
রূপের সাধনায় মগ্ন ছিলেন তিনি
' দেহই রত্ন ভান্ডার ' ধারনা করতেন যিনি ।
সেই রানী কেনো দেখা করবেন ভিক্ষুকের সাথে ?
রাজাদেশ যখন এসেছে , তখন তো আজ
যেতেই হবে তাঁকে ।
তীব্র অনীহায় রানী ক্ষেমা চলেন তথাগতের কাছে ।
কিন্তু এ কোন আসীন তাঁর সামনে ?
রানীর পদক্ষেপ স্তব্ধ হয় কার শক্তিবলে ?
স্বকৃত জালে বন্দী হয় ঊর্ণনাভ
অহম অনুভব করে পবিত্রতার দাবদাহ !
অর্হত্ব দিলেন বুদ্ধ অতি সমাদরে
ভোগসুখ ত্যাগ করলেন রানী নিরাদরে ।
তবুও কি তাঁর পরীক্ষা এখনো বাকি ছিল ?
বৃক্ষতলে একাকী কন্যা আছেন বসে
হঠাৎ সামনে ফুল পড়ে খসে ।
দাঁড়িয়ে আছেন যুবক অতি রূপবান
' ক্ষেমা ' বলে তাঁকে করছেন আহবান !
স্মিত হাস্যে এবার ক্ষেমা জবাব দিলেন --
বিনাশ করেছি আমি সব আত্মসুখ
তাই আজ জিতেছি সর্বপ্রকার দুঃখ ।
শুধু অগ্নি জ্বলছে ।
মধ্যরাত আলোকিত এই অপরূপ নারীর স্পর্শে !
রানী আর নারীর মিতালীতে তিনি আজ পূর্ণ
প্রজ্ঞা আর ধ্যান দ্বারা অহমকে করেছেন চূর্ণ ।
বি্ঃ দ্রঃ -' ক্ষেমা ' হলেন রাজা বিম্বিসারের পত্নী । তিনি ভগবান বুদ্ধের কাছ থেকে অর্হত্ব পেয়েছিলেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

