রোজকার মত বেসিনে দাঁড়িয়ে দাড়িগোঁফ কামাচ্ছিলাম
আলটপকা -অনেকগুলো কালোর মাঝে হঠাত দেখি একটি
সাদা রং! মনে পড়ে? এই আমিই তোমাকে শীর্ষেন্দুর উপন্যাসের
নায়কের মত বলেছিলাম -একটা চুল পাকলেই কিন্তু ডিভোর্স!!
বয়স হচ্ছে কুহেলিকা, বয়সেরা বাড়ছে!!!
আনমনে ভাবছিলাম, বয়স তো তোমার ও হল!! গভীর রাতে একাকীত্বের
এ শহরে যখন ফেসবুকে তোমাকে দেখি, বড্ড শিহরিত হই, এই কি সেই?
সেই তুমি - কুহেলিকা?
এই কি সেই তুমি? ভারী শরীর, উদ্ধত তাকিয়ে সিলিকনের বুকেরা!
বলি, তোমার স্বামী কি জানে, ওই সুউচ্চ পাহাড়চূড়োদ্বয়ের মাঝে
আমার উপত্যকা ছিল?
জানো, চশমা নিতেই হল, সন্ধ্যাবেলা দৃষ্টিরা পরাহত হয়, তবে জান কি?
সংসার আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা তোমাকে একটু বেশীই ক্ষতি করেছে!!
বলি, তোমার কাচগুলো যে একটু বেশীই মোটা!
চর্বি জমে বেশ মুটিয়েছে তোমার শরীর, আমি সেই তালপাতার সেপাই আছি!! হয়ত এখনো এই তোমাকে বাহুডোরে আটকে নিতে পারব, ওইসব পড়ন্ত বিকেলে মোহাম্মদপুরে স্যারের বাসার ছাদে-সিড়িতে কিংবা চিলেকোঠায়!! যেভাবে ফিযিক্স শেখাতাম আমি-তোমাকে কিংবা তুমি আমাকে!!
যে ছাদ গুলোতে ভরবেগ আবিষ্কার করতাম দুজন-দুজনায়, আর সাপের মত
ফোস ফোস নি:শ্বাস ছেড়ে বিষদাঁত হয়ে তোমার ম্যানিকিউর করা নখগুলো
কামড় বসাত এ শরীরে!!
আসলেই বয়স হচ্ছে কুহেলিকা, তবুও কল্পনাতে তোমার গন্ধে আমার
এখনো উত্তেজনা হয়, অথচ সেই হিংস্র তুমি আজ নির্জীব বড্ড, ক্লীব!!
এখন তাই গভীর রাতে মাতাল আমি অট্টহাসিতে ফেটে পড়ি!
কুহেলিকা - আমি বড্ড বেচে গেছি!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




