অনেক দিন আগে থেকেই ইছে ছিলো সামুতে ব্লগ লেখার, আজ সাহস করে লেখা শুরু করলাম। ভুল ভ্রান্তি হলে ক্ষমা করবেন।
আমার দেখা অসাধারণ ১টা মুভি রিভিউ লিখবো আজ।মুভির নাম “Taare zamen par” আমার খুবই পছন্দের ১টা মুভি।এ মুভিটা আমার এতটা প্রিয় যে এটি নিয়ে অনেক কিছু বলতে পারি।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন আমির খান এবং অভিনয় করেছেন তিনি নিজে, মুল চরিত্র ইশান্ত নান্দেকিশোর আওয়াস্তি (দারশিল সাফারি)ইশান্ত এর মায়ের চরিত্রে তিস্কা চোপড়া,বাবার চরিত্রে ভিপিন শর্মা ।চলচিত্র যে শুধু বিনোদনের জন্য এ কথাটি সম্পুর্ণ ভুল প্রমাণিত করেছেন আমির খান তার অসাধারণ পরিচালনা দিয়ে।এ মুভি দেখার সময় আপনাকে বাধ্য করা হবে শিশুর মন মানসিকতা নিয়ে চিন্তা করতে।
আট বছর বয়সি ইশান্ত লেখাপড়ায় তার কোনো আগ্রহ নেই, প্রতিটি পরীক্ষায় সে ফেল করে, অপরদিকে তার বড় ভাই সব পরীক্ষায় প্রথম।২ভাই এর মধ্যে দারুণ অমিল।ইশান্ত ভালবাসে পেইন্টিং, তার এই শিশু মনে হাজার হাজার বিস্ময় ও কল্পনা খেলা করে। অসাধারণ ছবি আঁকতে পারে সে।
পরীক্ষায় একের পর এক ফেল করায় তাকে স্কুলে আর না রাখার সিদ্বান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ, তখন ইশান্ত-র বাবা তাকে বোর্ডিং স্কুলে পাঠানোর সিদ্বান্ত নেয়।ইশান্ত অনেক কান্নাকাটি করলেও তার বাবা তার সিদ্বান্তে অটল থাকে। তার বাবার ধারণা সে দুষ্টামির জন্য পড়ালেখা করে না, তাই তাকে শৃঙ্খলা শিখানোর জন্য বোর্ডিং এ পাঠানোই শ্রেয়।
বোর্ডিং এ রেখে আসার সময় মেরি মা গানটি সকলের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। নতুন স্কুলে তার জীবন অসহনীয় হয়ে ওঠে।নতুন পরিবেশে সে মানিয়ে নিতে পারে না, শুধুমাত্র রাজন-র সাথে তার ভাল বন্ধুত্ব হয়
এরপর শিক্ষকদের একের পর এক মানসিক অত্যাচার এ সে যখন বিধ্বস্থ, তখন পাশের প্রতিবন্ধীদের প্রতিষ্ঠানের নিকুম(আমির খান) অস্থায়ী আর্ঠ টিচার হিসেবে জয়েন করে।প্রথম দিনই নেচে গেয়ে ছাত্রদের মন জয় করে ফেলে নিকুম।কিন্তু ইশান্ত ছিলো নির্বিকার, এ ব্যাপারটি নিকুম খেয়াল করে।পরে ইশান্ত এর স্কুলের খাতা চেক করে তার সমস্যা বুঝতে পারে সে।এক ছুটির দিনে ইশান্ত-র বাড়ি গিয়ে তার বাবা মাকে সব বুঝিয়ে বলে, যে তাদের সন্তান dyslexia তে ভুগছে এবং নিকুম ইশান্ত এর আঁকা পেইন্টিং দেখে বিস্মত হয়।এরপর সে নিজে স্কুল কর্তৃপক্ষ-র অনুমতি নিয়ে ইশান্তর দায়িত্ব নেয়। আদর ভালবাসা দিয়ে অতি যত্ন সহকারে তাকে লেখাপড়ায় দক্ষ করে তুলে।
অবশেষে স্কুলে আর্ট মেলার আয়োজন করা হয়, সেখানে সকল শিক্ষক ও ছাত্ররা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ইশান্ত বিজয়ী হয় নিকুমকে পরাজিত করে।
অল্প কথায় আসলে এ মুভিটি সম্পর্কে উপস্থাপন করা সম্ভব নয় । তাও চেষ্ঠা করেছি যতুটুকু সম্ভব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



