
আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে-- "শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। শিক্ষার্থীকে শারীরিক শাস্তি দিলে শিক্ষককেও পেতে হবে শাস্তি।"
এতে বলা হয়, কোন শিক্ষকের শিক্ষার্থীদের উপর শারীরিক শাস্তি ‘অসদাচরন’ হিসেবে গন্য হবে এবং বাংলাদেশ দন্ডবিধি ১৮৬০, ১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবে।
Click This Link
মনে পড়ে যাচ্ছে আমার ছোট বেলা।।। আহা!! কতো মাইর খাইছি...
খুলনা জিলা স্কুলে পড়তাম।।। যেদিন মার না খেতাম সেদিন মনে হতো কি যেন খাইনি!!
মর্নিং শিফটে ছিলাম...১০ টার টিফিনের ছুটিতে এক প্রকার ফলের বিচি পকেটে ভরে বোমবাস্টিং খেলা,, চক দিয়ে কারো প্যান্টে দাগ দেয়া,, ক্লাস এইটে উঠে পাশ্ববর্তী খুলনা টাউন মসজিদে প্রথম সিগারেট হাতে নেয়া,,, খুলনা জেলা প্রশাসকের বাড়িটা পাশে থাকায় তখনকার প্রশাসকের সুন্দরী মেয়ের স্কুল যাত্রা দেখা...খুবই মজার দিনগুলো!!
এতো বাদরামি করে মার কি না খেয়ে থাকা যেত???
আজকের পোলাপাইনের জন্য খুব হিংসা হচ্ছে??? হেরা'তো আরো ডিজুইস...মাগার কোন প্রবলেম হবেনা।।
স্যারের মাইর হতে পুরোপুরি নিরাপদ।।। স্যারগো ব্যাতগুলো এখন কি করবে??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





