"রাজাকার" শব্দটি "মীরজাফর" শব্দের মতো নিজস্ব একটি স্বকীয়তা লাভ করেছে। শব্দটি এখন আর 1971 সময়ের গন্ডীতে আবদ্ধ নেই। 1971 এর খাস "মুক্তিযোদ্ধা" এখন হয়ে যেতে পারে বিশুদ্ধ "রাজাকার"।
বাংলাদেশের উন্নয়নের বাধা ও সামাজিক বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী প্রতিটি লোকের গলায় ঝোলানো উচিত রাজাকারের তকমা। এদের কার্যক্রমকে ঘৃণা করতে হবে। প্রয়োজন বোধে করতে হবে প্রতিরোধ। তবে অপরাধকে ঘৃনা করতে হবে আর অপরাধীকে করতে হবে প্রতিরোধ ও সংশোধন।
দেশের নব্য রাজাকারদের মধ্যে আসতে পারে-
1) সন্ত্রাসী।
2) চাঁদাবাজ (1 এর সাথে অনেকাংশে সম্পর্কিত)।
3) ঘুষখোর।
4) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নারী নির্যাতনকারী।
5) প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারী ও রাজনৈতিক চরিত্রহীন রাজনীতিক।
6) দেশের স্বার্থবিরুদ্ধ কাজ করা যে কোন জন বা জনগোষ্ঠী (সলিমুদ্দী থেকে শাহাবুদ্দী)।
7) দেশের ইতিহাস বিকৃত করে পরিবেশনকারী যে কোন জন বা জনগোষ্ঠী।
যোগ করুন নব্য রাজাকারদের অন্যান্ন ক্যাটেগরী.......
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




