somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্বরচিতা স্বপ্নচারিণী
অবসরে বই পড়তে পছন্দ করি, মুভি দেখতেও ভালো লাগে। ঘোরাঘুরিও পছন্দ তবে সেটা খুব একটা হয়ে উঠে না। বাকেট লিস্ট আছে অনেক লম্বা। হয়তো কোন একদিন সম্ভব হবে, হয়তো কোনদিন হবে না। কিন্তু স্বপ্ন দেখতে জানি, প্রত্যাশা করতে জানি। তাই সেটাই করে যাচ্ছি।

ভার্সেটাইল অভিনেতা কমল হাসানের কিছু ছবি

১৬ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমি আমার গত পোস্ট লিখেছিলাম পুরানো কিছু তামিল ফিল্ম নিয়ে। সেখানে কমল হাসানের Michael Madana Kama Rajan নিয়ে লিখেছিলাম। সেটা দেখে সম্মানিত ব্লগার শাহ আজিজ কমেন্ট করেছিলেন শুধু কমল হাসানকে নিয়ে যেন একটা পোস্ট লিখি। আজ তাই কমল হাসানের কিছু ফিল্ম নিয়ে লেখার চেষ্টা করছি।

যারা পুরানো ভারতীয় ফিল্ম দেখেন তারা সবাই কমল হাসানকে কে চিনবেন। আমি অবশ্য তাকে অনেক পরে ভালোমত চিনেছি। ছোটবেলায় কমল হাসানের Sanam Teri Kasam ফিল্মের 'Jaan-E-Jaan, O Meri Jaan-E-Jaan' গানটা খুব প্রিয় ছিল। আমি ওখান থেকেই মূলত কমল হাসানকে চিনতাম। কিন্তু তার ফিল্ম দেখেছি অনেক পরে ভার্সিটিতে উঠে। আসলে আমার পুরানো ফিল্ম দেখার আগ্রহ শুরু হয় ভার্সিটিতে উঠার পর। এর আগে বাংলা ছাড়া আর কোনো ভাষার পুরানো ফিল্ম দেখতে ইচ্ছা করতো না। তো যাই হোক, আমি কমল হাসানের প্রথম যে ফিল্মটা দেখি সেটা ছিল সাদমা। এরপরে একে একে Pushpak Vimana, Ek Duuje Ke Liye, Saagar, Chachi 420 ইত্যাদি দেখি। মাস্টার্সে উঠার পর আমি দক্ষিণ ভারতীয় ফিল্ম দেখা শুরু করি। তখন ধীরে ধীরে তার পুরানো কিছু তামিল ফিল্ম দেখা হয় আর বুঝতে পারি দক্ষিণ ভারতের অনেক বড় একজন সুপারস্টার তিনি। আশি আর নব্বইয়ের দশকে তামিল সিনেমার দুই নক্ষত্র ছিলেন রজনীকান্ত আর এই কমল হাসান। অবশ্য আজও তাদের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি।

কমল হাসান জন্মগ্রহণ করেন ৭ নভেম্বর ১৯৫৪। তিনি মূলত তামিল অভিনেতা হলেও বিভিন্ন ভাষার ফিল্মে অভিনয় করেছেন। তিনিই একমাত্র অভিনেতা যিনি একইসাথে ভারতের প্রধান পাঁচটি ফিল্ম ইন্ডাস্টির (তামিল, তেলুগু, হিন্দি, মালায়ালাম এবং কান্নাড়া) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন। ভারতে কোনো অভিনেতাই এতগুলো ভাষায় চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেননি। অভিনয়ে তার ভার্সেটালিটি মুগ্ধ করার মত। তার এই অনবদ্য অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৩টি জাতীয় পুরস্কার, ৮টি তামিল নাড়ু স্টেট পুরস্কার, ৩টি নন্দী পুরস্কার ও ১৭টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। তার দুই মেয়ে শ্রুতি হাসান এবং আকসারা হাসানও দক্ষিনী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে।


১) Sadma এবং Moondram Pirai:

সাদমা ফিল্মের কাহিনী শুরু হয় নেহালতা নামের একটি তরুনীকে নিয়ে। একটি অ্যাক্সিডেন্টে সে স্মৃতি হারিয়ে ফেলে। ছয় বছর বয়সের পর সে আর কোনো কিছু মনে করতে পারে না। তার বাবা-মার এখন বয়স হয়ে গিয়েছে তাই সে তাদেরও চিনতে পারেনা। হসপিটালে থাকাকালীন সময়ে তাকে কিডন্যাপ করা হয় আর একটি ব্রোথেলে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তার নাম দেওয়া হয় রেশমী। সোমুপ্রকাশ নামের একজন স্কুলশিক্ষক সেখানে গেলে রেশমীকে দেখে তার মায়া হয়। সোমু তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে কিন্তু তার বাবা-মা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে কোনো তথ্য দিতে পারেনা। তাই বাধ্য হয়ে সোমু তাকে ওটি তে নিয়ে যায়। সোমু সেখানে একটা স্কুলে চাকুরী করে। সোমুর সাথে রেশমীর একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সম্পর্ক ভরসার, বিশ্বাসের, নির্ভরতার, আস্থার আর ভালবাসার। এর বেশি আর কাহিনী বলছি না। ফিল্মের গানের সুরকার ছিলেন বিখ্যাত তামিল সংগীত পরিচালক ইলায়ারাজা। তিনি একজন কিংবদন্তী সুরকার তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই অসম্ভব ভালো কিছু গান আছে এই ফিল্মে। এটি ছিল তার প্রথম হিন্দি ফিল্ম যেখানে তিনি সুর দিয়েছেন। তবে তার করা অনেক তামিল গানের সুর বলিউডের বিভিন্ন গানে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ফিল্মের গান Aye Zindagi Gale Laga Le এবং Yeh Hawa Yeh Fiza অনেক পছন্দের।

সাদমা ছিল একই পরিচালকের তামিল চলচ্চিত্র মুনড্রাম পিরাইয়ের রিমেক। দুটো চলচ্চিত্রেই মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী আর কমল হাসান। দুটো ফিল্মের পরিচালক, সংগীত পরিচালক এবং মূল অভিনেতা-অভিনেত্রী একই। তাই দুটো ফিল্মেই একই ধরণের ফিল পাবেন। তবে মুনড্রাম পিরাইয়ের আমি ইংরেজি সাবটাইটেল পাইনি তাই টেনে টেনে দেখেছি। কমল হাসান প্রথমবারের জন্য জাতীয় পুরস্কার পান মুনড্রাম পিরাইতে অভিনয়ের জন্য। তবে আশ্চর্য লেগেছে শ্রীদেবী এত ভালো অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার কিংবা ফিল্মফেয়ার কোনোটাই পান নি। আমার মতে শ্রীদেবীর ক্যারিয়ারে বেস্ট পারফরমেন্স ছিল এই মুনড্রাম পিরাই আর সাদমা। তবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর তামিল নাড়ু স্টেট পুরস্কার পেয়েছিলেন।

এই ফিল্মের এন্ডিং অনেক বেশি মনে রাখার মত। অনেকের কাছেই এটা হার্ট টাচিং একটা এন্ডিং ছিল। ফিল্মের পরিচালনা, গান এবং সবার অভিনয় অনবদ্য ছিল। একেবারে দশে দশ দিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু আমি এর রেটিং একটু কমিয়ে দিয়েছি তার পিছনে কিছু কারণ আছে। এত কিছু বলতে গেলে রিভিউ বড় হয়ে যাবে। একটি কারণ বলি। ফিল্মে সিল্ক স্মিতার পার্টটি অযথা দেওয়া হয়েছে। দুটো ফিল্মেরই সুন্দর একটা ফ্লো নষ্ট করে দিয়েছে সিল্ক স্মিতার উপস্থিতি। অবশ্য যারা সিল্ক স্মিতার জীবনী সম্পর্কে জানেন তার এর কারণ সম্পর্কে অবগত আছেন। তার আইটেম গান ফিল্মে রাখা হত ফিল্ম হিট করানোর জন্য। এক শ্রেণির দর্শক শুধু তার গান দেখার জন্যই আসতো সিনেমা হলে। কিন্তু এতকিছুর পরও সাদমা হিট হয়নি তবে সমালোচকের ব্যপক প্রশংসা পেয়েছিল। তবে মুনড্রাম পিরাই বক্স অফিসে সাকসেসফুল ছিল।

মুনড্রাম পিরাই:
মুক্তির তারিখ ― ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৮২
ইন্ডাস্ট্রি ― তামিল
আইএমডিবি রেটিং ― ৮.৬/১০
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার ― জাতীয় পুরস্কার (২টি), তামিল নাড়ু স্টেট পুরস্কার (১টি), ফিল্মফেয়ার (৫টি)
ইউটিউব লিংক ― Moondram Pirai (without subtitle)

সাদমা:
মুক্তির তারিখ ― ৮ জুলাই ১৯৮৩
ইন্ডাস্ট্রি ― হিন্দি
আইএমডিবি রেটিং ― ৮.৪/১০
ব্যক্তিগত রেটিং ― ৮/১০
ইউটিউব লিংক ― Sadma - Youtube (সীন কাটা আছে)
এইন্থুসান লিংক ― Sadma - Einthusan







২) Pushpaka Vimana:

যদিও এটা কান্নাড়া ইন্ডাস্ট্রির চলচ্চিত্র তবে এটা তে কোনো ডায়লগ নেই। তাই এটা দেখতে কোনো প্রকার সাবটাইটেল লাগবে না। যারা সাবটাইটেল দিয়ে মুভি দেখতে অপছন্দ করেন তাদের জন্য এটা একটা সুসংবাদ।

যেহেতু এই ফিল্মে কোনো ডায়লগ নেই তাই কোনো চরিত্রের কোনো নাম নেই। কমল হাসান এখানে একজন বেকার যুবকের রোল প্লে করেছে। একদিন সে পুষ্পক নামের একটা ফাইভ স্টার হোটেলের বাইরে এক মাতাল লোককে ঘুমন্ত অবস্থায় পায়। পকেটে লোকটার হোটেলে তার রুমের চাবি থাকে। লোকটাকে সে মেসে তার রুমে তালা বন্ধ করে বেধে রাখে। আর নিজে ফাইভ স্টার হোটেলের আনন্দের জীবন কাটাতে থাকে। হোটেলে একটি ম্যাজিশিয়ান তার স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে উঠে। তার মেয়ের চরিত্র প্লে করেছে অমলা মুখার্জী আক্কিকেনি। ম্যাজিশিয়ানের মেয়ে কে সেই বেকার যুবকের ভালো লেগে যায়। আর এদিকে সেই মাতাল লোকের স্ত্রীর অ্যাফেয়ার থাকে তারই এক বন্ধুর সাথে। সেই মাতাল লোককে মারার জন্য ভাড়াটে গুন্ডা ঠিক করে তার বন্ধু। যেহেতু কমল হাসান হোটেলে তার রুমে থাকছিল সেই ভাড়াটে গুন্ডা ভুল করে তাকে মারার জন্য চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু প্রতিবারই সেই গুন্ডা হাস্যকরভাবে ব্যর্থ হচ্ছিল। এছাড়া আরও কিছু কমেডি আছে। এই ফিল্মকে কাল্ট ক্ল্যাসিক ধরা হয়ে থাকে। কমল হাসান এই ফিল্মে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। কমেডি ড্রামা ভালো লাগলে মিস করবেন না।

মুক্তির তারিখ ― ২৭ নভেম্বর ১৯৮৭
ইন্ডাস্ট্রি ― কান্নাড়া
ভাষা ― সাইলেন্ট
আইএমডিবি রেটিং ― ৮.৬/১০
ব্যক্তিগত রেটিং ― ৮/১০
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার ― জাতীয় পুরস্কার (১টি), কর্নাটক স্টেট পুরস্কার (৩টি), ফিল্মফেয়ার পুরস্কার (৩টি)
ইউটিউব লিংক ― Pushpaka Vimana






৩) Avvai Shanmughi এবং Chachi 420:

পান্ডিয়ান এবং জানকীর বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর তাদের মেয়ে ভারতীর কাস্টডি জানকী পায়। পান্ডিয়ান সপ্তাহে একদিন দেখা করার অনুমতি পায়। কিন্তু সে তার মেয়েকে লুকিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে তার দেখা করার অনুমতি বন্ধ হয়ে যায়। ভারতীর জন্য একজন ন্যানির দরকার হয় তাই কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পান্ডিয়ান সেই বিজ্ঞাপন দেখে নিজে মেকাপম্যানের সাহায্যে মহিলা সেজে ইন্টারভিউ দিতে যায়। পান্ডিয়ান সেখানে যেয়ে তার নাম বলে আভাই শানমুগি। তাকি ন্যানি হিসেবে ঠিক করা হয়। সবাই তাকে মামী বলে ডাকে। এক পর্যায়ে পান্ডিয়ানের বাড়িওয়ালা এবং জানকির বাবা দুজনই আভাই শানমুগিকে পছন্দ করতে শুরু করে। এছাড়া রয়েছে আরও অনেক মজার কান্ড।

হলিউডের ফিল্ম Mrs Doubtfire থেকে ইন্সপায়ার্ড হয়ে আভাই শানমুগি বানানো হয়। পরবর্তীতে হিন্দিতেও এটা রিমেক করা হয় চাচী ৪২০ নামে। আমি অবশ্য হিন্দিটা আগে দেখেছি। দুটোই অনেক ভালো লেগেছে আমার কাছে। দুটোর কাহিনী একই হলেও ছোটখাটো কিছু জিনিসে হালকা পরিবর্তন আছে।

আভাই শানমুগি:
মুক্তির তারিখ ― ১০ নভেম্বর ১৯৯৬
ইন্ডাস্ট্রি ― তামিল
আইএমডিবি রেটিং ― ৭.৯/১০
ব্যক্তিগত রেটিং ― ৯/১০
এইন্থুসান লিংক ― Avvai Shamughi

চাচী ৪২০:
মুক্তির তারিখ ― ১৯ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ইন্ডাস্ট্রি ― হিন্দি
আইএমডিবি রেটিং ― ৭.৪/১০
ব্যক্তিগত রেটিং ― ৯/১০
ইউটিউব লিংক ― Chachi 420






৪) Punnagai Mannan:

সেতু আর রঞ্জিনি একজন অন্যজনকে পছন্দ করে কিন্তু রঞ্জিনির বাবা-মা এই সম্পর্ক মেনে নেয় না। তাই তারা দুজন ঠিক করে পাহাড়ের উপর থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করবে। দুজন যথারীতি পাহাড় থেকে লাফ দেয়ও কিন্তু ভাগ্যক্রমে সেতু বেঁচে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সে পুলিশ কাস্টডিতে থাকে। রঞ্জিনির বাবা তার উপর বিভিন্ন ফলস অ্যালিগেশন লাগায় কিন্তু আদালতে এগুলোর কিছুই প্রমানিত হয় না। তবে যেহেতু এভাবে সুইসাইড করাও অপরাধের শামিল তাই সেতুর এক বছরের জেল হয়। জেল থেকে বের হয়ে সেতুর চিন্তাভাবনার পরিবর্তন হয়। সে আর রঞ্জিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে বুঝতে পারে। সেতু আগে যেখানে নাচ শিখতো সেই ড্যান্স স্কুলের মালিক পদ্মিনি আন্টি তাকে নতুন ড্যান্স মাস্টার হিসেবে নিযুক্ত করে। একদিন সেতু মালিনী নামের একটি মেয়েকে দেখে পাহাড়ের উপর থেকে আত্মহত্যার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সে যেয়ে মেয়েটিকে মানা করে। মালিনী সেতুর কথা শুনে এবং এরপর থেকে সে সেতুকে ফলো করা শুরু করে। সেতু এতে খুব বিরক্ত হয়। এরপরে একদিন সোজা সে সেতুর ড্যান্স স্কুলে গিয়ে ভর্তি হয়।

এই ফিল্মের এন্ডিং আমার ভালো লাগেনি। এই ফিল্ম নিয়ে আমি রিভিউ লিখতাম না হয়তো। তবে কিছু কিছু জিনিস এই ফিল্মের ভালো লেগেছে। প্রথমত এই ফিল্মের গান গুলো খুব বেশি সুন্দর। ইলায়ারাজার সুর করা এই গানগুলোর জন্য ফিল্মটা দেখা যায়। সব গানই ভালো তবে আমার সব থেকে প্রিয় হচ্ছে Vaan Megam Poo Poovaai । দ্বিতীয়ত ফিল্মে সেতুর মামার চরিত্রটি অনেক মজার। এটা আপনারা দেখে নিবেন, আমি আর বললাম না। তৃতীয়ত রেবাতিকে আমার অনেক ভালো লাগে। মালিনী চরিত্রে সুন্দর অভিনয় করেছেন। এই পরিচালকের পরিচালনা সুন্দর কিন্তু আমার কাছে তার ফিল্মের এন্ডিং ভালো লাগে না। আর ফিল্মের ভিতরে কিছু কিছু জিনিস ভালো লাগেনি। এর আগে তার হিন্দি ফিল্ম Ek Duuje Ke Liye দেখেছিলাম যেটা তারই তেলুগু ফিল্ম Maro Charitra এর রিমেক ছিল। দুটো ফিল্মেই কমল হাসান লীডে ছিলেন। সেখানেও আমার এন্ডিং ভালো লাগেনি। পরিচালক অযথা এমন এন্ডিং দেন যেটা কাহিনীর সাথে খাপ খায় না।

মুক্তির তারিখ ― ১ নভেম্বর ১৯৮৬
ইন্ডাস্ট্রি ― তামিল
আইএমডিবি রেটিং ― ৭.৮/১০
ব্যক্তিগত রেটিং ― ৭/১০
এইন্থুসান লিংক ― Punnagai Mannan








এইন্থুসান থেকে মুভি ডাউনলোড করতে চাইলে তার টিউটোরিয়াল ― 2 Ways to Download Movies from einthusan




ছবি ঋণ ― ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পুরনো ভাজে নতুন করে ঠাঁই পাওয়া!

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:০৮



একটা গণিত বই আরেকটা গণিত বইকে কী বলে জানেন? I have so many problems. পরিচিত গন্ডির সবাই আজকাল গনিত বইয়ের মতো আচরণ করে। আলাপে-সংলাপে কেবল সমস্যা নিয়ে কথা বলে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নামাজ পড়ো অক্ত হলে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:১৭



©কাজী ফাতেমা ছবি
জায়নামাজটা আছে পাতা, এসো দাঁড়াও পড়ো নামাজ,
ছুঁড়ে ফেলো আছে যত, ব্যস্ততা আর আলসেমী কাজ।
মরে গেলে কেউ যাবে না, সঙ্গে শুধু নামাজ যাবে,
সওয়াল জবাব... কালে মানুষ, নামাজটারেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ক্রিকেট : আইসিসি ট্রফি ১৯৭৯ থেকে ১৯৯৭, ও বিশ্বকাপ ক্রিকেট ১৯৯৯-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন - পর্ব-১

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:২৯

১৯৭৯ সালে আইসিসি ট্রফি টুর্নামেন্টে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করে। এরপর বিভিন্ন আইসিসি টুর্নামেন্টে অনেক আশা-নিরাশার দোলাচলে দুলতে দুলতে, অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে অবশেষে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকর্ষণ

লিখেছেন নয়ন বিন বাহার, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:৪৪

১।
আমার এ জীবনে কভু তোমারে পারিনি বুঝিতে,
বাতাসের মত তোমার মন, শুধু দিক বদলায়,
চশমার খালি ফ্রেম, তবু সান্তনা দিতে পারে
অন্ধকারে, চোখ নয়, মন জ্বলে নতুন আশায়।

২।
পৃথিবীর সব হারামীগুলো যেখানে ডিম পাড়ে,
খালি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালি পাকিলাভারদের অবস্থা হইলো সেই ছ্যাঁকা খাওয়া প্রেমিকার মতো।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:০২

বাঙ্গালি পাকিলাভারদের অবস্থা হইলো সেই ছ্যাঁকা খাওয়া প্রেমিকার মতো... যাকে ভালোবাসে তার হাতে ছ্যাঁক খাইলেও, কঠিন মাইর খাইলেও তারেই আজীবন ভালোবাসে... পাকিস্তান অতীতে কি করসে আমাদের সাথে, তার জন্য ক্ষমা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×