আগামী ৮ নভেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সারা পৃথিবী তাকিয়ে আছে এই নির্বাচনের দিকে।হিলারি ক্লিনটন ছিলেন ফার্স্ট লেডি, পররাষ্টমন্ত্রী, ও মার্কিন সিনেটর। তিঁনি যদি প্রেসিডেন্ট হয় তাহলে হবেন আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর প্রধান সমর্থকও ডেমোক্রেটিক সমর্থক নারী সংখ্যালঘু গোষ্ঠি।তার বড় প্রস্তাব গুলো হলো (১) অভিবাসন সংস্কার, (২) আগ্নেয়অস্ত্র নিয়ন্ত্রনে নতুন বাধ্যবাধকতা, (৩) বৃহৎ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা। এদিকে, বার বার সমালোচিত হওয়া ধনুকুবের ডোনাল্ড ট্রাম্প যার প্রধান সমর্থক মধ্যবিত্ত শ্রেণীর শেতাঙ্গ শ্রমিক।যার প্রধান প্রস্তাবগুলোর মধ্যে আছে (১) মেক্সিকো সিমান্তে দেয়াল দেয়া, (২) মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে নতুন পর্যালোচনা (৩) ওবামার স্বাস্থ্যনীতি বাতিল করা।প্রথম দিকে হিলারি সবার নজরে থাকলেও এখন ট্রাম্পও কম এগিয়ে যায় নি।সিএনএন এর জরিপ অনুসারে এখন হিলারি ট্রাম্পের চেয়ে মাত্র তিন পয়েন্ট এগিয়ে।তাহলে কে হতে চলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট?
যদি ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হই তাহলে মুসলিমবিশ্বের সাথে আমেরিকার একটা দূরত্ব তৈরি হবে কারণ ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছেন যদি সে প্রেসিডেন্ট হই তাহলে মুসলিমদের আমেরিকাতে প্রবেশের নিষেজ্ঞা জারি করবেন। এজন্য অবশ্য তিঁনি সমালোচিত হয়েছেন আবার অনেকে আমেরিকাতে হিন্দু বসবাসকারীদের মতো সুনাম ও করেছেন।ট্রাম্পের আরেক সমর্থক হলো রাশিয়া। ট্রাম্প নির্বাচিত হলে রাশিয়া কিছুটা হলেও আমেরিকাতে হস্তক্ষেপ করতে পারবে।এ আশায় রাশিয়া ট্রাম্পকে সব দিক থেকেই সাহায্য করছে। আরোও কারণ আমরা বেশ কিছু বছর যাবৎ দেখছি সেটি হলো পুতিন আর ওবামার বিরোধ সম্পর্ক।
আমেরিকার নির্বাচন সারা পৃথিবীতে ভালরকম একটা প্রভাব ফেলবে বলা যায়।আমাদের দেশেও ভাল প্রভাব পড়বে।যদি ট্রাম্প জিতে তাহলে তাহলে মুসলিমদেশ হিসেবে নানারকম দিক থেকে চাপ প্রয়োগ করতে পারে,নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে তবে বর্তমান সরকার দল আওয়ামীলীগের জন্য ভাল হবে কারণ যদি হিলারি নির্বাচিত হয় তাহলে ড.ইউনুস হিলারিকে দিয়ে নানান দিক থেকে চাপ প্রয়োগ করাতে পারে।

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



