somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারত বঙ্গবন্ধুকে ইনসিস্ট করে ছিলো নাকি বঙ্গবন্ধু নিজেই:

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পর্ব :০২

***দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী স্নায়ু যুদ্ধের চাকে ঢিল ছুড়লে যে ঝামেলা হতে পারে সে বিষয়ে অবগত ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তৎকালের দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন- উভয়ের কাছেই ছিলো বিপুল পরিমান আনবিক শক্তি। সেই সময় এই দুই শক্তি নিজ নিজ দর্শনের সংঘাতে ব্যস্ত ছিলো। এদের মধ্যে সেই সময় কারা বঙ্গবন্ধুর জন্য মিত্র ছিলো সেটা তিনি জানতেন। তবে তাঁর চিন্তা ছিলো এই পরাশক্তিদের কৌশলগত দাবার বোর্ডে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে।****
***এরইমধ্যে সেসময় বিশ্বযুদ্ধের কু-কর্মের ফলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজেদের সবচেয় ঘৃণিত সামরিক একনায়কতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছিলো। যার সাথে অনেক বেশি মিল খুঁজে পাওয়া যেত পাকিস্তানের, যার হাত থেকেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে মুক্ত করতে চাচ্ছিলেন। তাই এক কথায় বলা যায় যুক্তরাষ্টকে বাংলাদেশের এই অভিযানে কখনোই মিত্র হিসেবে পাওয়া যেত না। ইতোমধ্যেই আমারা পর্ব ০১ থেকে জেনেছি, পাকিস্তানের সাথে চীনের বারোমাসি মিত্রতার কারণে, তাদের বঙ্গবন্ধু মিত্র হিসেবে না পাওয়ার তালিকার প্রথমেই রেখেছে। আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নেতিবাচক আবহাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্য সে সময় যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়ে সাবধানী না হয়ে উপায় ছিলো না। বিশ্বের তৎকালিন স্নায়ু যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিলো ভারতের সবচেয় বিশ্বাসী মিত্র ও কৌশলগত অংশীদার। আর ভারতের মত সবচেয় বড় গণতান্ত্রিক দেশের সমর্থন পাওয়া মানে বিশ্বের একটি পরাশক্তির সমর্থন পাওয়া, যা তৎকালে অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য। আর সব চিন্তা ভাবনার পরই বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেন ইন্দো-সোভিয়েত ইউনিয়নের কৌশলগত মিত্রতা শক্তিশালির এক বড় নিয়ামক। আর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এর ফলাফলই বলে দেয় বঙ্গবন্ধুর সূদূর প্রসারী সেই চিন্তা ও সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো না।*******

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×