ছবিতা
স্বীকৃতি প্রসাদ বড়ুয়া
ছবি তখনই ছবি হয়ে ওঠে যখন তা বাস্তবকেও ছাড়িয়ে শৈল্পিক হয়ে ওঠে। হুমায়ূন এর বায়োপিক নাকি সরওয়ার ফারুকীর স্ট্যান্টবাজি ‘ডুব’ এখনও দেখিনি। তবুও লিখছি। এমনিতে বাঙালি কোন বিখ্যাত মানুষকে নিয়ে বায়োপিক তৈরি হয় না সচরাচর সিনেমাতে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সিনেমা জগতে। তো সেখানে এরকম একজন তুমুল জনপ্রিয় লেখক, নির্মাতা ও মজার মানুষ, সত্যিকারের মানুষের বায়োপিক তৈরি হলো সম্পূর্ণ নেগেটিভ সেন্সে। যা বাংলাদেশের সাহিত্য ও শিল্পকে বিশ্বে কি পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। নির্মাতা স্বীকার করুক আর না করুক কিন্তু ছবি দেখে অনেকের মনে হয়েছে এটা হুমায়ূন আহমেদ এর বায়োপিক মুভি। তো আমার কথা হলো বাংলাদেশের অনেক বিখ্যাত মানুষ আছেন, অনেক যোদ্ধা আছেন, অনেক প্রকৃতিবিদ আছেন, অনেক বিশ্বমানের বিজ্ঞানী আছেন, অনেক লেখক আছেন, সাহিত্যিক আছেন, কবি আছেন, বিজ্ঞানী আছেন, ব্যাংকার আছেন, গায়ক আছেন, নায়ক আছেন। তো তাদের নিয়ে তো কোন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে দেখিনি একটি বিশ্বমানের ফিল্ম বানাতে। যে ফিল্মটি বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি অন্য মর্যাদায় নিয়ে যাবে। এখন দেখছি উল্টো। এখন তো কলির যুগ চলছে। খারাপ জিনিসই কবিতায় বলেন, ফিল্মে বলেন, সাহিত্যে বলেন উঠে আসছে। তো এইরকম একটি নিষ্ফলা সময়ে ভালো মানুষদের খারাপ ভাবে দেখানোতেই নির্মাতারা আনন্দ পাচ্ছে। আর আমাদের দর্শক বলেন পাঠক বলেন সবাই শুধু সেক্স আর ভায়োলেন্স আর বিকৃত গল্পের মুভিতেই মজা পাচ্ছেন বেশি। কারণ এটা তো কলিকাল। কলিকালে আর এর চাইতে আর কিই বা বেশী আশা করা যায় বিশেষ করে বাংলাদেশের সিনেমা নির্মাতাদের কাছ থেকে???????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


