অনুবাদ:
হযরত আনাস (রা
ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ:
মানবসেবা মানবতার ধর্ম ।যে ব্যক্তি মানবসেবা করল সে মহান আল্লাহ'র সেবক হিসেবে পরকালে মর্যাদাপূর্ণ সম্মানের অধিকারী হবে। আলোচ্য হাদীসে আনাস (রা
অনুবাদ:
________
হযরত আনাস (রা
হাদীসের ব্যাখ্যা:
________
মযলুমের সাহায্য করা মহা পুণ্যের কাজ। অপর এক হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে,মযলুম ও এতিমের ফরিয়াদ মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার মাঝখানে কোন অন্তরায় থাকে না।নির্যাতিত ব্যক্তি সাধারণত দুর্বল ও বিপদগ্রস্ত হয়। আর আল্লাহ তায়ালা দুর্বলের সাহায্য করেন। আলোচ্য হাদীসে আনাস (রা
বলেন,রাসূল (স) বলেছেন,যে ব্যক্তি নির্যাতিত ও দুর্বল ব্যক্তির
ফরিয়াদ শুনে তার সাহায্য করবে,তার জন্য মহান আল্লাহর
পক্ষ থেকে তিয়াত্তরটি দান অবধারিত রয়েছে।তন্মধ্যে একটি দান তাকে এ দুনিয়াতেই দেয়া হবে।তা হলো এ পার্থিব জগতে তার কাজকর্ম সুচারুরূপে সমধা করে দেবেন।সে নিজেও টের পাবে না যে ,তার এ কাজগুলো কিভাবে সমাধা হয়ে যাচ্ছে। আর অবশিষ্ট বাহাত্তরটি দান তাকে কেয়ামত দিবসে দেয়া হবে। এতে তার মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং তার জান্নাত লাভের আশা সুগম হবে।
অনুবাদ:
________
হযরত ওকবা ইবনে আমের (রা
ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ:
________
কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তায়ালার দরবারে বান্দাদের পারস্পরিক আচারাচরণ এবং অধিকার সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে মামলা পেশ করা হবে ,তা হলো দু'প্রতিবেশীর ঝগড়া।মহান আল্লাহর কালাম এবং রাসূল (স)-এর হাদীসে প্রতিবেশীর সাথে অনুগ্রহ ও সদাচরণ করার তাগিদ করা হয়েছে।তাই অত্র হাদীসে মহানবী(স) বলেছেন,কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তায়ালার আদালতে সর্বপ্রথম দু'প্রতিবেশীর ঝগড়ার বিচার করা হবে। অতএব পরকালে মুক্তির জন্য প্রতিবেশীর সাথে সর্বদা সদাচর করা আবশ্যক।
অনুবাদ:
________
হযরত আবু হুরায়রা (রা
ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ:
________
মানুষের অন্তর কাচের মতো একটি তরল ও স্বচ্ছ পদার্থ। এটা ভাঙা-গড়া যেমন গ্রহণ করে,তেমনি এতে কঠোরতা এবং কোমলতাও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।ঠিক এমন এক ব্যাপারে একদিন জনৈক ব্যক্তি এসে রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলল, আমার অন্তর কঠিন হয়ে গেছে এবং আমার কারো প্রতি দয়া বা অনুগ্রহ জন্মে না। তার কথা শুনে রাসূল (স) বললেন, এতিম তথা অনাথ বাচ্চাদের মাথায় অনুগ্রহের হাত বুলাও এবং নি:স্বদেরকে খাবার দাও। এতে তোমার অন্তরের কঠোরতা দূর হয়ে যাবে।
অনুবাদ:
________
হযরত সুরাকা ইবনে মালেক (রা
ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ:
________
নিজের সন্তানের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং তাদের ভরণপোষণের জন্য যা কিছু ব্যয় করা হয়,সেগুলোকে সদকা বলা হয়েছে।মেয়েরা পুরুষের তুলনায় খুব বেশী অসহায়।কারণ সে তার পিতামাতার প্রতি বেশী মুখাপেক্ষী। আলোচ্য হাদীসে হযরত মালেক ইবনে সুরাকা (রা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



