
কিছু বাচাল মানুষের কথার ধরণ দেখলে মনে হয় গরু বুঝি জাবর কাটছে। তারা ভাবেন কম কথা বললে বুঝি হেরে যাচ্ছেন। আসলে কিন্তু তা নয়। কেননা কেয়ামতের দিন সব কথার জবাব দিতে হবে। কম কথায় যত মঙ্গল। বেশি কথায় যত আপদ। বেশি কথায় বেশি ভুল। কম কথায় কম ভুল। ভুল মানুষের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দেয়। যাদের বেশি কথা বলার স্বভাব তারা মানুষের সমালোচনা করে বেশি। কারণ, কথা বলতে বলতে এক সময় যখন আর কোনো কথা থাকে না তখন সে অপরের সমালোচনা করে বসে। ওমুক এ কাজ করেছে তমুক সেটা বলেছে। তমুকের স্বভাব ভালো না। ওই মানুষটির পেট বড়। ওর মাথা মোটা। এসব অপ্রয়োজনীয় কথা বলে শুধু শুধু সময় নষ্ট করা আরকি।
তাদের যুক্তি আল্লাহ মুখ দিয়েছেন কথা বলার জন্য আমরা কথা বলছি এই আর এমন কি অপরাধ। অথচ আল্লাহ তাঁয়ালা অপপ্রোয়জনীয় কথা বলতে নিষেধ করেছেন। বেহুদা কথা ও কাজ থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন। রাসূল (সাঃ) দরকারি কথা বলতে বলেছেন না হয় চুপ থাকতে বলেছেন। তাই বেশি কথা না বলে কম কথায় কাজ আদায় করে নেওয়া উচিত। তাই বলে গোমড়া মুখে সব সময় বসে থাকাও উচিত নয়। হাসিমুখে কথা বললে একটা সদকার সওয়াব লিখা হয়। আসলে সকল কিছুরই একটা সীমা আছে যখন তা সীমা অতিক্রম করে তখনই তা অমঙ্গল বয়ে আনে।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



