গভীর রাতে সিদ্ধার্থ তার স্ত্রী ও পুত্রকে ফেলে ঘরের কাউকে না জানিয়ে গৃহত্যাগ করলো। তথাকথিত সিদ্ধিলাভ করার পরও সিদ্ধার্থ আর কোনদিন নিজ স্ত্রী পুত্রের কাছে ফিরে আসলো না। আর সারাজীবন নিজ স্ত্রী যশোধারা আর পুত্র রাহুলের কোন খোজ খবর না নেওয়া এই গৃহত্যাগী ব্যক্তিটিই এখন হয়ে গেছে বৌদ্ধদের কাছে দেবতূল্য। গৌতম বুদ্ধ উনার ২৮ বছর বয়সে মাত্র ২ বছর সংসার জীবন যাপন করে উনার নিজ স্ত্রী যশোধরা ও নিজ পুত্র রাহুল কে সারাজীবনের জন্য ত্যাগ করে জঙ্গলে চলে যায়। যদিও গৌতম বুদ্ধের স্ত্রী যশোধারা অনেকবার গৌতম বুদ্ধকে অনুরোধ করেছিল তার সাথে সংসার করতে। গৌতম বুদ্ধ যে সারাজীবন তার নিজ স্ত্রী যশোধরা ও রাহুলের কোন খোঁজখবর রাখল না এর কারন কি ? গৌতম বুদ্ধ তো তার সৎ ভাই নন্দের বৈবাহিক জীবনটাও ধ্বংস করে দিয়েছে। নন্দও সংঘে যোগদান করার পর তার স্ত্রী জনপদ কল্যাণীর সাথে আর কোন সম্পর্ক রাখে নাই। আল্লাহর রাসূল সংসার করেছে সন্তান জন্ম দিয়েছে এটাই এখন নাস্তিকদের কাছে দোষের হয়ে গেছে কিন্তু গৌতম বুদ্ধ যে সারাজীবন তার স্ত্রী যশোধরার কোন খোঁজ খবর নিল না গৌতম বুদ্ধ তার সৎ ভাই নন্দের সংসার জীবনটা ধ্বংস করে দিল এটা নাস্তিকদের কাছে কোন দোষের না। তথাকথিত সিদ্ধিলাভ করার পর গৌতম বুদ্ধ একবার তার জন্মভূমি কপিলাবস্তুতে আসেন। তখন গৌতম বুদ্ধের স্ত্রী যশোধরা তার ছেলে রাহুলকে গৌতম বুদ্ধের কাছে এই বলে পাঠান যে তুমি তোমার কাছে পিতৃধন চাবা। পিতৃধন দেয়া তো দূরের কথা উল্টা গৌতম বুদ্ধ তার ছেলে রাহুলকেও সংঘে নিয়ে যায়। এরপর যশোধরা সারা জীবন একাকী থাকেন।
সাদাকে সাদা আর কালো কে কালো বলাটাই মানবিকতা
নষ্ট দর্শন ও বিশ্বাস থেকে মানব ও মানবিকতার মুক্তি হোক
আমি ধর্মহীন তাই ধর্মমুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


