তিনপ্রস্থ কবিতা
সৈয়দ আফসার
যে পোড়াবিষে আমার ধ্বংস অনিবার্য
দীর্ঘরাত্রি জেগে থাকি; দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশায়। সব কিছুতে আশা করা কি ঠিক? আশা যে কেবল রক্ত ঝরায়। অলসভাব যাই বলতে নেই; বলো আসি— আশায়-আশায় ফেরি করো আবেগি ইতিহাস। ইন্দ্রইঙ্গিত তোর শ্বাসের ভেতর মিশে যেতে যেতে লুকাই পোড়াবিষ।হারানো মুদ্রার মতো কেনো যে সরে দাঁড়াও তুমিসহ নতুন জামার ঘ্রাণ; যে ঘ্রাণে আমার ধ্বংস অনিবার্য। আমি কি জানি— সেসব : আমাকে কেনো নিতে হবে অপেক্ষার দায়ভার। ঘ্রাণ তুমিও চিনে রাখো; ছুঁয়ে দাঁড়াও; একসাথে গুনে নেবো সব অধিকার
অপেক্ষায় নয়; দীর্ঘরাত্রি জেগে থাকি; দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশায়
যে পোড়াবিষে আমার ধ্বংস অনিবার্য; তা কি তোমাকেও পোড়ায়?
কথা ও বাতাসের গতিবেগ
কথা বলছি একাকি; বালিশের বুকে চোখ ঘষে-ঘষে বদলাচ্ছি চার চোখের স্বাচ্ছন্দ; দেখি কতটুকু উচ্চতায় তুই দাঁড়াতে পারিস্; কতটুকু দূরে দাঁড়ালে দূরদৃষ্টিও বলবে অসহায়। ঘুম-না আসা ঘড়ির কাঁটায়।ছিছি অপেক্ষা একি তুই বলিস্; চুপচাপ কেনো এতো-এতো দুঃখ দিস!… কেনো যে বাতাসের বেগে গতি বাড়াস; আমাকেও রোজ শিখাস— পুলকস্পর্শ! তেরো বছর কেটে গেল! সবই কি খেলার ছলে দুঃখ দিলো; হলো প্রিয় অবহেলা। কথা ও ঘৃণা ফ্রাই হতে হতে নিজেকে বদলে ফেলা; বেশ হল স্পর্শচিকিৎসা
ছিছি অপেক্ষা; এতো এতো দুঃখ দিস! কতই আর সইবো একা
খাবনামা দেখে স্বপ্ন কি মনে রাখা ঠিক? বুকবালিশটাও বোকা
চোখ খুললেই দেখি আমার চোখে আয়ুনির্মাণ
ঈর্ষা, সে-ও এক নির্মাণ পদ্ধতি; বদলে যায় চাতুর্যে হৃদয়রেখায়। বয়সভেদে দেহের সন্তরণ; ডুবপুকুরে স্নান সেরে আসা; উছলে ওঠা ঠিক দেড়হাত দূরে কালো-কালো জল; আমি কি বদলে গেছি-রে শূন্যতা? কতটুকু অপমানে ভাবতে পারি দোষি। কতটুকু অপমানে নিজের ভেতর নিজেকে পুষি। আমাকে ছুঁয়ো না অরগাজম। ঈর্ষা, তোর কাছে শব্দময় হাসি; আমার কাছে ভোগবিলাস হারানো মহিমা। ঘোর অন্ধকারে রাত্তিও চুপচাপ দোলে; অন্ধকারে চোখ খুললেই দেখি আমার চোখে আয়ুনির্মাণ
ঈর্ষা, সে-ও এক নির্মাণ পদ্ধতি; তোর কাছে শব্দময় হাসি
কথা ঝরো; পাতা ঝরো; ঝরো মিথ্যে অভিযোগ পাশাপাশি
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



