স্থানে অন্য সংগঠনগুলোর পোস্টার সাঁটানোর ব্যাপারে শিবিরের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এমনকি মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া দীর্ঘদিন আগের পোস্টারের উপরও কেউ পোস্টার লাগানোর সাহস পেত না।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের একজন নেতা বলেন, ক্যাম্পাস থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর পোস্টার সরানো ভালো হয়েছে কি মন্দ হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে এটুকু বলতে চাই_ এর ফলে ক্যাম্পাসের দেয়ালগুলো শিবিরের পোস্টার-দখলদারিত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছে। ওই নেতা আরো বলেন, শিবিরের দাপটের কারণে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে ক্যাম্পাসে প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো পোস্টার সাঁটাতে পারত না।
রাবি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের একজন প্রবীন নেতা বলেন, যত্রতত্র অপ্রয়োজনীয় পোস্টার ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যহানি করে। ব্যানার, পোস্টার এবং সাইবোর্ড সর্বস্ব রাজনীতি নয়, ক্যাম্পাসসহ সারা দেশে আদর্শের রাজনীতির চচর্া শুরু করতে হবে।
পোস্টার সরিয়ে ফেলার ব্যাপারে রাবি উপাচার্য ড. এম আলতাফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারের চাপ এবং প্রশাসনের সদিচ্ছার কারণেই পোস্টারগুলো সরানো হচ্ছে। যে দল বা গোষ্ঠীই হোক না কেন কারো পোস্টারই ক্যাম্পাসে থাকবে না।
এ ব্যাপারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্র শিবির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




