বিকেলের খেলার মাঠে গিয়ে প্রথম কাজ ছিলো পাগলটাকে গালি দিয়ে বন্ধুদের জন্য অপেক্ষা করা। পাগলটা ইংলিশ বলতো মাঝে মাঝেই। বাস্টা র্ড বলে গালি দিত। ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাংশল পাছায় থাব্রালেই থপাশ করে শব্দ হতো । দিতাম।
ক্রিকেটের ব্যাট বল কেনার জন্য টাকার দরকারে এলাকার সামর্থ্যবানদের কাছে হাত পাততাম। সেই সময় সামর্থ্যবান মানুষরাই হজ করতেন। আমার মেজো ফুফা হজ করে এসেও শার্টপ্যান্ট পড়তেন । ড্রামকে ভ্যানের উপর বসিয়ে , দোকানে দোকানে কেরোসিন তেল বিক্রির বিজনেস ছিলো। কেরোসিনে মেডিসিন মিক্স করতেন। মাপে চুরি করতেন। গ্রামে গঞ্জে ব্যাপক ব্যবসা করতেন। লোকে পাজী জামাই বলে ডাকতো আড়ালে। আমিও বলতাম। আমাকে উনি শশুড় বলতেন। উনার ইচ্ছে হলো নির্বাচন করার ।
শশুড়
ভোট করবো মেম্বার হব ''
বললাম
পাছায় মাংশ আছে ? থাব্রাইলে থপাশ থপাশ শব্দ হয় ?
উনি আমায় বাস্টা র্ড বলে গালি দিয়েছিলেন ।
পাগলটা ইংলিশে কথা বলতো, গালিও দিতে পারতো। ভালো করে শুনেছিলাম। দশ পনেরোটা ইংরেজি শব্দ জানতো। নিম্নশিক্ষিত পাগল। শীতে হাটুঢাকা জ্যাকেট জোগাড় করে ফেলেছিল। বললো
চিপস কিনে দিবা ফ্রেন্স ''
দিব
আমার মেজো ফুফাকে গালি দিতে পারবি। পাকিস্তানি ভাষায় ইন্ডিয়ান গালি ।''
পাগলে সব পারে। ওর জ্যাকেটের পকেট চিপ্স দিয়ে ভর্তি করে দিলাম। একটা গালিও শিখিয়ে দিয়েছিলাম ।
হারা ম খোর ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

