আমার ব্লগাভিজ্ঞতা ১ (মুন্নার দ্বিতীয় মাথাখাটানো পোস্ট)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
৫ মাস ৩ সপ্তাহের ছোট্ট ব্লগিং জীবন। এই জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে এই পোস্ট।
সামহোয়ারের খোঁজ পাই বড়ভাইয়ের কাছে। তাকে ব্লগিং করতে দেখে আগ্রহ জন্মে মনে। মাঝেমধ্যে ভাই সামহোয়ারে লগইন অবস্থায় বাইরে গেলে বা বাথরুমে গেলে পোস্ট পড়তাম। তারপর ভাবলাম আমিও ব্লগিং করবো। ভাইকে বললাম একটা একাউন্ট খুলে দিতে। কিন্তু তার সময় হয়ে উঠলোনা। তাই একদিন নিজেই শুরু করলাম একাউন্ট খোলার কাজ। রেজিস্ট্রেশন করলাম আগষ্ট মাসে। কিন্তু প্রথম পাতায় একসেস পেলাম না

। প্রথম পোস্টটা দিলে একটা মেসেজ দিল। তারপর কেটে বারবার রিপোস্ট করতে লাগলাম। কিন্তু ছাপলো না। তারপর একমাস পর একসেস পেলাম প্রথম পাতায়। ব্লগের প্রথম কমেন্টটা ছিল রাশেদ ভাইয়ের। প্রথম প্রথম সবাই অজানা অচেনা। মনের ভিতরে কেমন যেন একটা কনফিউশন। তারপর শুরু করলাম কমেন্ট করা (তখন কমেন্ট করতে কোন বাধা ছিলনা। পোস্ট করতে না পারলেও কমেন্ট করা যেত)। কিন্তু কিছুদিন পর তা ছেড়ে দিলাম। লগইন করে ঝিম মেরে বসে থাকতাম আর পড়তাম। কোন পোস্টে ঢুকে ৫ দিয়ে বেড়িয়ে যেতাম। এই ৫-এর কল্যাণে অনেকের সাথে ভাল বন্ধুত্বও গড়ে উঠলো। বিপদেও কম পড়িনি। এ ব্যাপারে পরে লিখবো। তারপর একদিন মেইল পেলাম সামহোয়ার থেকে। মেইলে বলা হল আমার পোস্ট প্রথম পাতায় সরাসরি ছাপানো হবে

। আনন্দে আত্মহারা হয়ে পোস্ট দেয়া শুরু করলাম। কিন্তু একি! আমার পোস্ট কেউ পড়েনা

। ধীরে ধীরে এই সমস্যার সমাধান হলো। দেয়া শুরু করলাম কৌতুক। পেলাম নুড়া উপাধী। দেয়া শুরু করলাম জরিপ। শুনলাম টিটকারী। তারপর জরিপ বাদ দিলাম। ভুয়া কাম। সময় নষ্ট। কৌতুক দেয়া চালিয়ে গেলাম। কখনো নিজে বানিয়ে (খুবই কম)। আবার পেপার দিয়ে নিয়ে আর নেট দিয়ে নিয়ে। মজায় কাটছিলো ব্লগিং-এর দিনগুলো। সামহোয়ার আসলেই কালারফুল মমেন্ট তৈরী করে। তাদের উপর যতই রাগ থাকুক না কেন এই কথাটাকে অস্বীকার করার উপায় কারো নেই। আসলো শিলা নামের এক ভাল ব্লগার। তার লেখার কোন তুলনা ছিলনা। কিন্তু একদিন সেযে ব্লগ ছেড়ে গেলো আর কোন খবর নাই। তার পোস্ট পড়ার জন্য এখনো মাঝেমধ্যে ওই ব্লগ ভিজিট করি। কিন্তু নাই। এভাবে ব্লগিং চলতে লাগলো। ঝগড়া লাগলো কারো করো সাথে আবার মিটেও গেল। ব্লগে অনেক বন্ধু পেলাম।
চলবে..........
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন