somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Fisheries Dg in Thailand

১৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

#মৎস্য_ও_দুগ্ধ

!!সুখবর!! !!সুখবর!! !!সুখবর!!

আর অল্প কিছুদিনের মদ্ধেই আমাদের বাংলাদেশে মৎস্য হইতে দুগ্ধ উৎপাদন শুরু হইবে!!
অবাক হইবার কিছু নাই। মৎস্য হইতে দুগ্ধ উৎপাদনের পদ্ধতি জানার জন্য আমাদের মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয় থাইল্যান্ডে গিয়েছেন!

আজকের একটি জাতীয় পত্রিকার সংবাদে দেখলাম, আমাদের মাননীয় মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রী মহোদয় থাইল্যান্ডের রাজ পরিবারের আমন্ত্রণে ৬ দিনের সফরে থাইল্যান্ড গিয়েছেন ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের দুগ্ধ উৎপাদন দেখতে!! যেই ছাগল গুলা কিনা আবার এই বাংলাদেশ থেকেই উপহার স্বরূপ থাইল্যান্ডকে দেয়া হয়েছিলো।

যাই হোক, থাইল্যান্ডের রাজ পরিবার আমন্ত্রণ জানিয়েছে মন্ত্রী মহোদয় না গেলে সেইটা অভদ্রতা দেখায়। হাজার হোক আমাদের মন্ত্রীরা চোর হলেও তারা কিন্তু অভদ্র নয়!!
কিন্তু অবাক করা বিষয় হচ্ছে, আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের সফর সঙ্গী হয়েছেন আমাদের মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয়!! প্রশ্ন হচ্ছে, ডিজি মহোদয় দুগ্ধ উৎপাদন দেখে এসে কি করবেন? নিশ্চয়ই উনি চেষ্টা করবেন কিভাবে মৎস্য হইতেও দুগ্ধ উৎপাদন করা যায়!! তাই না??
সারা বিশ্বে একটা নাম হয়ে যাবে যে ডিজি সাহেব অসাধ্য সাধন করেছেন, মৎস্য হইতে দুগ্ধ উৎপাদন করেছেন!! সেই দুগ্ধ আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হবে। আর এই অভূতপূর্ব সাফল্যের কারনে ডিজি সাহেবকে নোবেল পুরষ্কার দেয়ার জোর দাবি উঠবে!

আরে মন্ত্রী মহোদয় ছাগল কেমনে দুধ দেয় এইটা দেখার জন্য লাখ টাকা খরচ করে থাইল্যান্ডে যাওয়া লাগে না, একটু মফস্বল এরিয়াতে গেলেই দেখা যায়। এইটা দেখতে গেলেন থাইল্যান্ড!! আপনার মন্ত্রণালয়ে প্রাণী বিভাগ আছে আর আপনি আমন্ত্রিত বিধায় আপনি গেছেন মেনে নিলাম, কিন্তু মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি সাহেব কি কারনে গেলেন সেইটা যদি একটু এই অধমকে বুঝায়ে দিতেন!!

থাইল্যান্ডকে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল উপহার না দিয়া এই ধরনের কিছু অরিজিনাল ছাগল/পাঁঠা দিয়ে দেয়া উচিত। দেশের টাকা আর কিভাবে অপচয় করবে এই পাঁঠাগুলা বুঝতে পারতেছে না।

আহা কি আনন্দ সকলের মুখে
মৎস্য দুগ্ধ খাইবো সুখে... !!

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১১:৩৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

থাক অহমিকায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


তোমার রঙিন আকাশে নেই
যে অমাবস্যার- অন্ধকার
ঝলমল করছে শুধু চাঁদ-
ডুবছ ডুবছ সুখমারী রাত!
উড়ছ শঙ্খচিলের ডানায়;
তোমার আকাশে অমাবস্যা নাই।

আমি মাটি বন্দি হয়েছি
মরার আগেই- মরার আগেই-
স্বপ্ন দেখি শুধু হুতুম পেঁচা হব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০



বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন[

শেখ মুজিব ইতিহাসের খলনায়ক।
জাতীয় বেইমান।
পাকিস্তান ভাঙার অপরাধী।
- এই কথাগুলো আপনি বিশ্বাস করেন?
তাহলে আজ আপনাকে একটা অনুরোধ করব- একবার শুধু থামুন।

রাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৫

ফারাজা তাবাসসুম খান-
অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না। খুব ব্যস্ত আছি। আমার সব সময় নিয়ে নিচ্ছে অফিস। আমি অফিস থেকে তোমাকে ফোন করলে তুমি কথা বলতে চাও না। আবার আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Mystic River – জোয়ারে ফিরে আসে সবকিছু

লিখেছেন রাজসোহান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩১



১৯৭৫ সালের বোস্টন। শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ পাড়া। রাস্তায় হকি খেলছিল তিনটে বাচ্চা ছেলে। হঠাৎ বল গড়িয়ে পড়ল ড্রেনে। খেলা ওখানেই শেষ। ফুটপাতের একপাশে তখন সদ্য ঢালা ভেজা সিমেন্ট। ছেলেগুলো কাঠি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×