somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার লেখা আরব্য রজনীর গল্প গুলো! দশম পর্ব!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দুঃক্ষিত, ব্যস্ততার কারণে দেয়া হয় নি!

৭ ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ ইং!

আরব দেশে প্রেম হয়, উথাল পাতাল প্রেম! এখানে প্রেম বেশ মজার, খালি একটাই সমস্যা, লিটনের ফ্ল্যাট এভেইলেবল নয়! বিয়ে করে সে মজা আপনাকে নিতে হবে।:P


আমি আরবের যে প্রভিন্সে থাকি সেটার অধিকাংশ জায়গা ছিল ইয়েমেনের। প্রভিন্সের নাম নাজরান। এখানেই হয়েছিল লাইলী মজনুর প্রেম! মূল শহরে নিদর্শন হিসেবে বাড়ি আছে! ১৯৮০ সালে সৌদি বাদশা একশ বছরের জন্য ইয়েমেন থেকে লীজ নিয়ে পরবর্তীতে আমেরিকার সাহায্যে দখল করে নেন এই প্রভিন্স।/:)


শেফালী ভাবি হাসপাতালে ক্লীনিং এর কাজ করতেন, আর জিয়া ভাই চালান বাকালা (মুদী দোকান), দুজনেই বিবাহিত এবং একাধিক সন্তানের জনক! দুজনেই দেশে সংসার করেন। তো মন বাধ মানে না! এখানে একা থাকা জীবন খুব কস্টের! শেফালী ভাবি ব্যাপক পান খেতেন! আর সেই পান বিক্রি করতেন জিয়া ভাই। পান কিনতে দোকানের বাইরে দাঁড়াতেন ভাবি, হাল্কা টুকটাক কথাও হত! আস্তে ধীরে প্রেম! মন মানে না! দুজনেই স্থানীয় সরকারের অনুমতি নিয়ে, পুরো এলাকাবাসী কে দাওয়াত করে বিয়ে করে ফেললেন! দেশে যার যার সংসার তার তার, এখানে শেফালী আর জিয়া পরস্পরের!;)


ইন্টারন্যাশনাল বিয়েও হয়! বাংগালী বহুমাত্রিক।কবির ভাই দোকান করেন, সেই সাথে আরো কাজ করেন। হঠাত পরিচয় ফিলিপিনা এক বিউটি পার্লার কর্মীর সাথে।কবির ভাই আগে ৬/৭ বার বিয়ে করেছেন, অজ্ঞাত কারনে তার বিয়ে টেকেনি। পরিচয়ের পর প্রেম! মন মানে না! এই বয়সে প্রেম নিষ্কাম হয় না! তার উপর এবার প্রেম গাড়! খ্রিস্টান ফিলিপিনা ভাবি মুসলিম হয়েছেন, আগামী শুক্রবার তার বিয়ে। দাওয়াত পেলাম, সবাই দোয়া করবেন, শুক্রবার ফিলিপিনো ভাবী আনতে যাচ্ছি! ভাবীর সাথে ভাই আরবীতে কথা বলেন!:P

কি আছে জীবনে? খাল্লিবাল্লি!!:D



৮ ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ ইং

এখানকার পুলাপান খুব জাউরা! হোপ ইউ নো দ্য ডিফারেন্স বিটুইন জাউরা এন দুস্টু! এদের একেকটার সাইজ বাচ্চা হাতির মত। দেখলে ভয় লাগে।:((


বিকালে মুড অফ তাই হাটছিলাম! সাদিক বলে ডেকে হাত বাড়ায় দিল, আমিও হাত দিলাম, নগদ খামচি মেরে রক্ত বার করে দিসে! বাচ্চা লম্বায় খুব বেশী হলে আমার হাটুর সমান হবে!X((


আরো অভিযোগ আছে শুকনো মরিচ পানিতে গুলায়ে মারার, পাথর ছুড়ে মারার ইত্যাদি। এরা বেশ অশিক্ষিত, ইভেন এদের বাবা মাও ফ্যামিলি থেকে কোন এডুকেশন দেয় না।X(



এখানে স্কুল খুব মজারু। হেডের নাম মুদীর আর ভিপির নাম উকিল। মারার এখতিয়ার শুধু এই দুজনের আছে, এবং মাইর দেয় ধুম ধারাক্কা! স্কুল কে মাদ্রাসা বলা হয়, আর শিক্ষিক হলেন মুদাররেস। আপনি প্রাইমারী পাশ করে পুলিশ, এবং মাদ্রাসা শেষ করে মিনিমাম সেকেন্ড ক্লাস অফিসার হতে পারবেন। বিসিএসের মত কোন ঝামেলা নাই।:-*



স্কুল মজারু কি জন্য শুনুন, প্রতিবছর রোজার সময় থেকে টানা সত্তুর দিন বন্ধ। প্রতি সপ্তাহে শুক্র -শনি বন্ধ, প্রতি পরীক্ষার পর বছরে তিনবার বিশ দিন করে বন্ধ। কোরবানীর সময় বিশ দিন বন্ধ! বৃষ্টি হলে বন্ধ, বালু ঝড় উঠলে বন্ধ!:P


শিক্ষার মান ও ঠিক এরকম! মুদারেস দের বেতন ৪-৭ হাজার রিয়েল, সব কিছু আরবীতে পড়ানো হয়, ম্যাকগ্রা হিল এর আরবী বই সব! দামী ম্যাগাজিন পেপারের বই! মুদাররেস মূলত আরব কিংবা ইজিপ্সিয়ান। এরা আরবী ভিন্ন কোন ভাষায় কিছু লেখতে পড়তেও জানে না!

অদ্ভুত এক দেশ!!:D


১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ইং!

আরব দেশের ভূতের গল্প! আরব দেশে বেশ কিছু বিচিত্র জায়গা আছে। আজ কিছু হিস্ট্রি শোনাব। কিছু সত্য, কিছু আংশিক। তবে ইতিহাস বলে মানুষ ভয় পেতে ভাল বাসে। তবে যে যাই বলুক ঘটনা খুব মিস্ট্রিয়াস সন্দেহ নাই। আমি ডাক্তার হলেও দুর্বল চিত্তের মানুষ। তাই চ্যালেঞ্জ নিতে পারতেছিনা, আগেই বলে দিচ্ছি।:P


আমি যেখানে থাকি সেখানে জায়গাটা বেশ দূর্গম, এখানে আসতে হলে বার দুই প্লেন চেঞ্জ করতে হয়, তারপর গাড়ী করে দুই -আড়াইশ কিমি পার হতে হয়। আশে পাশে বিচ্ছিন্ন জনবসতি, মরুভূমি, বালি আর পাহাড়। হঠাত দেখলে খা খা করে উঠে। অল্প কিছু দূরে ইয়েমেন বর্ডার। গাছপালা একেবারেই কম, পাখি আছে শুধু ঘুঘু আর চড়ুই। প্রাণী আছে ষান্ডা, যেই ষান্ডার তেল বেশ চালু আমাদের প্রাণপ্রিয় ঢাকা শহরে।এই ষান্ডা ভাজি বেশ টেস্টি, এক বড় ভাই প্রায়শই ফাদ পেতে ধরে ফ্রাই করেন!:|



উপরের ছবিতে ষান্ডা ধরে আছেন জসীম ভাই


আমি যে হসপিটালে কাজ করি সেটা ১২০ কিমি দূরে থার শহরে। থার কে সবাই বলে তার, ইংরেজি তে লিখে থার, আরবীতে লিখে ষাড়!! আমার বাসা বা'র ইয়াদামা তে। এই দু'শহরের মাঝে আল ওয়াসাতে একটা দোকান। শহরে কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট নাই, সবার নিজস্ব গাড়ি আছে। যাদের গাড়ি নাই তারা অন্যদের গাড়ী ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করেন। এইটা আজনবীদের তৈরি সিস্টেম, অনেকের আয়ের উতস ই এটা। সেরকম একজন আবু তালিব, বাড়ি পাকিস্তান।


মরুভূমিতে হঠাত করেই সন্ধ্যা নেমে রাত হয়ে যায়, খুব দ্রুত। হাইওয়েতে রাত আট টার পর একদম গাড়ী চলে না, রাস্তা গুলো একদম নির্জন, রাডার কন্ট্রোলড। রাত ন'টার দিকে আবু তালিব থার থার এ ট্রিপ মেরে ফিরছিল, আল ওয়াসাতের আগে এসে হঠাত দেখে দীর্ঘ দেহী, থোপ গায়ে, গোতরা মাথায় এক আরব হাত উচিয়ে দাড়িয়ে আছে, অর্থাৎ লিফট চাই। তালিব সৌদি দের প্রতি খুব বিতৃষ্ণ হলেও মানবিক কারনে সে গাড়ী ব্রেক করে। তা ছাড়া, মূল শহর নাজরানের জন্য বাইওয়াস হয়ে যাওয়াতে এ রাস্তায় গাড়ী খুব কম চলে, পুরনো রাস্তা একদম মরুভূমি চিড়ে বের হয়ে গেসে।আরব লোকটা আর কাউকে পাবে না ভেবেই গাড়ী থামায় তালিব।রাত তখন দশটার কাছা কাছি। সালাম দিয়ে গাড়ী তে উঠে আরব। স্বভাব বিরুদ্ধ হয়ে আরব চুপচাপ থাকে। কিছু টা অস্বাভাবিক লাগে, পাত্তা দেয় না তালিব।


কিছুদূর আগানোর পর বিশাল বড় পাথুরে এলাকায় হঠাত আরব লোকটা আর্তচিতকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলে, তালিব বেকুব হয়ে যায়, চোখের সামনে এরকম মরুভূমি, আশে পাশে কিচ্ছু নেই সত্তুর কিমির মাঝে, এখানে কি করবে জানতে চায় তালিব? উত্তর আসে দু রাকাত নফল নামায পড়বে সে। তালিব বিরক্ত হলেও কিছু বলতে পারে না।:-*


আরব কে নামিয়ে দিয়ে রাস্তার পাশে গাড়ী সাইড করে বসে থাকে তালিব। অপেক্ষা নামায শেষের। কিন্তু সে অপেক্ষা আর শেষ হয় না!
হারিয়ে গেছে সেই আরব, যেন বাতাসে মিলিয়ে গেছে! আশ পাশ ইতি উতি কোথায় নেই তার চিনহ, লুকানোর মত এক পাহাড় আছে, কিন্তু সেখানে কে যাবে? মরুভূমিতে আছে সাপ, বিচ্ছু! তাছাড়া পায়ের ছাপ থাকবে!! প্রচন্ড ভয় পেয়ে হাওয়ার বেগে গাড়ী চালিয়ে ইয়াদামা তে চলে আসে তালিব, পুলিশ কে ইনফর্ম করে। পরদিন থেকে প্রচন্ড জ্বর ও বমিতে আক্রান্ত হয় তালিব।/:)



ইয়াদামা থেকে কিমি পাচেক দূরত্বে আরফুয়ান। জায়গাটার নামের সঠিক উচ্চারণ আমি পারিনা। রাস্তাটা ইতিমধ্যে স্থানীয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হয়ে উঠেছে, ড্রাইভারেরা বেশ ভয় পান এই রাস্তায় যেতে এখন। এখানে এত বদনাম যে একদম প্রয়োজন না হলে কেউ এই রাস্তায় যান না।:-*



সবচাইতে চালু কিছু বক্তব্য এরকম, এখানে হঠাত করেই ওঠে ধূলোঝড়! এই রাস্তার মোড়ে আসলে একটা সিংগেল রাস্তার বদলে অনেক রাস্তা দেখা যায়, মাথা কাজ করে না!! গাড়ী খুব ডিস্টার্ব করে, কথা শুনে না! উল্টো পাল্টা আচরণ করে!! ঠিকঠাক গাড়ীর নতুন লাইট অজ্ঞাত কারনে জ্বলে না, সেখানকার বাতাসে মৃত্যুর গন্ধ!!!:-*:|



এরকম বলার কারন হল আমি আসার পরেই এখানে তিনটে এক্সিডেন্ট এর কথা শুনেছি। প্রতিটি এক্সিডেন্ট দিনে দুপুরে হয়েছে এবং অবিশ্বাস্য ভাবে, ডাবল রোডের উল্টো দিক থেকে রোড আইল্যান্ড ক্রস করে এসে এক গাড়ী অন্য গাড়ি কে মেরেছে। প্রথম এক্সিডেন্ট এ মারা যান দুজন বাংগালি, ভয়নকরভাবে আহত হন বাকিরা। দ্বিতীয় এক্সিডেন্ট এ মারা যান এক পাকিস্তানী, তৃতীয় এক্সিডেন্ট এ গতকাল মারা গেছেন এক আরব। এক্সিডেন্ট গুলো খুব অস্বাভাবিক, গাড়ী গুলোর এভাবে এক্সিডেন্ট হয়ে যাবে ভাবা মুস্কিল, বিনা কারনে নিশ্চই একটা ট্রেইলার একটা ল্যান্ড ক্রুজার কে আধা কিমি মাথায় লাগিয়ে ঠেকে নিবে না? ঘটনার পর ধৃত লোকজন সবাই বলসে, তাদের হঠাত প্রচন্ড ঘুম পেয়েছিল!!!:|


উপরের ঘটনা দুটোর সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যা থাকতেই পারে, তবে আমি ব্যাখ্যায় যেতে চাই না। কিছু রহস্য থাকুক, দুনিয়াতে সব কিছুর ব্যাখ্যা থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই!;)

আমার ব্লগ ধরে পেছনে গেলে বাকি পর্ব গুলো পাওয়া যাবে। সবাইকে ধন্যবাদ!
৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×